প্রকাশিত: ৭:৫৩ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬
নিউজ ডেস্ক : ছাব্বিশ বছর আগে ২০০০ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি ‘সত্যের সন্ধানে নির্ভিক’ এ শপথ নিয়ে যাত্রা শুরু হয় দৈনিক যুগান্তরের। স্বপ্নদ্রষ্টা যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম বাবুল অসীম সাহসিকতা নিয়ে এ দেশে সাংবাদিকতা চর্চার লক্ষ্যে যে দৈনিক সৃষ্টি করেছিলেন তা আজ শত শত শাখা প্রশাখায় পল্লবিত হয়ে ধ্রুব তারার মতো জেগে আছে। জাতীয় দৈনিকটি দীর্ঘ পথপরিক্রমায় দেশ ও জনগণের স্বার্থে থেকেছে অবিচল নির্ভীক।
এক এক করে ছাব্বিশ বছর পেরিয়ে ২৭ বছরে পা রাখল যুগান্তর। দিনটিকে স্মরণীয় রাখতে রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) যুগান্তর ভবনে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও দৈনিক যুগান্তরের প্রকাশক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— যমুনা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম ইসলাম, যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক মনিকা নাজনীন ইসলাম, যমুনা গ্রুপের গ্রুপ পরিচালক এস এম আবদুল ওয়াদুদ।
যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমা ইসলাম উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বক্তৃতায় বলেন, আজকে সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে আমাদের স্বপ্নদ্রষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের কথা। আমার বারবার মনে পড়ছে সেই দিনগুলোর কথা, যখন তিনি শুধু ভাবতেন কীভাবে এই যুগান্তরকে শীর্ষে আনা যায়। কমলাপুরে যখন যুগান্তরের অফিস ছিল, তখন তিনি দিবানিশি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন যুগান্তরকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য।
সালমা ইসলাম যুগান্তরের সাবেক সম্পাদক ও সংবাদকর্মীদের স্মৃতিচারণ করে বলেন, তারা তাদের মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে যুগান্তরকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। আমি তাদেরকে আজকের দিনে স্বরণ করতে চাই।
তিনি বলেন, যুগান্তরকে শীর্ষে নিয়ে যেতে এ প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকরা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।মূল কাগজের পাশাপাশি যুগান্তর অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়াও পাঠকের আস্থার শীর্ষস্থানে রয়েছে।দেশসেরা অনলাইনগুলোর তালিকায় (র্যাংকিংয়ে) দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুগান্তর, আর মাল্টিমিডিয়া প্রথম অবস্থানে রয়েছে। সবাইকে আমি শুভ কামনা জানাই।
সালমা ইসলাম বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে এদেশের ছাত্রজনতা ও গণমানুষের কণ্ঠস্বর ছিল যুগান্তর ও যমুনা টিভি। যুগান্তর ও যমুনা টিভির সাংবাদিকরা এ সময় জীবন বাজি রেখে সঠিক খবর পাঠক ও দর্শকদের উদ্দেশে তুলে ধরেছেন। তখন মানুষের মুখে মুখে যমুনা টিভি ও যুগান্তরের নাম ছিল। আমি দোয়া করি, সবাই এভাবেই এগিয়ে যাক।
অনুষ্ঠানে যুগান্তর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার বলেন, আজকের সকালটা আর দশটা সকালের মত নয়, আজকের সকালটা যুগান্তরের জন্য একটি তাৎপর্যময় দিন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় বলতে মন চায়—
‘আজি এ প্রভাতে রবির কর
কেমনে পশিল প্রাণের ‘পর,
কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাতপাখির গান!
না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।
জাগিয়া উঠেছে প্রাণ,
ওরে উথলি উঠেছে বারি,
ওরে প্রাণের বাসনা প্রাণের আবেগ রুধিয়া রাখিতে নারি।’
আবদুল হাই শিকদার আরও বলেন, আজকে ২৭ বছরে পা রাখল যুগান্তর। আরও একটি খুশির দিন আজকে। তবে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম বাবুল আমাদের মধ্যে নেই, কিন্ত তার স্মৃতি রয়ে গেছে। আছেন অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, তিনি না থাকলে আমাদের অনুষ্ঠানগুলো ফাঁকা ফাঁকা লাগে।
আবদুল হাই শিকদার বলেন, সত্য খুব কঠিন একটা জিনিস। আমরা মুখে মুখে সত্য সত্য বলি, কিন্ত সেই সত্যের প্রতি অকুণ্ঠ শ্রদ্ধা, আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন নুরুল ইসলাম। অনেক বাধা বিপত্তি এলেও লক্ষ্য থেকে কখনো বিচ্যুতি হননি তিনি। যে ভারসাম্যপূর্ণ, জনগণের কণ্ঠ তুলে ধরার জন্য যে আকুলতা আবেগ তার মধ্যে ছিল, তা তিনি পেয়েছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে। সেই আবেগের প্রতিফলন আমাদের মধ্যে এখনো আছে। তিনি বলেছিলেন, সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলতে হবে। তার দেখানো পথ আমরা আঁকড়ে ধরতে পারলে আমাদের আর কোনো সমস্যা থাকবে না আশা করি। এই দিনে আমি তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
অনুষ্ঠানে যমুনা টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম আহমেদ যুগান্তরকে শুভ কামনা জানিয়ে বলেন, দেশের সব সংকটে যুগান্তর আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখুক আমাদের সেটাই চাওয়া।
এ সময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—যুগান্তরের নির্বাহী সম্পাদক এনাম আবেদীন, যুগান্তরের যুগ্ম সম্পাদক বিএম জাহাঙ্গীর, ডেপুটি এডিটর আসিফ রশীদ, প্রধান বার্তা সম্পাদক আবদুর রহমান, নগর সম্পাদক মিজান মালিক, সম্পাদকীয় ও ফিচার বিভাগীয় প্রধান হাসান শরীফ, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক জোহায়ের ইবনে কলিম, ডেপুটি চিফ রিপোর্টার মিজান চৌধুরী, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক (অনলাইন ইনচার্জ) আতাউর রহমান, মফস্বল সম্পাদক নাঈমুল করিম, স্পোর্টস এডিটর পারভেজ আলম চৌধুরী, ডেপুটি নিউজ এডিটর (শিফট ইনচার্জ) জাহিদ আনোয়ার, যুগান্তর মাল্টিমিডিয়ার ইনচার্জ অমিত হাসান রবিন, প্রশাসন বিভাগের প্রধান মোরশেদ আলম, হিসাব বিভাগীয় প্রধান সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপক হুমায়ুন কবির প্রমুখ।




অফিস : ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা, আশকোনা,ঢাকা-১২৩০,
Call : 01911120520
Email : info.sylhet24express@gmail.com
প্রধান উপদেষ্টা : আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন
পরিচালক, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাপ্তান হোসেন সমাজ কল্যাণ ট্রাস্ট।
উপদেষ্টা সম্পাদক : মো. রেজাউল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ (বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এনফোর্সমেন্ট কাউন্সিল)
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আবু বক্কর তালুকদার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : নূরুদ্দীন রাসেল
Design and developed by Web Nest