Home / বরিশাল

বরিশাল

বখাটেদের ভয়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী শারমিনের চার মাস স্কুলে যাওয়া বন্ধ

পিরোজপুর,প্রতিনিধি : পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে বখাটেদের ভয়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী শারমিনের চার মাস যাবত স্কুলে যাওয়া বন্ধ রয়েছে । উপজেলার কালাইয়া গ্রামের অটোচালক ছগীর শেখের মেয়ে শারমিন আক্তার (১৪) উপজেলার সেতারা স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী । একই এলাকার আব্দুল মান্নান শিকদারের ছেলে ইমরান শিকদার(১৮) ও ইমাম শিকদার(১৮) এবং একই এলাকার আঃ কুদ্দুছের ছেলে ফয়ছাল বিশ^াষ(১৯) শামসুল হক হাওলাদারের ছেলে হাসান হাওলাদার(১৮) আঃ রহমানের ছেলে আব্দুল্লাহ (২০) স্কুলে যাওয়া আসার পথে প্রায়ই শারমিনকে বিরক্ত করে।

ভুক্তভুগি শারমিন জানান এঘটান আমার মাতা পিতাকে বলি তারা, বখাটেদের র্গাডিয়ানদের জানালে তারা উল্টভাবে আমাদের বলে , এই যুগের ছেলেপেলেরা এমন একটু আধটু করে। কোন বিচার নাপেয়ে ফিরে যান শারমিনের মা জেসমিন বেগম। গত ১৩ আগষ্ঠ মঙ্গলবার বিকালে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় বখাটেরা শারমিনের পথ রোধকরে দাড়ায়,এবং শারমিনকে টেনে হিছড়ে নিয়ে যেতে চায় শারমিন ও তার মাকে মারধর করে বখাটেরা। শারমিনের ডাকে চিৎকারে শারমিনের পিতা ছগীর শেখ ও এলাকার কিছু লোক এগিয়ে আসলে বখাটেরা শারমিনকে দেখে নেয়ার হুমকিদেয় দিয়ে সেখান থেকে চলে যায় বখাটেরা। এই ঘটনায় শারামিন ইন্দুরকানী থানায় একটি সাধারন ডাইরি করে যাহার নং ৪৬৬ ইন্দুরকানী থানা । বখাটেদের অত্যাচারে এলাকায় স্কুল কলেজের মেয়েদের চলা দায় হয়ে পড়েছে। এব্যাপারে এলাকার ইউপি সদস্য জামাল হোসেন জানান এরা খুব দুষকৃত খারাপ টাইপের ছেলে এদের র্গাডিয়ানরা ও বেশি ভালনা। এই ঘটনা আমি শুনেছি থানায় ডাইরি হয়েছে আইন তাদের বিচার করবে। ঘটনার এক সপ্তাহ গত হলেও আইন শৃংখলা বাহিনির কোন ততপরতা লক্ষ করা যাচ্ছেনা বলে জানান শারমিনের মা জেসমিন বেগম। তাই শারমিন এখনও স্কুলে যেতে পারছেনা বখাদের ভয়ে।

মিন্নির জামিন জজ আদালতেও নাকচ

মিন্নি

অনলাইন ডেস্ক : চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন আবেদন জজ আদালতেও নাকচ হয়ে গেছে। মঙ্গলবার দুপরে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে বরগুনার বরগুনার জেলা ও দয়েরা জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান এ আদেশ দেন।

এর আগে জেলা হাকিম আদালতে মিন্নির জামিনের আবেদন নাকচ হয়।

গত ২৬ জুন রিফাতকে প্রকাশ্য সড়কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সে সময় স্বামীকে বাঁচাতে মিন্নির চেষ্টার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারাদেশে আলোচনার সৃষ্টি হয়। পরদিন রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন; তাতে প্রধান সাক্ষী করা হয়েছিল মিন্নিকে।

সম্প্রতি মিন্নির শ্বশুর তার ছেলের হত্যাকাণ্ডে পত্রবধূর জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করলে আলোচনা নতুন দিকে মোড় নেয়। তবে শ্বশুর অভিযোগ তোলার পর মিন্নি তা অস্বীকার করে পাল্টা বলেছিলেন, দুলাল শরীফ ‘ষড়যন্ত্রকারীদের প্ররোচনায়’ পড়ে তাকে জড়িয়ে ‘বানোয়াট’ কথা বলছেন।

এরপর গত ১৬ জুলাই মিন্নিকে বরগুনার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডেকে নেয়া হয় জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে। দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর রাতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরদিন আদালতে হাজির করা হলে বিচারক মিন্নিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

মিন্নির পক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় সেদিন মিন্নিকেই কথা বলার সুযোগ দেন বিচারক। মিন্নি তখন নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, আমার স্বামী রিফাত শরীফ। আমি আমার স্বামীর হত্যাকারীদের বিচার চাই। হত্যাকাণ্ডে আমি জড়িত নই। এ মামলায় আমাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে।

