Home / তথ্যপ্রযুক্তি

তথ্যপ্রযুক্তি

গ্রামাঞ্চলে ‘ফাইভজি’ পৌঁছাতে ৩২৮২ কোটি চায় টেলিটক

টেলিটক

অনলাইন ডেস্ক : ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ বাস্তবায়নে প্রতিটি গ্রামে আধুনিক প্রযুক্তির সেবা পৌঁছে দিতে দেশজুড়ে ‘ফাইভজি’ নেটওয়ার্ক স্থাপন করবে সরকার। এলক্ষ্যে ৩ হাজার ২৮২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা বরাদ্দ চেয়েছে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড (টিবিএল)।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে শহরাঞ্চলে বিদ্যমান টেলিটকের ‘ফোরজি’ নেটওয়ার্ক ইউনিয়ন, গ্রাম পর্যন্ত প্রসারিত করে গ্রামাঞ্চলের মানুষকে সুলভমূল্যে দ্রুতগতির ফোরজি ইন্টারনেট সেবা দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে সরকার ঘোষিত লক্ষ্য অনুসারে, ২০২১-২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিটা গ্রামে ফাইভজি প্রযুক্তি নির্ভর মোবাইল সেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

টেলিটক সূত্র জানায়, ‘গ্রাম পর্যায়ে টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং ৫জি সেবা প্রদানে নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন’ প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ৩ হাজার ২৮২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড।

কর্মকর্তারা বলছেন, চারটি লক্ষ্যকে সামনে রেখেই প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে- দেশের প্রতিটি গ্রামকে আধুনিক প্রযুক্তির সেবার আওতায় আনা, দেশের প্রতিটি তরুণকে প্রযুক্তি জ্ঞান দিয়ে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর, প্রতিটি সেবাকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় কাজ করা।

গ্রামে ‘ফাইভজি’ পৌঁছে দেওয়া প্রসঙ্গে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের যুগ্ম-প্রধান মোহাম্মদ মুসলেহ উদ্দিন  বলেন, সরকারের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী ইশতেহারে ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ উল্লেখযোগ্য। এ লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পঞ্চম প্রজন্মের সুপার ফাস্ট ইন্টারনেট সেবা ফাইভজি চালুর লক্ষ্যে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। প্রকল্পের আওতায় গ্রামে প্রথমে ফোরজি যাবে। এরপরই ধাপে ধাপে ফাইভজি পৌঁছে দেওয়া হবে।

প্রকল্পটি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কয়েক ধাপে সভা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময়ে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল নিশ্চিত করা হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বাণিজ্যিক কার্যক্রম। শহর-গ্রাম নির্বিশেষে দেশের সব মানুষ যেন আধুনিক প্রযুক্তি সেবার উপকারভোগী হয়, তা নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করছে সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ সূত্র জানায়, দেশের প্রায় ১০ কোটি জনগণ ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এ হার গ্রামে বেশি। শহরের তুলনায় গ্রামে ব্যবহারকারীদের ক্রয়ক্ষমতা অনেকাংশে কম, ব্যক্তিমালিকানাধীন অন্যান্য মোবাইল অপারেটররা এসব প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে ব্যবসায়িক ও মুনাফা বিবেচনায় নেটওয়ার্ক বিস্তারের মাধ্যমে মোবাইল ব্রডব্যান্ড সেবা দিতে চায় না। ফলে গ্রামের মানুষেরা ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

প্রস্তাবিত প্রকল্পটির মূল কার্যক্রম হচ্ছে- ৯ হাজার ৪১০ সেট টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম কেনা, তিন হাজার বিটিএস সাইট নির্মাণ, ট্রান্সমিশন হাবের জন্য ১০০ সাইট প্রস্তুতকরণ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি কেনা, কাস্টমার কেয়ার ৩০ সাইট ও আসবাবপত্র কেনা। সরকার ঘোষিত লক্ষ্য অনুযায়ী, আগামী ২০২১-২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ফাইভজি প্রযুক্তিনির্ভর মোবাইল সেবা প্রদান নিশ্চিতকরণ।

সূত্র জানায়, বর্তমানে টেলিটকের ভয়েস ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের কভারেজ অন্যান্য অপারেটরের তুলনায় সীমিত। বিশেষত গ্রামাঞ্চলে কভারেজ খুবই কম। টেলিটকের মোট টাওয়ার বা সাইট সংখ্যা সাড়ে ৪ হাজার। এর মধ্যে টু-জি বিটিএস যন্ত্রপাতি হলো সাড়ে চার হাজার, থ্রি-জি বিটিএস তিন হাজার ৬২টি এবং ফোর-জি বিটিএস এক হাজার ১০০টি। এই টাওয়ার ও টেলিকম যন্ত্রপাতির সংখ্যা অন্যান্য প্রতিযোগীর তুলনায় অত্যন্ত কম।

