প্রকাশিত: ৬:০৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
বিনোদন ডেস্ক : ওপার বাংলার আলোচিত অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি পোস্ট করেন তিনি। বর্তমানে তিনি রয়েছেন ভ্যাকেশন মুডে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও একের পর এক ছবি শেয়ার করে যাচ্ছেন তিনি। আর তা নিয়েই নতুন করে কটাক্ষের শিকার হয়েছেন নায়িকা।
এমনিতেই নুসরাতের চাবুক ফিগার, কোমল-মসৃণ ত্বকের আলাদা মোহ রয়েছে। এর ওপর যদি খোলামেলা লুকে দেখা দেন, তাহলে তো রীতিমতো ভাষাহীন হয়ে পড়েন অনুরাগীরা।
পরনে ডেনিম শর্টসের সঙ্গে কমলা রঙের অন্তর্বাস। সমুদ্রের ধারের পাথরে হেলান দিয়ে, আবার কখনো পানির মাঝে দাঁড়িয়ে একের পর এক পোজ দিয়ে ছবি তুললেন অভিনেত্রী।
এরপরই ধেয়ে এলো কাটাক্ষ। শরীর নিয়ে কটাক্ষ তো হলই, বাদ পড়ল না অভিনেত্রীর ৩ বছরের ছেলে ইশানও। তাকে জড়িয়েও নোংরা আক্রমণ করলেন নেটিজেনরা।
কারো মন্তব্য, ‘ছেলের মা হয়েও কী সব পরছেন আপনি? লজ্জা করছে না?’ কেউ লিখেছেন, ‘সাংসদের পদ তো হারিয়েছেন, এখনও ব্রা-শর্টস ছাড়তে পারেননি?
২০২১ সালে ৩১ বছর বয়সে মা হয়েছেন নুসরাত। তবে সন্তানের জন্মের সময়টা করোনার কাটা তো ছিলই, সঙ্গে ছিল ছেলের পিতৃ পরিচয় নিয়ে বিতর্ক। সেই সময়ই অভিনেত্রী সামনে আনেন, নিখিল জৈনের সঙ্গে তার বিয়ে আইনত বৈধ নয়। কারণ স্পেশ্যাল ম্যারেজ অ্যাক্ট হিসেবে তা রেজিস্ট্রেশন করা হয়নি।
এদিকে নিখিল সংবাদমাধ্যমে জানিয়ে দেন, নুসরাতের গর্ভের সন্তান তার নন। সেই সময়টা যশের সঙ্গে থাকতেন তিনি। ফলে দুইয়ে দুইয়ে চার করে ফেলেন অনেকেই।
হাসপাতালে ইশানের জন্মের সময় গোটা সময়টা নুসরাতের সঙ্গে ছিলেন যশ। এরপর তারকা-পুত্রের যখন কয়েক মাস বয়স, একটি বার্থ সার্টিফিকেট সামনে আসে। সেখানে দেখা যায়, ইশানের বাবার জায়গায় যশেরই নাম লেখা আছে।
তবে যশের সঙ্গে প্রেম থেকে বিয়ে, কবে কীভাবে কখন হল, তা নিয়ে মুখ খোলেননি কোনও পক্ষই। উইকিপিডিয়াতেও যশের পরিচয় নুসরাতের ‘পার্টনার’ হিসেবে ‘হাজবেন্ড’ নয়।
নুসরাতকে শেষ বড় পর্দায় দেখা গিয়েছে সেন্টিমেন্টাল ছবিতে। যা ছিল তাঁর ও যশের হোম প্রোডাকশন থেকে তৈরি। পুরোপুরি বানিজ্যিক ঘরনার এই ছবি সেভাবে ব্যবসা করতে পারেনি বক্স অফিসে। শোনা যাচ্ছে, তাতে হার না মেনেই, নিজেদের প্রযোজনা থেকে দ্বিতীয় ছবি তৈরির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত দুজনে।




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
Call : 01911120520
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Design and developed by Web Nest