রিফাত শরীফের স্ত্রী মিন্নিকে পুলিশ যেভাবে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে, তা নিয়ে রাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতেও আলোচনা হয়। এর পেছনে প্রভাবশালী কারও প্ররোচনা রয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন তোলেন একজন সংসদ সদস্য।

এ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই রিমান্ডের তৃতীয় দিন শেষে মিন্নিকে আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে মিন্নি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে পুলিশ জানায়।

এরপর ২২ জুলাই মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রত্যাহারের জন্য আবদেন করা হলে তা ফেরত দেয় আদালত।

মিন্নিকে আইনি সহায়তা দিতে বরগুনার পথে শতাধিক আইনজীবী

ছবি : সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক : আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে আইনি সহায়তা দিতে বরগুনা যাচ্ছেন একঝাঁক আইনজীবী। আজ শনিবার ঢাকা, বরিশাল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি থেকে শতাধিক আইনজীবীর একটি দল বরগুনার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। রবিবার আইনজীবীরা কারাগারে মিন্নির সঙ্গে স্বাক্ষাত করে ওকালতনামায় স্বাক্ষর নেবে। এরপরই বরগুনা আদালতে মিন্নির জামিনের বিষয়ে আইনি পদক্ষপ নেবেন তারা।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জেডআই খান পান্না ইত্তেফাককে বলেন, আজ ঢাকা থেকে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এর আইনজীবীরা, বরিশাল, পটুয়াখালী ও ঝালকাঠি থেকে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) সহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের আইনজীবীরা বরগুনার পথে যাত্রা করেছেন । রবিবার থেকে মিন্নির জামিনের জন্য চেষ্টা চালানো হবে।

তিনি বলেন, বরগুনা থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়েছি। দেশের সকল আইনজীবীদের সহানুভূতির জন্য এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার ভূমিকা স্বরণীয় হয়ে থাকবে।

জেড আই খান পান্না বলেন, জাতির কাছে একটা ভুল বার্তা গেছে যে বরগুনা আইনজীবী সমিতি মিন্নিকে আইনি সহায়তা দিবে না। কিন্তু সমিতির নের্তৃবৃন্দ আমাকে জানিয়েছেন যে তারা এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। তারাও মিন্নিকে আইনি সহায়তা দেবেন বলে আমাকে জানিয়েছেন।

মহানগর ল” কলেজের শিক্ষক হাইকোর্টের সহকারি এটার্নি জেনারেল হওয়ায় সংবর্ধনা দিয়েছে মহানগর ল” কলেজ শাখার বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের নেতৃবৃন্দ

মো:বেলাল হোসেন: মহানগর ল” কলেজের সনামধন্য শিক্ষক মো: সামিউল আলম সরকারকে হাইকোর্টের সহকারি এটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়ায়, মহানগর ল” কলেজের সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক মো: রিয়াজ উদ্দিন খাঁনের নেতৃত্বে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায়, মহানগর ল” কলেজ শাখার বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

হাইকোর্টে সদ্য সহকারি এটার্নি জেনারেল নিয়োগ পাওয়া মো: সামিউল আলম সরকার সিরাজঞ্জ উল্লাপাড়া উপজেলার কালিয়াকৈর গ্রামের মো:হাবিবুর রহমান ও মোসা: আনোয়ারা বেগমের সুযোগ্য সন্তান।তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগ থেকে এল এল বি অনার্স সহ এল এল এম ডিগ্রি লাভ করেন।


পরে তিনি ঢাকা বার কাউন্সিল থেকে সনদ লাভ করার পর হাইকের্টে প্রাকটিস শুরু করেন । হাইকের্টে প্রাকটিসের সাথে সাথে তিনি আইন পেশায় নিজের দক্ষতা ধরে রাখার জন্য ২০১১ সালে রাজধানী ঢাকায় সেগুনবাগিচায় অবস্তিত মহানগর ল”কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন।বর্তমানে তিনি এক কন্যা সন্তানের জনক।
সহকারি এটার্নি জেনারেল মো: সামিউল আলম সরকার বলেন, আজ আমি মহানগর ল” কলেজের বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের পক্ষোথেকে সংবর্ধা পাওয়ায় আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষধের সকল নেতৃবৃন্দকে। আমার আজ ভাল লাগছে আমি আইন বিষয়ে পড়াশুনা করে হয়তবা একটা সফলতা এসেছে।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু তিনিও আইনের ছাত্রছিলেন । পাশাপাশি তিনি একজন আদর্শ রাজনৈতিক ব্যাক্তিও ছিলেন।
তিনি জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হত না। তাই তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য তোমাদের নিরলস ভাবে কাজ করতে হবে।