প্রকাশিত: ১:২৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
নূরুদ্দীন রাসেল :: দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেট-এর সদস্য,দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক,কবি এম.আলী হোসাইন-এর পিতা দক্ষিণ সুরমার তেতলী ইউনিয়নের বর্ষীয়ান ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব হাফিজ মোঃ আফতাব মিয়ার মৃত্যুতে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব,সিলেট-এর মিলনায়তনে এ সভা ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
সাহিত্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কবি দেওয়ান মতিউর রহমান খাঁন-এর সভাপতিত্বে ও দৈনিক বার্তাবাহক, সাপ্তাহিক বৈচিত্র্যময় সিলেট পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কবি নূরুদ্দীন রাসেল-এর সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্য সমালোচক মামুন সুলতান।প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেট-এর সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ ফুলর।
বিশেষ অতিথি ছিলেন নন্দিত নাট্যকার ও কবি বাবুল আহমদ, সিলেট ছড়া পরিষদের সহ-সভাপতি অজিত রায় ভজন, সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের সদস্য, সংগঠক লুৎফুর রহমান এবং কবি, সংগঠক ও নাট্যকার ধ্রুব গৌতম।স্বাগত বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেট-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক,কবি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম। অনুভূতি প্রকাশ করেন মরহুম হাফিজ আফতাব মিয়ার পুত্র কবি এম. আলী হোসাইন। শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ রুহেল আহমদ।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কবি ও সংগঠক কামাল আহমদ, দৈনিক সচিত্র সিলেট পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কবি সৈয়দ আসলাম হোসেন,অনুপ্রাণন সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন,যুব সংগঠক ফয়ছল আহমদ।
বক্তারা বলেন, হাফিজ আফতাব মিয়া ছিলেন একজন প্রবীণ হিতৈষী, নিরহংকার, নির্লোভ, ধর্মপ্রাণ ও সমাজহিতৈষী ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ আল্লাহওয়ালা মানুষ এবং পবিত্র কোরআনের একনিষ্ঠ খাদেম। দীর্ঘ জীবনে তিনি ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার, মসজিদ-মাদ্রাসার খেদমত এবং মানুষের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তাঁর কর্মময় জীবনের বড় একটি অংশ কেটেছে ইমামতি ও শিক্ষকতার মহান পেশায়।
তারা বলেন, হাফিজ আফতাব মিয়া ছিলেন সত্যিকার অর্থেই একজন ‘কোরআনের পাখি’। পবিত্র কোরআনের শিক্ষা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে তিনি আজীবন আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি অসংখ্য শিক্ষার্থীকে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। তাঁর হাতে গড়ে ওঠা অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী বর্তমানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছেন। তাঁদের অনেকেই নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সমাজ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখছেন।
শোকসভায় বক্তারা আরও বলেন, হাফিজ আফতাব মিয়া শুধু একজন শিক্ষকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন অনেক শিক্ষকেরও শিক্ষক। ধর্মীয় শিক্ষা ও কোরআন শিক্ষায় তাঁর জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘদিনের সাধনা তাঁকে স্বতন্ত্র মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছিল। একজন শিক্ষক হিসেবে তাঁর যথেষ্ট যশ ও খ্যাতি ছিল। তবে খ্যাতি কিংবা সামাজিক মর্যাদা কখনো তাঁর বিনয় ও সরলতাকে আচ্ছন্ন করতে পারেনি। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল, বিনয়ী ও নিরহংকার প্রকৃতির মানুষ।
বক্তারা বলেন, মানুষের প্রতি ভালোবাসা, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক কর্মকান্ডে সহযোগিতা করা ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। নিজের জন্য কোনো কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা না করে অন্যের কল্যাণে কাজ করাই ছিল তাঁর স্বভাব। তাঁর জীবনাচরণে ধর্মীয় অনুশাসন, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছিল। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তিনি ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতার শিক্ষা দিয়ে গেছেন।
সভাপতির বক্তব্যে কবি দেওয়ান মতিউর রহমান খাঁন বলেন-হাফিজ আফতাব মিয়া একজন আলোকিত মানুষ ছিলেন,তিনি কোরআনের হাফিজ হয়ে মসজিদ মাদ্রাসায় ইমামতি ও শিক্ষকতার মাধ্যমে সত্যের আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন।
বক্তারা মরহুম হাফিজ আফতাব মিয়ার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
সবশেষে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফিজ রুহেল আহমদ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক বার্তাবাহক পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার লিমন আহমদ ও আব্দুল আহাদ,দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেটর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, সিলেট অলটাইম নিউজ-এর সম্পাদক এমরান ফয়ছল, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেটর সদস্য, দৈনিক পঞ্চবাণী পত্রিকার দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধি মোঃ নজরুল ইসলাম,কবি জালাল জয়,আব্দুল মতিন প্রমুখ।




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
Call : 01911120520
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Design and developed by Web Nest