Thursday , June 27 2019
Home / শিক্ষা

শিক্ষা

ই-লার্নিং প্রক্রিয়াকে টেকসই করতে মানসম্মত কনটেন্ট প্রস্তুত করতে হবে। শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এম. পি. বলেছেন উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে গিয়ে কোন ক্রমেই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষতি করা হবে। আমাদেরকে আমাদের দেশের মত করে শিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ই-লার্নিং পদ্ধতি চালু করতে গেলে আমাদের দেখতে তা আমাদের দেশের জন্য উপযোগী কি না, টেকসই কিনা এবং আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী কি না

তিনি বলেন আমরা অনেক টাকা খরচ করে কোন সিস্টেম চালু করলাম কিন্তু কিছু দিন পর তা আর কাজ করল না। তাহলে হবেনা। আগে আমাদের দেখতে হবে কত কম খরচে কিভাবে ভাল সার্ভিস পাওয়া যায়।

তিনি আজ রাজধানীর সোনারগাঁ হোটেলে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়িত সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেসিপ) এর আওতায় মাধ্যমিক পর্যায়ে শিখন, শেখানো কার্যক্রমে ই-লার্নিং এর ব্যবস্থার বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো: মাহামুদ-উল-হক এর সভাপতিত্বে গোলটেবিল আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী। এই গোল টেবিল আলোচনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন পর্যায়ের আইসিটি বিশেজ্ঞরা অংশ গ্রহন করেন।

বক্তৃরা গোল টেবিল আলোচনায় প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী পর্যায়ে ই লানিং কার্যকর পদ্ধতি নয় বলে অভিমত দেন। যুক্তি হিসেবে তারা বলেন ই লানিং প্রক্রিয়ায় সোসালাইজেশন প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। ই-লানিং উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রজোয্য হতে হবে।

শিক্ষকদের ছুটি কমাচ্ছে সরকার!

অনলাইন ডেস্ক : বছরে স্কুলে ক্লাস হয় মাত্র দেড়শ দিন। বাকি সময় উৎসব, সাপ্তাহিক ছুটি ও পরীক্ষার কারণে বন্ধ থাকে। ফলে সিলেবাস শেষ করতে হিমশিম খেতে হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। এ কারণে ছুটি কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে সরকার।
নিয়ম অনুযায়ী, সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস হওয়ার কথা। কিন্তু এখনও অনেক বেসরকারি স্কুল ও মাদ্রাসায় ৫দিন ক্লাস নিয়ে দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি কাটায়। সেই সাথে বিভিন্ন উৎসব, দিবস, গ্রীষ্ম ও শরৎকালীন ছুটি উপলক্ষে বন্ধ থাকে ৮৫ দিন। আর পরীক্ষার ছুটি আছে ৩৬ দিন। এছাড়া পিইসি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষায় অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে দুই মাস বন্ধ থাকে।

উদয়ন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ উম্মে সালেমা বেগম বলেন, ছুটির কারণে অনেক সময়ই আমরা সিলেবাস শেষ করতে পারি না। তাই কিছুটা সমস্যাও হয়।

অভিভাবকরা বলছেন, ক্লাসে সিলেবাস শেষ না হওয়ায় কোচিং করাতে বাধ্য হয় শিক্ষার্থীরা। অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি জিয়াউল কবির দুলু বলেন, এমনিতেই অনেক শিক্ষক কোচিং করাতে বাধ্য করে। তার ওপর এই ছুটির কারণে আমরাও কোচিংয়ে পাঠাতে বাধ্য হই।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, ক্লাস রুটিন এমনভাবে করতে হবে শিক্ষার্থীরা যেন প্রতিষ্ঠানেই বিষয়গুলো ভালভাবে বুঝতে পারে। সেজন্য ছুটির ফাঁদ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বের করতে হবে। সেই নিয়মতি ক্লাস যাতে হয় সেজন্য সার্বক্ষনিক নজরদারির পরামর্শ তাদের। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, ছুটি কমাতে পরীক্ষা নেয়ার জন্য জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে আলাদা কেন্দ্র করা হবে।

কোনো প্রতিষ্ঠান সাপ্তাহিক ছুটি বেশি কাটাচ্ছে কিনা সেদিকেও নজরদারি করা হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

উপদেষ্টা সম্পাদক : মো: রেজাউল ওয়াদুদ উপদেষ্টা সম্পাদক : শহীদুল ইসলাম পাইলট উপদেষ্টা সম্পাদক : আহমেদ আবু জাফর উপদেষ্টা সম্পাদক : মুহাম্মদ আওলাদ হোসেন সম্পাদক : মো: আবু বক্কর তালুকদার ৩৭০/৩,কলেজ রোড,আমতলা,আশকোনা,ঢাক-১২৩০