প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী, বাবাকে মনে পড়ে

প্রকাশিত: ৫:৪১ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৪

প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী, বাবাকে মনে পড়ে

মো. মিলন তালুকদার : আজ নয় ফেব্রুয়ারি ২০২৪। জীবনে চলার পথে সৃষ্টি হয় গল্পের। গল্পগুলো ঘিরে থাকে হৃদয় নিঙ্গড়ানো স্মৃতি। স্মৃতিজুড়ে আমার জীবনের গল্পের সেরা সুপার নায়ক বাবা। বাবা তুমি নেই আজ। জড়তা ভেঙে বলাও হয়নি ঠিক কতটা ভালোবাসতাম তোমায়, বলা হয়নি ভালোবাসি বাবা তোমাকে।
আমার কাছে বাবা তুমি ছিলে সেরা। হলফ করে বলতে পারি। তুমি দূরে থেকেও কাছে। বাবা, কতদিন ডাক না।

 

রোদ কিংবা বৃষ্টিতে বটবৃক্ষের মতো শীতল ছায়া দিতে তুমি। শূন্যতা আজ জানান দেয়, কি ছিলে তুমি। ভয়ে চলা জীবনের ক্ষণে থমকে যাই। তবুও থামিনা। অদৃশ্য তোমার ছায়া উদ্যেমী করে তোলে। বাবা তুমি আছ নিরবে। পুরো অন্তরজুড়ে।

 

স্বপ্নের সমান বড় হওয়া শিখেছি তোমার কাছে। তুমি ছিলে স্বচ্ছ আয়না। তাইতো (তোমার) দু’চোখে স্বপ্নগুলো ফুটে উঠতো বাস্তব হয়ে।

 

বাবা কেমন আছ? দেখতে দেখতে একটি বছর পেরিয়ে গেলো। বছরের একটি দিনও এমন কাটেনি যে তোমাকে ভুলতে পারছি। আমার প্রতিটা মুহূর্ত কাটছে ওপার থেকে তোমার জীবন্ত একটি বাবা তুমি কেমন আছো শব্দটি শুনব বলে। আর তুমি বলবে তোমার কোনো চিন্তা নেই, আমি তো তোমার পাশে আছি সবসময়। তোমার চলে যাওয়ার দিন ডাক্তার যখন আমার কাছে এসে বললো যে, তুমি আর নেই তখন মনে হয়েছিল এই পৃথিবীর সব আকাশ ভেঙে পড়ছে আমার ওপর। মনে আছে সেদিনের কান্না। বাবা বিশ্বাস কর আমি কখনো একটি মুহূর্তের জন্যও তোমাকে ভুলে থাকিনি। বাবা তুমি ছিলে আমার ভালোবাসার সবকিছু। আমার সংগ্রাম, পথচলা, জীবনে অনেক বড় হতে চাওয়া-সবকিছুর মূলেই তুমি ছিলে বাবা, শুধু তুমি।

 

মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তা-আয়ালার নিকট দোয়া করি তিনি যেন তোমাকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন। বাবা তোমার প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

কম খরচে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন

কম খরচে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন