July 11, 2020 3:33 am
Breaking News
Home / সিলেট / সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে গ্রাহক হয়রানি কেন?

সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে গ্রাহক হয়রানি কেন?

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ সদর দফতরের বিরুদ্ধে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। মিটার রিডাররা গ্রামে ও মাঠে না গিয়ে তাদের ইচ্ছেমতো স্থানে বসেই বিল তৈরি করে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে জমা দিচ্ছেন।

পরবর্তীতে বিদ্যুৎ বিলিং অফিস তা যাচাই বাছাই না করেই গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। গ্রাহক ওই বিল সংশোধনের জন্য সিলেট পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ এর বিলিং শাখায় গেলে বিভিন্ন ভাবে ভোগান্তিতে পরতে হয় কিন্তু এর কোনো সুরাহা মিলছে না।

কোনো কারণে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল বাকি থাকলে, তা পরিশোধ করার পরও পরবর্তী মাসের বিলের সঙ্গে ওই বিল সংযুক্ত করে গ্রাহকদের চরমভাবে হয়রানি করা হচ্ছে ।

 

সেচ লাইনের ক্ষেত্রে কৃষকদের আরো বেশি এই ভোগান্তি পোহাতে হয়। এছাড়াও সেচ মৌসুম শেষে বন্ধ সংযোগ থেকেও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল দিয়ে কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্থ করা হয় ।

অনেক সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মিটার বিকল হয়ে অতিরিক্ত ইউনিট দেখায়, এতে গ্রাহকদের চরম ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। এই সমস্যা সমাধানের জন্য গ্রাহকেরা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গেলেও নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। বিকল মিটারের অতিরিক্ত ইউনিটের টাকাও তাদের পরিশোধ করতে হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষিতে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে সেচ প্রকল্পে বিদ্যুৎ সংযোগে ২০% ভর্তুকিসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে। কিন্তু পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বিভিন্নভাবে হয়রানির কারণে কৃষকদের ফসল উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করছে ।

এরকম একটি ভুতড়ে বিল ধরাপড়ে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা মোগলাবাজার ইউনিয়ন সরিষপুর গ্রামের মোঃ ইসমাইল আলীর,তিনি বলেন,গত মে মাসের ব্যবহৃত ইউনিট সিলেট পল্লিবিদুৎ ১, জি,এম, দিনে দুপুরে গ্রাহকের সাথে বিদুৎ বিলে ডাকাতি করছে,যা ভুক্তা অধিকার আইনে মামলা করতেও তারা প্রস্তত রয়েছেন।

বিষয়টি ধরা পড়ে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা মোগলাবাজার ইউনিয়ন সরিষপুর গ্রামে ইসমাইল আলীর,তিনি জানান আজ ১৫-০৬-২০২০ ইং আমার বর্তমান জুন মাসের মিটারে ইউনিট ২১৩৩৩,আর আমার বিদুৎ বিলে ২১৮৯০ ইউনিট, ৫৫৭ ইউনিট বেশি,আর বিদুৎ বিলে দেখানো হয়েছে ব্যবহৃত ইউনিট( ০),যা মিটারের ব্যবহৃত ইউনিটের সঙ্গে বিলে তোলা ইউনিটের কোনো মিল নেই।

এ সমস্যার জন্য পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে অনেক হয়রানির সিকার হতে হবে,আর আমাকে ভুল সংশোধন করে পরে আরেকটি বিল তৈরি করে দিবে, যার ব্যবহৃত ইউনিটর সাথে কোনো মিল তাকবে না।

তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মিটার বিকল হওয়ায় ইউনিট বিদ্যুৎ বিল অতিরিক্ত দিতে হয়। ভুল করছে বিদ্যুৎ অফিস আর মাশুল দিতে হচ্ছে গ্রাহকদের

এ ব্যাপারে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জিএমকে উদেশ্য করে বলেন,সুধু আমি নয় আমার এলাকায় প্রায় সব গ্রাহক পল্লী বিদুৎতের মিটার রিডারের বিরুদ্ধে অভিযোগ,সে মাটে না এসে ভুতুড়ে বিল তৈরিকরে,

তিনি বলেন মিটার রিডারের বিরুদ্ধে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা যদি না নেয়ও হয়,তা হলে তিনি সিলেট পল্লী বিদুৎ সমিতি ১ এর জিএম সহ সংশ্রিষ্ট সকলের বিরুদ্বে ভুক্তা অধিকার আইনে মামলা করতে প্রস্তত রয়েছেন।

এ ব্যাপারে সিলেট পল্লী বিদুৎ সমিতি ১ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া জন্য অনুরুধ সচেতন মহলের।

About sylhet24express

Check Also

করোনা

সিলেট জেলায় আরও ৪১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত

সিলেট অফিস : সিলেট জেলায় নতুন করে আরও ৪১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। (শুক্রবার) …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *