প্রকাশিত: ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৮, ২০২৫
বিনোদন ডেস্ক : বলিউডের অন্যতম সাড়া জাগানো প্রেমের সিনেমা ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ ২৬ বছর পূর্ণ করেছে। ১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবি আজও দর্শকদের হৃদয়ে গেঁথে আছে সালমান খান, ঐশ্বরিয়া রাই ও অজয় দেবগনের মনকাড়া অভিনয় ও আবেগঘন গল্পের জন্য। ছবিটির পরিচালক সঞ্জয় লীলা ভানসালি বিশেষ এই দিনে স্মৃতিচারণ করেছেন এবং স্বীকার করেছেন—শুধু পর্দায় নয়, ক্যামেরার বাইরেও ছিল ভালোবাসার আবহ।
সম্প্রতি ইটাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভানসালি বলেন, ‘সালমান-ঐশ্বরিয়ার গোপন প্রেমের খবর তখন বাতাসে ভাসছিল। শুধু ওদের মধ্যে নয়, পুরো টিমই ছিল এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবারের মতো। জোহরা সেগলজি, হেলেন আন্টি, সালমান, ঐশ্বরিয়া, বিক্রম গোখলে, স্মিতা জায়েকর—সবাই মিলে দারুণ একটা পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এমন আন্তরিক অভিজ্ঞতা আর কোনো ছবির শুটিংয়ে পাইনি।’
ঐশ্বরিয়ার ‘নন্দিনী’ চরিত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি ছিলেন নিখুঁত। আমি যে নন্দিনীকে কল্পনা করেছিলাম, ঐশ্বরিয়া ঠিক সেই ভাবেই চরিত্রটিকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছিলেন—অনবদ্যভাবে।’
ভানসালিকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি কি কখনও ছবিটির রিমেক করার কথা ভাবেন? উত্তরে তিনি বলেন, ‘না, আমি আমার কোনো ছবির রিমেক করতে চাই না। শুধু ‘খামোশি’ ছবিটির শেষটা বদলে একটি রিমেক করতে চাই।’
‘হাম দিল দে চুকে সনম’ সিনেমায় সালমানের ‘সমীর’, ঐশ্বরিয়ার ‘নন্দিনী’ ও অজয়ের ‘বনরাজ’ চরিত্রের মধ্যকার প্রেম, দ্বিধা ও আত্মত্যাগের গল্প তখন ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়। ছবিটির সংগীত, চিত্রনাট্য ও ক্লাইম্যাক্স আজও প্রশংসিত।




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
Call : 01911120520
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Design and developed by Web Nest