প্রকাশিত: ৮:৪৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৪
বিনোদন ডেস্ক : আর জি কর ধর্ষণকাণ্ডে এখনও প্রতিবাদে মুখর গোটা ভারত। চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ ও হত্যায় ক্ষোভে ফুঁসছে পশ্চিমবঙ্গ। এরই মধ্যে নতুন করে তোলপাড় ফেলে হেমা কমিটির রিপোর্ট। আর জি কর-কাণ্ডের ঘটনার পর হেমা কমিটির রিপোর্টে উঠে এসেছে মালয়ালম চলচ্চিত্র জগতে যৌন হেনস্তার একের পর এক অধ্যায়। যেগুলো বেশ নাড়া দেয় গোটা ভারতের বিনোদনপ্রেমীদের। রীতিমতো নড়েচড়ে বসে গোটা ভারতের বিভিন্ন চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি।

এর পরই যৌন হেনস্তা ইস্যুতে একের পর এক অভিনেত্রী তুলছেন বিস্ফোরক অভিযোগ। এবার যৌন হেনস্তা ইস্যুতে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী এনা সাহা।

তিনি জানান, এক প্রযোজক তাকে কুপ্রস্তাব দেয়। তিনি রাজি না হওয়ায় রাতে মাঝ রাস্তায় নামিয়ে দেয় গাড়ি থেকে!
এনা বলেন, ‘১৭ বছর বয়সে ছবিতে নায়িকা হয়েছি। তার পরেই এক প্রযোজক আমাকে ড্রাইভে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। টলিউডে আমি খুব কম বয়স থেকে কাজ শুরু করেছি। তাই অনেক সময়েই কারও গাড়িতে উঠেছি। অন্যরকম কিছু হতে পারে ভাবিনি। সেদিনও ড্রাইভে যাওয়ার প্রস্তাব পেয়ে না করিনি। কিন্তু তারপর গাড়ির মধ্যে প্রযোজক এমন কিছু করার প্রস্তাব দেন, যাতে আমি ‘না’ বলতে বাধ্য হই। তিনি জোর দিয়ে বলেন। আমি শুনিনি। সেই না শুনে তিনি রেগে যান। আমাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেন।’

অভিনেত্রী আরো বলেন, ‘শুধু সেদিন নয়, আরও বহুদিন এমন হয়েছে, যখন খারাপ লেগেছে। শুরুর দিকে খুব ভয় পেতাম। কারও প্রস্তাবে ‘না’ বলে দিলে আর কাজ পাব না, সেই ভয়টা ঘিরে ধরত। আজকে এত বছর পর নিজের প্রযোজনা সংস্থা হয়েছে বলেই হয়তো মন খুলে কথা বলছি। পরিচালকদের সঙ্গে আমার এমন অভিজ্ঞতা হয়নি। তবে টলিউডের দুই প্রযোজকের থেকে খারাপ প্রস্তাব পেয়েছিলাম। প্রতিবাদ হতে এত দেরি হল, কারণ দশজন মেয়েকে এমন প্রস্তাব দেওয়া হলে, তার মধ্যে তিনজন ‘হ্যাঁ’ বলেন। যে সাতজন ‘না’ বললেন, তাঁরা কাজ হারালেন। এদিকে সেই সাতজন হয়তো বেশি প্রতিভাবান।’

সম্প্রতি কলকাতার আর জি কর ধর্ষণকাণ্ড ঘিরে উত্তাল গোটা ভারত। চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ ও হত্যায় ক্ষোভে ফুঁসছে পশ্চিমবঙ্গ। হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে প্রতিদিনই রাজপথে নেমে আসছে সব শ্রেনিপ্রেশার মানুষ। মমতা ব্যানার্জির পদত্যাগও দাবি করছেন অনেকে।




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
Call : 01911120520
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Design and developed by Web Nest