প্রকাশিত: ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ, জুন ১১, ২০২৫
বিনোদন ডেস্ক : ২০১০ সালে মুক্তি পেয়েছিল পরিচালক কৃষ বা রাধাকৃষ্ণ জাগারলামুড়ির এক ব্যতিক্রমী ছবি- ‘বেদম’। পাঁচজন সাধারণ মানুষের জীবনের গল্প এক সন্ত্রাসবাদী হামলার পরে একটি হাসপাতালের করিডরে এসে মিশে গিয়েছিল এই ছবিতে।
অন্ধ্রপ্রদেশের তৎকালীন প্রথম সারির অভিনেতারা- আল্লু অর্জুন, মাঞ্চু মনোজ, আনুশকা শেট্টি এবং মনোজ বাজপেয়ী- এই ছবির মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন।
দ্য ওয়ালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তবে ছবির বিষয়বস্তু যতটাই গম্ভীর ছিল, তার প্রচার কিন্তু হয়েছিল একেবারে অন্য ঢঙে। আনুশকা শেট্টির এক পোস্টার, যেখানে তাকে একটি পাতলা শাড়িতে বোল্ড ও খোলামেলা ভঙ্গিমায় দেখা গিয়েছিল।
সেটিই পরবর্তীতে হয়ে ওঠে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। হায়দরাবাদের পাঞ্জাগুট্টা সার্কেলে লাগানো সেই বিলবোর্ড এতটাই ‘হিট’ হয়ে ওঠে যে, এক সপ্তাহের মধ্যে সেখানে ঘটে যায় প্রায় ৪০টি সড়ক দুর্ঘটনা!
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সিনেমার পরিচালক কৃষ বলেন, ‘আমরা ছবির প্রচারের জন্য আনুশকার একটি খোলামেলা পোস্টার বিলবোর্ড আকারে পাঞ্জাগুট্টা সার্কেলে লাগিয়েছিলাম। লোকজন এতটাই মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছিলেন তা দেখে যে, একের পর এক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছিল সেখানে। শেষমেশ পুলিশের কাছে আমাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে, এবং আমরা বাধ্য হই সেই হোর্ডিং নামিয়ে ফেলতে।’
ছবিতে আনুশকা শেট্টি অভিনয় করেছিলেন এক যৌনকর্মীর চরিত্রে। সেই সময় তেলুগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এক নম্বর নায়িকা ছিলেন তিনি। তার সাহসী উপস্থিতি ও চরিত্র বর্ণনার ধরন তেলুগু মূলধারার ছবিতে খুব একটা দেখা যেত না। সে কারণেই হয়তো পোস্টার ঘিরে তৈরি হয় তুমুল হইচই।
২০১০ সালের ৪ জুন মুক্তি পায় ‘বেদম’। প্রথম সপ্তাহে মাত্র ১০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল এবং শেষমেশ ছবিটি প্রযোজনার খরচও তুলে আনতে পারেনি। তবুও, ছবিটি পাঁচটি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড এবং দু’টি নন্দী অ্যাওয়ার্ড জিতেছিল।




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : গার্ডেন টাওয়ার শপিং কমপ্লেক্স,২য় তালা, উপশহর, সিলেট -৩১০০, বাংলাদেশ।সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Call : 01911120520 – 01718061314
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
Design and developed by Web Nest