ডিএনএ টেস্ট থেকে জানলেন তিন সন্তানের বাবা তিনি নন!

প্রকাশিত: ৯:৪০ অপরাহ্ণ, মে ৩০, ২০২৪

ডিএনএ টেস্ট থেকে জানলেন তিন সন্তানের বাবা তিনি নন!

স্পোর্টস ডেস্ক : ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক ফুটবলার স্টাইকার ওলারেনওয়াজু কায়োদে। তবে সুপার ঈগলসের ফরোয়ার্ড, ওলানরেওয়াজু কায়োদে নাইজেরিয়ার অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার। তিনি তুর্কি সুপার লিগ সাইড গাজিয়ানটেপ ক্লাবের হয়েও খেলেছেন।

 

কায়োদে ওলানরেওয়াজু বর্তমানে একটি হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন, সম্প্রতি ৩০ বছর বয়সী এই নাইজেরিয়ান ফুটবলার জানতে পারেন, এতদিন সে নিজের মনে করে যাদেরকে ভালবেসে বড় করেছে তারা কেউ তাঁর আপন নয়। মুলত তিনি জানতে পারেন যে তাঁর তিন সন্তান, জেসন, জেডেন এবং জামিন তার ঔরসজাত সন্তান নয়। এই ঘটনার পর নাইজেরিয়ান এই স্ট্রাইকার একদম ভেঙে পরেছে। এবং তিনি অনলাইন থেকে তিন সন্তান ও স্ত্রী যাজক ডোরার সাথে সব ছবি মুছে ফেলেছেন।ঘটনা শুরু হয় ২০২৪ সালের মে মাসে, হঠাৎ করে কায়োদ তার তিন সন্তানের একটি ডিএনএ পরীক্ষা চালানোর দাবি করেছিলেন। তিনি মূলত দেখতে চেয়েছিলেন যে তার স্ত্রী তাকে ঠকিয়েছে কিনা! সেই সাথে এটাও জানতে চেয়েছিলেন সন্তান ভেবে যাদেরকে তিনি বড় করচ্ছেন তারা তার ঔরসজাত সন্তান কিনা।

 

ওলানরেওয়াজু তার স্ত্রী ব্যারিস্টার ডোরা ইজিন কায়োদেকে বিয়ে করার পর বেশ ভালোই চলেছিল তাদের বিবাহিত জীবন কিন্তু কয়েক বছর আগে ক্লাবের সাথে কায়োদের চুক্তি শেষ হলে হঠাৎ করেই স্ত্রী ডোরার আচরণ বদলে যেতে থাকে। আর তাতেই সন্দেহ তৈরি হয় কায়োদের। তিনি অভিযোগ তোলেন স্ত্রীর দিকে। তিনি জানতে পারেন, তার স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িত এক ব্রিটিশ নাগরিক যাজক টোবি অ্যাডেগবোয়েগার সাথে। এছাড়াও কায়োদ দাবি করেছেন, স্ত্রী ডোরা কায়োদের- টাকায় কেনা ২টা মার্সিডিজ, এস ইউ ভি গিফট করেন প্রেমিক টোবি অ্যাডেগবোয়েগাকে। এই খবর ফুটবল বিশ্ব এবং ধর্মীয় সম্প্রদায়কে হতবাক করেছে।

 

ওলানরেওয়াজু-এর ফুটবল যাত্রা নাইজেরিয়াতে শুরু হয়েছিল,কায়োডে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে নাইজেরিয়া অনূর্ধ্ব ১৭ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। তিনি ২০১০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলা শুরু করেছিলেন। ক্লাব পর্যায়ে প্রথমে তিনি আইভরি কোস্টে এসেক মিমোসাসের সাথে চুক্তি করেছিলেন, এরপর তিনি ইউরোপীয় ফুটবলে খেলা শুরু করেছিলেন। এছাড়াও তিনি তুরস্কের ক্লাব হয়েও খেলেছেন।

কম খরচে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন

কম খরচে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন