স্বতন্ত্র প্রার্থীর অনুমতি কৌশলগত সিদ্ধান্ত : ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত: ১:৩০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৭, ২০২৩

স্বতন্ত্র প্রার্থীর অনুমতি কৌশলগত সিদ্ধান্ত : ওবায়দুল কাদের

অনলাইন ডেস্ক : নৌকার টিকিটে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। দুটি আসন ফাঁকা রেখে ২৯৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছে তারা। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছিল ৩ হাজার ৩৫৬টি।

 

মনোনয়ন যাঁরা পাননি তাঁদেরও সুযোগ থাকছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়া ঠেকাতে ‘ডামি’ প্রার্থী রাখার পরামর্শ দিয়েছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

স্বতন্ত্র প্রার্থীর অনুমতির বিষয়টিকে দলীয় কৌশল বলছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর অনুমতি দলের প্রয়োজনে কৌশলগত সিদ্ধান্ত।সোমবার শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন দিবসে ডা. মিলন চত্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে নির্বাচনের পক্ষে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে, বিক্ষিপ্ত বোমাবাজি করে এটা বন্ধ করা যাবে না।আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ নয়, অপকর্মের জন্য বিএনপিই সঙ্গী খুঁজে বেড়াচ্ছে।

 

ডা. শামসুল আলম খান মিলন দিবসে উপলক্ষে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শহীদ চত্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয়।

 

দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কাছে ১৮ নভেম্বর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে কমপক্ষে ছয়টি আসনে একজন করে মনোনয়ন ফরম কেনেন। বাকি ২৯৪টি আসনে ৩ হাজার ৩৫৬ মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে দলটি। ২৩ থেকে ২৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

 

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঠেকাতে ‘ডামি’ প্রার্থীর পরামর্শ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারবিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঠেকাতে ‘ডামি’ প্রার্থীর পরামর্শ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
গত ১৫ নভেম্বর ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

 

আগামী ৭ জানুয়ারি হবে ভোট গ্রহণ।তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে।

 

মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল ও নিষ্পত্তি হবে ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। আর প্রতীক বরাদ্দ হবে ১৮ ডিসেম্বর। ৫ জানুয়ারি প্রচার শেষ করে ৭ জানুয়ারি ভোট।

 

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ তাদের জোটভুক্ত ও সমমনা দলগুলো তফসিলকে স্বাগত জানালেও বিএনপি এবং তাদের জোট ও আন্দোলনের শরিক দলগুলো এই তফসিল প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।