প্রকাশিত: ১২:৩৮ অপরাহ্ণ, মে ১৩, ২০২৬
নিউজ ডেস্ক : পবিত্র ঈদুল আযহাকে টার্গেট করে সিলেটে সক্রিয় হয়ে ওঠেছে জাল নোটের কারবারিরা। জাল নোট ছাপানো ও নিজেদের চক্রের মাধ্যমে তা সিলেট বিভাগে ছড়িয়ে দিতে নানা তৎপরতা শুরু করেছে তারা। বাইরে থেকে সিলেটে এসে ওই চক্রটি জাল নোটের কারবার করে থাকে।
৫০০ টাকার একটি নোট চালাতে পারলে চক্রের নিয়ন্ত্রণকারীরা সদস্যদের ২০০ টাকা দিয়ে থাকে। ঢাকা থেকে জাল নোট ছাপা ও পুরো নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ হয়ে থাকে। র্যাব-৯ এর অভিযানে ওই চক্রের চার সদস্য আটকের পর এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর কিংবা ঈদুল আযহায় সিলেটে কেনাকাটার পরিমাণ বেড়ে যায়। এই সুযোগে প্রতিবছর জাল নোটের কারবারিরা সিলেটে সক্রিয় হয়ে ওঠে। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ঈদুল আযহাকে টার্গেট করে এই চক্রটি সিলেটে ফাঁদ পেতেছে। ঈদকে সামনে রেখে দোকানগুলোতে কেনাকাটা ও ভিড় বাড়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তারা ব্যবসায়ী ও সাধারণ লোকজনকে প্রতারিত করছে। অল্প পরিমাণ কেনাকাটা করে বড় নোট দিয়ে ভাঙতি হিসেবে তারা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়ে যাচ্ছে আসল টাকা। বড় নোট ভাঙানোর নামে সাধারণ মানুষকেও তারা একইভাবে প্রতারিত করছে।
গত মঙ্গলবার রাতে র্যাব-৯ এর অভিযানে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার এলাকা থেকে জাল নোট চক্রের এক সদস্য আটক হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নগরীর লালবাজারস্থ একটি আবাসিক হোটেল থেকে ওই চক্রের আরও তিন সদস্যকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৫ লক্ষাধিক টাকার জাল নোট। আটক হওয়া চারজনই সিলেটের বাইরের। এর মধ্যে দুইজনের বাড়ি শেরপুর, একজনের বরিশাল ও একজনের বাড়ি গোপালগঞ্জ। সিলেটের একটি আবাসিক হোটেলে থেকে তারা জাল নোটের কারবার করে আসছিল।
জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতদের দেওয়া জবানবন্দির বরাত দিয়ে র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, চক্রটি মুলত ঢাকা থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। চক্রের সদস্যরা নানাপন্থায় জাল নোট ছড়িয়ে দেয়। প্রতিটি ৫০০ টাকার জাল নোটে ২০০ টাকা ও ১০০০ টাকার নোটের জন্য ৪০০ টাকা পেয়ে থাকে চক্রের সদস্যরা।
জাল নোট দিয়ে প্রতারণার জন্য চক্রের সদস্যরা বেশিরভাগ টার্গেট করে থাকে ব্যবসায়ীদের। যে দোকানে ব্যস্ততা বা ভিড় বেশি থাকে ওই দোকানে গিয়ে অল্প পরিমাণ জিনিসপত্র কিনে তারা। এরপর মূল্য পরিশোধের জন্য বড় নোট দিয়ে থাকে। ব্যবসায়ী পরীক্ষা না করে জাল নোট রেখে দিয়ে অবশিষ্ট টাকা ফেরত দিলেই প্রতারক হয়ে যায় পগাড়পার। এছাড়া বড় নোট ভাঙানোর নামে সাধারণ মানুষের সাথেও চক্রটির সদস্যরা প্রতারণা করে থাকে।
র্যাবের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, প্রতারক চক্রের সদস্যরা জাল নোট ব্যবহারের মাধ্যমে প্রাপ্ত টাকা ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়। ওই চক্রের মুলহোতাদের কাছে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে তারা টাকা পাঠায়। সিলেটে এই চক্রের স্থানীয় কোন এজেন্ট আছে কি-না তা র্যাব খতিয়ে দেখছে বলে জানান র্যাব কর্মকর্তা সোহাগ।
এদিকে, ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন তারা প্রতিনিয়তই এই চক্রের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। প্রায় প্রতিদিনই বড় দোকানগুলোতে দু’একটি জাল নোট পড়ছে।
নগরীর আম্বরখানার সুরমা বাজারের ব্যবস্থাপক হাবিবুর রহমান চৌধুরী জানান, জাল নোট এমন নিখুঁতভাবে ছাপানো থাকে তা খুব ভাল করে না দেখলে বুঝাই যায় না। বেশিরভাগ সময় টাকা ব্যাংকে জমা দিতে গেলে জাল সনাক্ত হয়। তিনি আরও জানান, দোকানে যখন ভিড় থাকে তখন সকল নোট দেখে নেওয়ার সুযোগ থাকে না। এই সুুযোগে প্রতারকরা জাল নোট দিয়ে প্রতারণা করে থাকে।




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
Call : 01911120520
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Design and developed by Web Nest