হাওরে উড়াল সড়ক নির্মাণে সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

প্রকাশিত: ২:৩৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৭, ২০২৩

হাওরে উড়াল সড়ক নির্মাণে সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

অনলাইন ডেস্ক : কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলা সদর থেকে করিমগঞ্জ উপজেলার মরিচখালী পর্যন্ত উড়াল সড়ক নির্মাণে পাঁচ হাজার ৬৫১ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

 

মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।

 

প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা এই সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে এই প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল হবে মার্চ, ২০২৩ থেকে জুন, ২০২৮ পর্যন্ত। বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন এলাকা কিশোরগঞ্জ জেলার কিশোরগঞ্জ সদর, করিমগঞ্জ, নিকলি ও মিঠামইন উপজেলা।

 

প্রকল্পটির প্রধান উদ্দেশ্য কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলা সদর থেকে মিঠামইন সেনানিবাসকে সংযুক্ত করে করিমগঞ্জ উপজেলা পর্যন্ত হাওরের উপর দিয়ে ১৫ দশমিক ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ উড়াল সড়ক নির্মাণ এবং নাকভাঙা মোড় থেকে মরিচখালি বাজার পর্যন্ত ১৩ দশমিক ৪০ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণের মাধ্যমে ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম ঊপজেলাসহ এর আশেপাশের হাওর এলাকার সঙ্গে কিশোরগঞ্জ জেলা সদর এবং ঢাকা, সিলেট ও অন্যান্য জেলার সরাসরি ও নিরবচ্ছিন্ন সব আবহাওয়ায় চলাচলের জন্য উপযোগী সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করা।

 

প্রকল্পটির প্রধান কার্যক্রম- (ক) ১৩ দশমিক ৪০ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ (খ) ১৫ দশমিক ৩১ কিলোমিটার উড়াল সড়ক নির্মাণ (গ) ১ হাজার ২৩০ মিটার সেতু নির্মাণ (৪৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি, ৩৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি এবং ৪০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি) (ঘ) ১৩টি টোল প্লাজা (টোল বুথ, ওজন স্টেশন ও টোল যন্ত্রপাতিসহ), টোল মনিটরিং ভবন, চেক পোস্ট ইত্যাদি (ঙ) ১৩ কিলোমিটার অস্থায়ী সাবমারসিবল সড়ক নির্মাণ (চ) চারটি ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন (শোধনাগারসহ) (ছ) চারটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ (জ) ৪০ হাজার ৪৬৮ বর্গমিটার কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড (ঝ) ৮ হাজার ২২৪ বর্গমিটার বাস স্টপেজ নির্মাণ (ঞ) ১৫১ দশমিক ০৯ একর ভূমি অধিগ্রহণ (ট) পুনর্বাসন/ক্ষতিপূরণ (ঠ) ৯৮৮ জনমাস পরামর্শক (নির্মাণ তদারকি/সুপারভিশন)।

 

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব সত্যজিত কর্মকার, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) আব্দুল বাকি।

 

মঙ্গলবার একনেক সভায় কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের দ্বিতীয় সংশোধনীর অনুমোদনসহ সব মিলিয়ে ১১টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।

 

এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- চট্টগ্রামের পটিয়ার শ্রীমাই নদে বাঁধ নির্মাণ, বরিশালে শেখ হাসিনা সেনানিবাসকে নদীভাঙন থেকে রক্ষায় প্রকল্প, মাতারবাড়ী কয়লা-বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প (সওজ অংশ), কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা সদর থেকে করিমগঞ্জ উপজেলার মরিচখালী পর্যন্ত উড়াল সড়ক নির্মাণ, বাংলাদেশের ২৪টি শহরে অন্তর্ভুক্তিমূলক স্যানিটেশন প্রকল্প ও ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যাডাপটেড আরবান ডেভেলপমেন্ট ফেজ-২ (খুলনা) প্রকল্প।

কম খরচে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন

কম খরচে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন