September 25, 2020 10:36 pm
Breaking News
Home / Home / জন্মগত বধিরও শুনবে-বলবে ওসমানীর চিকিৎসায়!

জন্মগত বধিরও শুনবে-বলবে ওসমানীর চিকিৎসায়!

স্টাফ রিপোর্ট :    জন্মগত বধির বা শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় পরিবারকে। এজন্য তাদের শ্রবণশক্তি ফিরিয়ে আনতে পরিবার থেকে শত চেষ্টা করা হয়। এর চিকিৎসার জন্য সিলেটের মানুষকে যেতে হয় ঢাকায়। কিন্তু এবার সিলেটবাসির জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়। সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্মগত বধির ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য চালু হচ্ছে ‘কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট’। যার ফলে জন্মগত বধিরও শুনবে কানে।

এ লক্ষে গত ৩১ আগস্ট তারিখে বাংলাদেশ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এস এম গোলাম কিবরিয়া স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এ প্রজ্ঞাপন থেকে জানা যায় ২০২০-২১ অর্থ বছরে এ প্রকল্প সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজসহ মোট ৫ টি প্রতিষ্ঠানে চলবে। অতীতে বিশেষ পদ্ধতির এ অপারেশন পদ্ধতি চালু ছিলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) ঢাকা, জাতীয় নাক, কান, গলা ইন্সটিটিউট, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) চট্টগ্রাম। কিন্তু এবার যে প্রকল্পটি অনুমোদন হয়েছে এ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিবর্তে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই অপারেশনের মাধ্যমে যে সব শিশু জন্ম থেকেই কানে শুনবে না, তাদেরকে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে দক্ষ ও ডেডিকেটেড সার্জারি টিম দ্বারা কানের পেছনে অপারেশনের মাধ্যমে ‘কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট’ স্থাপন করা হবে। এতে অপারেশনের পরে কোন প্রকার জটিলতা তৈরি না হলে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মীর মাধ্যমে তাকে প্রোগ্রামিং ও ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে তার শ্রবণশক্তি ফিরিয়ে আনা হবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় শিশুদের কানের পেছনে ইলেকট্রনিক ডিভাইস লাগিয়ে ব্যয় বহুল এ অপারেশন প্রক্রিয়াটির নাম ‘শল্য চিকিৎসা’ প্রক্রিয়া।

অতি ব্যয়বহুল এই চিকিৎসা পূর্বে বিদেশে করানো হতো। খরচ ছিলো সীমাহীন। বাংলাদেশে বেসরকারিভাবে যদি একটি কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট স্থাপন করা হয় তাহলে খরচ পড়বে নূণ্যতম ১০-২০ লক্ষ টাকা।

বাংলাদেশে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় ২০১০ সালে সর্বপ্রথম এ প্রক্রিয়াটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়।

এদিকে নতুন এ কাজের মাধ্যমে সিলেটের মানুষের জন্য আশার আল জাগাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় বলেন, বিষয়টি সিলেটের মানুষের জন্য একটি শুভ সংবাদ। আমাদের ওসমানী হাসপাতালের সামনের নতুন ভবনে আলাদা একটি ইউনিট চালু করে এর কার্যক্রম শুরু করা হবে। এটি নাক, কান, গলা বিভাগেরই আওতায় পরিচালিত হবে। তবে এটির জন্য সকল যন্ত্রাংশসহ প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি শেষ করে কার্যক্রম শুরু করতে মাস দুই-এক লাগবে বলেও জানান তিনি।

About sylhet24express

Check Also

সিলেটে অনলাইন জার্নালিস্ট সোস্যাল সোসাইটির ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ ও ৫ম বর্ষপূর্তি উদযাপন

নিউজ ডেস্ক :: দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে অনলাইন জার্নালিস্ট সোস্যাল সোসাইটির ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *