প্রকাশিত: ৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৭, ২০২৫
বিনোদন ডেস্ক : ভারতের হরিয়ানার মডেল শীতল সিমি চৌধুরী মিউজিক ভিডিওর শুটিংয়ের কথা বলে দুই দিন আগে বাড়ি ছেড়েছিলেন। দুই দিন তার কোন খোঁজ পায়নি পরিবার ২৭ বছর বয়সী মডেলের।
সোমবার (১৬ জুন) ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের সোনিপাত জেলার একটি খাল থেকে তার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গলায় ছিল ধারালো অস্ত্রের কোপের চিহ্ন। ঘটনাটি ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানায়, মডেলকে নির্মমভাবে হত্যার অভিযোগে তার প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার খাল থেকে শীতল চৌধুরী নামে এক মডেলের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধারের পর, ঘটনার তদন্তে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
পুলিশ জানিয়েছে, শীতলের হাতে ও বুকে উল্কিচিত্র ছিল। এসব চিহ্ন দেখে পরিবারের সদস্যরা লাশটি শনাক্ত করেন। শীতলকে সোনিপাত জেলার খারখোদার রিলায়েন্স খাল থেকে উদ্ধার করা হয়।
নিহতের বোন নেহা পুলিশকে বলেন, শনিবার (১৪ জুন) রাতে ভিডিও কলে শীতল জানিয়েছিলেন যে, তিনি আহার গ্রামে একটি অ্যালবাম শুটিংয়ে গিয়েছেন। সেই সময়ই তিনি বলেন, প্রেমিক সুনীল সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে মারধর করছেন এবং জোর করে নিজের সঙ্গে নিয়ে যেতে চাইছেন। কথার মাঝখানে কল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারপর থেকেই শীতলের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
নেহার ভাষ্য অনুযায়ী, শীতলের সঙ্গে সুনীলের পরিচয় হয় ছয় মাস আগে, তখন শীতল একটি হোটেলে কাজ করতেন। পরে জানা যায়, সুনীল বিবাহিত ও তার দুই সন্তান রয়েছে। এরপর শীতল হোটেল ছাড়েন এবং মডেলিংয়ে মন দেন। কিন্তু সুনীল তার পিছু ছাড়েননি। রোববার (১৫ জুন) সকালে পানিপথ জেলার একটি খাল থেকে সুনীলের গাড়ি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সোমবার পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।
সোনিপাতের সহকারী পুলিশ কমিশনার অজিত সিং জানান, শীতলের পরিবার শনিবারই নিখোঁজ ডায়েরি করেন, যা পানিপথের উরলানা কালান পুলিশ পোস্টে নথিভুক্ত হয়। তদন্তের ধারাবাহিকতায় সোমবার খারখোদা এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া লাশের বর্ণনার সঙ্গে মিল পাওয়ায় সেটি শীতলের দেহ বলে শনাক্ত করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। শীতলের পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের বক্তব্য, সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাওয়ার পর থেকেই শীতল হুমকির মুখে ছিলেন।




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
Call : 01911120520
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Design and developed by Web Nest