প্রকাশিত: ৮:২৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৬, ২০২৪
বিনোদন ডেস্ক : ডিপফেক ভিডিওর কবলে পড়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। সাইবার ক্রাইমের পাল্লায় পড়ে, অভিনেত্রীর অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল নেট দুনিয়ায়। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদও করেছিলেন অভিনেত্রী। পাশে পেয়েছিলেন জনপ্রিয় সব তারকাদের। তবে এবার রাশমিকা পেলেন নতুন দায়িত্ব।
ভারতের সাইবার নিরাপত্তা প্রচারের জন্য রাশমিকাকে জাতীয় রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। দেশ থেকে সাইবার ক্রাইম দূর করার জন্য এবার সরকারের হয়ে প্রচারে নামবেন তিনি। ‘পুষ্পা’, ‘অ্যানিম্যাল’খ্যাত এই দক্ষিণী অভিনেত্রীকে সাইবার সিকিউরিটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে বেছে নিল কেন্দ্রীয় সরকার।
ডিপফেক হল একটি এআই প্রযুক্তি। যার মাধ্য়মে একজনের ভিডিওতে আরেকজন মুখ বা শরীরের যেকোনও অংশ খুব সহজেই পালটে ফেলা যায়। সেই ছবি বা ভিডিও দেখে আপাতভাবে বোঝাই যায় না এই ছবি বা ভিডিও আসল নয়, নকল। এমনকী, বদলে ফেলা যায় কণ্ঠস্বরও।

২০১৭ সালে রেডইট সোশাল মিডিয়ার হাত ধরে প্রথম প্রকাশ্য়ে আসে এই ডিপফেক প্রযুক্তি। যেখানে একবারে পালটে ফেলা হয়েছিল গাল গোডো, টেলর শিফট, স্কারলেট জহনসানের। আর তার পর থেকেই গোটা দুনিয়ায় সারা ফেলে এই ডিফফেক।
দায়িত্ব নিয়ে রাশমিকা তার অনুরাগীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আসুন আমরা নিজেদের এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ সাইবার স্পেস তৈরি করতে একত্রিত হই। আমি এ সম্পর্কে সচেতনতা আনতে চাই এবং যতটা সম্ভব সাইবার ক্রাইম থেকে আপনাদের সবাইকে মুক্ত রাখতে চাই। এর জন্যই ভারতীয় সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার ‘আইফোরসি’ আমাকে তাদরে শুভেচ্ছাদূত বানিয়েছেন। সবার সহযোগিতায় দায়িত্বে সফল হওয়াই আমার মূল লক্ষ্য।’
মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে রাশমিকার দুটি সিনেমা। এর মধ্যে বছরের অন্যতম প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’। এ বছরের ৬ ডিসেম্বর সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। অন্যটির নাম ‘ছাভা’। এতে প্রথমবারের মতো তিনি জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন ভিকি কৌশরে সঙ্গে। এটিও ডিসেম্বরের ৬ তারিখ মুক্তির কথা রয়েছে।




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : গার্ডেন টাওয়ার শপিং কমপ্লেক্স,২য় তালা, উপশহর, সিলেট -৩১০০, বাংলাদেশ।সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Call : 01911120520 – 01718061314
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
Design and developed by Web Nest