প্রকাশিত: ৬:১২ অপরাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২৪
স্পোর্টস ডেস্ক : শেষ ওভারে ১৬ রান প্রয়োজন দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথমবার কোনো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে প্রোটিয়ারা তখন শিরোপা জয়ের স্বপ্নে বিভোর। স্ট্রাইকে ছিলেন ডেভিড মিলার, বোলিংয়ে হার্দিক পান্ডিয়া।
ওভারের প্রথম বলেই মিলারের শট বাউন্ডারির সঙ্গে লুকোচুরি খেলে হাতে জমান সূর্যকুমার। মিলার আউট হতেই প্রোটিয়াদের বিশ্বকাপ স্বপ্নে বড় ধাক্কা লাগে। এরপর সেই ক্যাচ নিয়ে নানা মুনি নানা মত দেন।
দক্ষিণ আফ্রিকা অবশ্য তেমন একটা উচ্চবাচ্য করেনি। দলটির অধিনায়ক এইডেন মার্করাম শুধু বলেছিলেন, তৃতীয় আম্পায়ার রিপ্লে আরেকটু সময় নিয়ে দেখতে পারতেন।
এবার সেই ক্যাচ নিয়ে মুখ খুলেছেন ঘটনার মূল চরিত্র সূর্যকুমার যাদব। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে সূর্যকুমার বলেছেন, সেই ক্যাচ নেওয়ার সময় তার পা দড়িতে স্পর্শ করেনি।
সেই মুহূর্তটি ব্যাখ্যা করে সূর্যকুমার বলেন, ‘রোহিত ভাই সাধারণত লং-অনে ফিল্ডিং করেন না। কিন্তু সেই সময় তিনি সেখানে ছিলেন। তাই বলটি যখন আসছিল আমি এক সেকেন্ডের জন্য তার দিকে তাকাই, তিনিও আমার দিকে তাকিয়েছিলেন। আমি দৌড়াতে শুরু করি, লক্ষ্য ছিল ক্যাচটি নেওয়া। তিনি (রোহিত) কাছে থাকলে, বল তার দিকে ছুড়ে দিতাম। কিন্তু তিনি কাছাকাছি ছিলেন না। এরপর ৪ বা ৫ সেকেন্ডে যা ঘটেছে, আমি সেটা ব্যাখ্যা করতে পারব না।’
তবে বল যখন প্রথমবার তার হাতে পড়ে সে সময় কি সীমানাদড়ি স্পর্শ করেছিল তার পা? সূর্যকুমারের জবাব, ‘আমি যখন বলটি মাঠের ভেতরে ঠেলে দিই এবং ক্যাচটি নেই, আমি জানি আমার পা দড়ি স্পর্শ করেনি। আমি শুধু একটা জিনিস নিয়েই সতর্ক ছিলাম, পা যেন দড়িতে না লাগে। আমি জানতাম, এটা সঠিক ক্যাচ।’
অবিশ্বাস্য এমন ক্যাচ ধরা প্রসঙ্গে সূর্যকুমার বলেন, ‘যে ক্যাচটি আমি নিয়েছি, এটা বিভিন্ন মাঠে বাতাসের ওপর নির্ভর করে অনুশীলন করেছি।’
এমনকি ফাইনালের আগেও সীমানাদড়ির আশপাশের ক্যাচ অনুশীলন করেছেন বলে জানান ভারতীয় দলের এই তারকা ব্যাটসম্যান।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকাকে ফাইনালে ৭ রানে হারিয়ে ১৭ বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তোলে ভারত।




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
Call : 01911120520
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Design and developed by Web Nest