প্রকাশিত: ৮:০৬ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৩১, ২০২৬
নিউজ ডেস্ক : ওয়ার্ক পাারমিট ভিসা করে সার্বিয়া পাঠানোর কথা ছিল। একসময় ভিসাও তুলে দেওয়া হয় দুই কাস্টমারের হাতে। যথারীতি তাদের সার্বিয়া পাঠানোর জন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় নিয়ে যায় দালাল চক্রের এক সদস্য। এরপর একটি স্থানে বসিয়ে রেখে উধাও হয়ে যায় তারা। এই প্রতারক চক্রের প্রধানকে আটক করেছে র্যাব সদস্যরা।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র্যাবের গণমাধ্যম শাখা। তারা জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আম্বরখানা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
তার নাম আই এ মারুফ আহমদ (৩৪)। তিনি জালালাবাদ থানার পাইকরাজ এলাকার মৃত হাবিব আহমদের ছেলে।
র্যাব জানায়, আম্বরখানার গোল্ডেন টাওয়ারে বিদেশে লোক পাঠানোর জন্য তাদের নিজস্ব ট্রাভেলস অ্যাজেন্সি আছে বলে প্রচারণা চালায় মারুফ ও তার লোকজন। এ অ্যাজেন্সির মাধ্যমে তারা ইউরোপ আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করে লোক পাঠানো হয় বলেও তারা প্রচারণা চালাতেন। তাদের প্রচারণা ও প্রতিশ্রুতিতে আকৃষ্ট হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার মোস্তফানগর এলাকার আফতাব উদ্দিন তার ছেলে ও শ্যালককে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় সার্বিয়া পাঠানোর জন্য ১৮ লাখ টাকা দেওয়ার চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী তিনি বিভিন্ন তারিখে ১৮ লাখ টাকা প্রদান করেন। গত বছরের ২০ নভেম্বর তাদের ভিসাও দিয়েছেন মারুফ ও তার সহযোগী কে এম জাকির আহমদ মনি। ১৬ ডিসেম্বর তাদের সার্বিয়া পাঠানোর জন্য শাহজলাল বিমানবন্দর এলাকায় নিয়ে যান তারা। সেখানে একটি স্থানে বসিয়ে রেখে হাওয়া হয়ে যান মনি ও মারুফ। এর কয়েক ঘন্টা পর মারুফ কল দিয়ে তাদের জানান, ফ্লাইট শিডিউল বদলে গেছে। তাদেরকে সিলেট ফিরে যেতে হবে। সিলেট ফিরে তারা ভিসা যাচাই করে দেখেন যে, সেগুলো জাল ভিসা, অনলাইনে এর কোনো তথ্য নেই। এরপর তারা টাকা ফেরত চাইলে তাদের ভয়-ভীতি ও হুমকি ধমকি দেন মারুফ ও মনি।
এ ব্যাপারে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানায় গত ৪ জুলাই একটি অভিযোগ (নং ৩) দায়ের করেন আফতাব উদ্দিন। র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং মারুফকে আটক করতে সক্ষম হয়।
তাকে কোম্পানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের গণমাধ্যম কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহীদুল ইসলাম সোহাগ।




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
Call : 01911120520
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Design and developed by Web Nest