প্রকাশিত: ৬:৪৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
নিউজ ডেস্ক : শাক সবজিকে মানুষ স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবেই চিনে থাকে। তবে এই শাক সবজিতেই বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে ক্ষতিকর ভারী ধাতু। যা বাড়াচ্ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি। সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আয়োজিত গবেষণার ফলাফল অবহিতকরণ সেমিনারে ৯টি সবজিতে হেভিমেটাল বা ভারী ধাতুর উপস্থিতি নিয়ে করা গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।
ফলাফল উপস্থাপনে বলা হয়, সম্প্রতি সবজিতে রাসায়নিকের মাত্রা নিয়ে গবেষণা করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম ও ড. মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া। তারা বাজার থেকে ৯ ধরনের সবজি সংগ্রহ করেছিলেন। এর মধ্যে ছিল আলু, বেগুন, ঢেঁড়স, টমেটো, লালশাক, পটল, বাঁধাকপি, শসা ও মটরশুঁটি।
গবেষণাটি করতে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, জামালপুর ও শেরপুর থেকে এসব সবজি সংগ্রহ করা হয়। এরপর তা থেকে খাবার অনুপযোগী পদার্থ আলাদা করে চালানো হয় নিরীক্ষা। দেখা গেছে, এসব সবজিতে লেড, ক্রোমিয়াম, ক্যাডমিয়ামসহ বেশকয়েকটি রাসায়নিকের উচ্চ মাত্রার উপস্থিতি রয়েছে। তবে এ তালিকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর মাত্রায় হেভিমেটালের উপস্থিতি পাওয়া গেছে লালশাকে।
গবেষণায় উঠে এসেছে, যেখানে সবজিতে ক্যাডমিয়ামের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা প্রতি কেজিতে ১৯০ মাইক্রো গ্রাম, সেখানে লালশাকে পাওয়া গেছে ৭০৪.৩২ মাইক্রো গ্রাম। বেগুনে প্রতি কেজিতে ২৭৫.৬৬, ঢেঁড়সে ৩৪৯ ও টমেটোতে ১৯৫ মাইক্রো গ্রাম ক্যাডমিয়াম মিলেছে। ক্যাডমিয়ামের সর্বোচ্চ উপস্থিতি পাওয়া গেছে নারায়ণগঞ্জ থেকে সংগ্রহ করা নমুনায়।
একইভাবে ক্রোমিয়ামের মতো ভারী ধাতুর মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি পাওয়া গেছে শিম, শসা, ঢেঁড়স, পটল ও লালশাকে। প্রতি কেজিতে যেখানে এই ধাতুর সর্বোচ্চ মাত্রা ২৩০০ মাইক্রো গ্রাম, সেখানে লালশাকে এর মাত্রা ছিল ২৮২৬ দশমিক ৮৬। ধাতুটি সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে ময়মনিসংহ জেলায় এবং সর্বনিম্ন নারায়ণগঞ্জে।
লেডের মতো ভারী ধাতুর উপস্থিতি পাওয়া গেছে বেগুন, বাঁধাকপি, শিম, শসা, ঢেঁড়স, পটল, টমেটো ও লালশাকসহ ৯টি সবজিতে। লেডের সবচেয়ে বেশি উপস্থিতি ছিল নারায়ণগঞ্জে ও কম জামালপুরে।
স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে বিশেষজ্ঞরা এসব শাক-সবজি দূষিত মাটি, পানি এবং শিল্পাঞ্চলের আশপাশে চাষ না করার পরামর্শ দিচ্ছেন।




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
Call : 01911120520
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Design and developed by Web Nest