প্রকাশিত: ১২:১৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৩, ২০২৬
নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশ সচিবালয় রাজধানীর আবদুল গনি রোড থেকে আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরের প্রস্তাব আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের জন্য তোলা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেছেন, মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেলে স্থানান্তরের মূল কার্যক্রম শুরু হবে। বর্তমান সরকারের মেয়াদেই সচিবালয় স্থানান্তরের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে বলেও জানান গণপূর্তমন্ত্রী।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারিতে বদলি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
জাকারিয়া তাহের জানান, সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে অতীতে একটি মাস্টারপ্ল্যান ছিল। সে অনুযায়ী নীতিগত কাজ ও প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাব উত্থাপিত হবে এবং মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়া গেলে পরে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সচিবালয়ে প্রায়ই গাড়ি পার্কিং এবং স্থান সংকটের কারণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। অনেকগুলো মন্ত্রণালয়ের দপ্তর মূল ভবনের বাইরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখতে হচ্ছে। তাছাড়া বর্তমানে সচিবালয়ের বেশিরভাগ ভবন ১৯৬০-এর দশকে তৈরি হওয়ায় সেগুলো বেশ পুরোনো হয়ে গেছে। ভূমিকম্পসহ যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সুরক্ষা ও সুরক্ষাজনিত ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে এসব ভবনের মেরামত ও স্থায়ী বিকল্প খোঁজা জরুরি হয়ে পড়েছে। সবদিক বিবেচনা করেই বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই সচিবালয় আগারগাঁওয়ে নতুন স্থানে পুরোপুরি স্থানান্তরের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও সদিচ্ছার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেলে বর্তমান সরকারের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণ ও স্থানান্তরের সব প্রাথমিক ও মূল কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।
গণপূর্তমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের ধারণাগত পরিকল্পনায় প্রায় ৩০ থেকে ৩২ লাখ বর্গফুট জায়গার প্রয়োজন হতে পারে। বর্তমানে সচিবালয়ে প্রায় ১৫ লাখ বর্গফুট জায়গা রয়েছে। নতুন জায়গায় গেলে বর্তমানের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ জায়গা পাওয়া যাবে। এখানে থাকলেও ভবনগুলো নতুন করে নির্মাণ করতে হবে। সবকিছু বিবেচনা করেই আমাদের মনে হয়েছে, এ বিষয়ে কিছু করা দরকার। তবে স্থানান্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।
এদিকে সংশ্লিষ্টরা জানান, সচিবালয় স্থানান্তর প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় চিন্তা করা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা। বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। গণপূর্ত অধিদপ্তর ভবনগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করে একটি লে-আউট প্রস্তুত করেছে। প্রকল্পটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনীয় তথ্য গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটি একনেকে উপস্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে; অনুমোদন পেলে বাস্তবায়ন কাজের উদ্বোধন করা হবে চলতি বছরের মধ্যেই।




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
Call : 01911120520
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Design and developed by Web Nest