প্রকাশিত: ১০:২১ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
নিউজ ডেস্ক : বাংলায় একটি জনপ্রিয় প্রবাদ আছে, ‘পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা’। যার অর্থ দাঁড়ায় অন্যের ক্ষতি করে নিজের স্বার্থ হাসিল করা। এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের বগাডুবী রেললাইনের মোড় এলাকায়।
তবে সেই স্বার্থ হাসিল করতে পারেননি চুনারুঘাট থানার এসআই মাসুম আল মামুন ও কনস্টেবল রুহুল আমিন। বাবা-মেয়েসহ ৩ জনকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে তারা নিজেরাই ফেঁসে গেলেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদেরকে ক্লোজড করে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার চুনারঘাট-মাধবপুর সার্কেল মোহাম্মদ রাফিউর রহমান।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার কালিশিরী গ্রামের ছায়েদ মিয়া (৫০), তাঁর মেয়ে জাসমিন আক্তার (২৪) ও ছোট ভাই ইউনুস মিয়া (৪৫) প্রতিবেশির সঙ্গে রাস্তা নিয়ে বিরোধের একটি মামলার হাজিরা দিতে হবিগঞ্জ আদালতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইজিবাইকে রওয়ানা দেন। পথিমধ্যে বগাডুবী রেললাইনের মোড়ে পৌঁছালে এসআই মামুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাঁদের ইজিবাইকের গতিরোধ করে। এ সময় তাদের তল্লাশির কথা বলে ছায়েদ মিয়ার পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে দেন এসআই মাসুম আল মামুন ও কনস্টেবল রুহুল আমিন। পরে তাঁদের আটক করে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। এক পর্যায়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হলে প্রায় সাত ঘণ্টা পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
ছায়েদ মিয়া ও তার মেয়ে জাসমিন আক্তার বলেন, বগাডুবী রেললাইনের মোড়ে পৌঁছালে এসআই মামুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাঁদের ইজিবাইকের গতিরোধ করে। এ সময় কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তিও পুলিশের সঙ্গে ছিলেন। পরে তাঁদের তল্লাশি করে পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দেখানোর চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে তাঁদের পুলিশের গাড়িতে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুস সাত্তার মোল্লা বলেন, ‘ছায়েদ মিয়ার সঙ্গে তার প্রতিবেশির রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মামলা-মোকদ্দমা চলছে। এ মামলায় তারা হাজিরা দিতে হবিগঞ্জ যাচ্ছিলেন। পরে শুনি রাস্তায় তাদেরকে পুলিশ ইয়াবাসহ আটক করেছে। আটক ব্যক্তিরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নন বলে আমরা জানি। ঘটনার কথা শুনে থানায় গিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি।’
অভিযোগ ও ক্লোজড করার বিষয়ে জানতে এসআই মাসুম আল মামুনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ না থাকায় ছায়েদ আলীসহ তার পরিবারের লোকজনকে ছেড়ে দেয়া হয়। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের বিষয়েও তদন্ত করে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ব্যবস্থা নিয়েছেন।’
সহকারী পুলিশ সুপার চুনারঘাট-মাধবপুর সার্কেল মোহাম্মদ রাফিউর রহমান সিলেটভিউ-কে বলেন, ‘একটি নিরীহ পরিবারকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগে তাদেরকে ক্লোজড করে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।’




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
Call : 01911120520
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Design and developed by Web Nest