প্রকাশিত: ৯:০৭ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৭, ২০২৫
বিনোদন ডেস্ক : শাঁখা-পলা-সিঁদুর নিয়ে এক বেফাঁস মন্তব্য করে ফের একবার চরম ট্রোলড হলেন টেলিভিশনের পরিচিত মুখ মধুবনী গোস্বামী। বারবার নিজের বক্তব্যে বিতর্ক ডেকে আনা এই অভিনেত্রী এবার বললেন, ‘শাঁখা পলা পরতে গেলে অবশ্যই বিয়ে হওয়া আর স্বামীর দেহে থাকাটা জরুরি’। আর এই এক মন্তব্যেই ক্ষেপে উঠেছেন নেটিজেনদের একাংশ।
ফেসবুকে শেয়ার করা এক ছবির সঙ্গে মধুবনী দাবি করেন, মোটা শাঁখা-পলা পরার ফ্যাশনের প্রথম প্রচলন নাকি তাঁর হাত ধরেই হয়েছে।
তিনি লেখেন, ‘২০১৬-য় যখন বিয়ে হয়, তখন মোটা শাঁখা পরেই বিয়ে করেছিলাম… তারপর দেখলাম, অনেকেই মোটা শাঁখা পরছে… এরপর মোটা শাঁখার সঙ্গে মোটা পলাও পরা শুরু করলাম, সেটাও অনেকে ফলো করল।’
এরপরই তিনি যোগ করেন, ‘আমি সব রকম আউটফিটের সঙ্গেই শাঁখা পলা পরি… আমার স্বামীর মঙ্গল কামনাতেই পরি। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা কামনার জন্যই এই অভ্যেস। আমি বিশ্বাস করি, শাঁখা-পলা-সিঁদুর এমন জিনিস, যা চাইলেই পরা যায় না। এগুলোর জন্য বিয়ে হওয়াটা ম্যান্ডেটরি এবং স্বামীর দেহে থাকাটাও অত্যাবশ্যক।’
এই বক্তব্য সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, ‘তাহলে যাঁরা স্বামীহীন, তাঁদের কি অধিকার নেই এসব পরার?’ আবার কেউ কেউ সরাসরি লেখেন, ‘একটা কথা বলার আগে যদি একটু ভাবতেন, এতটা ট্রোল খেতে হতো না।’
তবে মধুবনী এসব সমালোচনায় কান দিচ্ছেন না বলেই ইঙ্গিত মেলে তাঁর পোস্টের শেষে লেখা এক লাইনে, ‘আমি কাউকে আমার কথা মেনে চলতে বলছি না… শুধু নিজের পার্সপেক্টিভ শেয়ার করলাম।’
উল্লেখ্য, ‘ভালবাসা ডট কম’-এর ‘ওম’ ও ‘তোরার’ সম্পর্ক থেকে বাস্তবের দাম্পত্যে পৌঁছন মধুবনী-রাজা। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে গাঁটছড়া বাঁধেন এই জুটি। ‘বেহুলা’, ‘ফাগুন বউ’, ‘সাত ভাই চম্পা’, ‘ভানুমতীর খেল’-এর মতো ধারাবাহিকে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন মধুবনী।
তবে গত চার বছর ধরে অভিনয়ের বাইরে। এখন পার্লার সামলানো আর ব্লগিং নিয়েই ব্যস্ত তিনি। অন্যদিকে রাজা গোস্বামী এখনও কাজ করছেন নিয়মিত মেগা ধারাবাহিকে।




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : গার্ডেন টাওয়ার শপিং কমপ্লেক্স,২য় তালা, উপশহর, সিলেট -৩১০০, বাংলাদেশ।সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Call : 01911120520 – 01718061314
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
Design and developed by Web Nest