সম্পর্ক কতদিন টিকবে জানতে চান! যন্ত্রই বলে দেবে

প্রেমের সম্পর্কে

অনলাইন ডেস্ক : প্রেমের সম্পর্কে সবাই জড়ান। কিন্তু সব সময়ে তা টেকে না। কিন্তু এবার না প্রযুক্তির মাধ্যমেই জানতে পারবেন সম্পর্কের মেয়াদ।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউনিভার্সিটি অফ সাদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকরা গবেষণা করে দেখেছেন কী ভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে জানা যাবে আপনার সম্পর্কের মেয়াদ।

গবেষকরা জানান, ১৩৪টি যুগলের মধ্যে পরীক্ষা চালানো হয়। এই প্রেমিক-প্রেমিকারা কতক্ষণ কথা বলেন, এবং কথা বলার সময়ে তাঁরা কী ভঙ্গিতে কথা বলছেন সেই তথ্যগুলি পরীক্ষা করে দেখে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স।

তবে প্রেমালাপের সময়ে কী কথা কথা বলছে সে সব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের। শুধুমাত্র কতক্ষণ কথা হচ্ছে, এবং কথা বলার সময়ে গলার স্বর কেমন হয় তা ধরা পড়ে যন্ত্রে। এর থেকেই পরীক্ষা করে বলে বুদ্ধিমান যন্ত্র বলে দিতে পারে কোন যুগলের সম্পর্ক ঠিক কতদিন টিকবে।

অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারে বাড়তে পারে হৃদরোগের শঙ্কা

স্মার্টফোন

অনলাইন ডেস্ক : অতিরিক্ত স্মার্টফোনের ব্যবহারে শারীরিক কার্যকলাপ কমে যাচ্ছে। সম্প্রপ্তি এক গবেষণায় এ কথা জানা গেছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সব ছাত্রছাত্রী দিনে পাঁচ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন তাদের মধ্যে ৪৩ শতাংশের মোটা হয়ে যাওয়ার প্রবণতা তৈরী হয়েছে। এর ফলে হৃদরোগের শঙ্কা বাড়ছে।

স্মার্টফোনের সামনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করলে শারীরিক কার্যকলাপের সময় কমে যায়। এর ফলে অল্প বয়সে মৃত্যু ঘটতে পারে। এছাড়াও ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের শঙ্কা বাড়ে। দেখা যেতে পারে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার।
১০৬০ জন ছাত্র ছাত্রীর উপরে চালানো হয়েছে এই গবেষণা। সিমন বলিভার বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮ সালের জুন মাস থেকে ডিসেম্বর মাসে ছাত্র ছাত্রীদের উপরে এই গবেষণা চালানো হয়।

৭০০ জন নারী আর ৩৬০ জন পুরুষের মধ্যে এই গবেষণা চালানো হয়েছে। মেয়েদের গড় বয়স ছিল ১৯ বছর, আর ছেলেদের ২০বছর। এর মধ্যে ৩৬.১ শতাংশ ছেলের মোয়াট হওয়ার শঙ্কা দেখা গেছে। আর ৪২.৬ শতাংশ ছেলের মধ্যে অতিরিক্ত মোটা হওয়ার শঙ্কা দেখা গেছে। মেয়েদের মধ্যে ৬৩.৯ শতাংশ মোটা ও ৫৭.৪ শতাংশ অতিরিক্ত মোটা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা গেছে।

বয়স ৬ বছর পূর্ণ হলে স্মার্টকার্ড দেবে ইসি

স্মার্টকার্ড

অনলাইন ডেস্ক : দেশের সব নাগরিককে উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্টকার্ড দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে জন্মের পর শিশুদের সব তথ্য নিয়ে ছয় বছর বয়স পূর্ণ হলেই দেওয়া হবে স্মার্টকার্ড।

ইসি সূত্রগুলো জানিয়েছে, দেশের সব নাগরিককে স্মার্টকার্ড দেওয়া সংক্রান্ত কমিটি সম্প্রতি এক বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিটির সুপারিশ কমিশনে অনুমোদন হলেই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে।

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ওই কমিটির বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, সব নাগরিককে এনআইডি সরবরাহের কার্যক্রম চালু করতে এক বছর বয়সী শিশুদের তথ্য নেবে নির্বাচন কমিশন। তাদের দশ আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি নেবে ছয় বছর বয়স পূর্ণ হলে। কেননা, ছয় বছরের আগে আঙুলের রেখা স্পষ্ট হয় না। তাই ছয় বছর বয়স পূর্ণ হলে তথা ছয় বছর প্লাস শিশুদের স্মার্টকার্ড দেওয়া হবে।

এ কার্যক্রমের জন্য ওই কমিটি জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনার সুপারিশ করেছে। এতে সফলতা এলে তা দেশের সব উপজেলায় ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

এভাবে স্মার্টকার্ড সরবরাহ করার পর যাদের বয়স যখন ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তখনই তারা ভোটার তালিকায় যুক্ত হবেন।

ইসি কর্মকর্তারা বলেন, ১৮ বছরের কম বয়সীদের এনআইডি না থাকার কারণে বিভিন্ন সেবা সমস্যার সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে পাসপোর্ট, ভিসা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ফটো আইডি সংক্রান্ত পরিচিতি নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি কাজে এনআইডি খুব কাজে দেয়। এসব বিবেচনায় সব বয়সীদের এনআইডি দিতে চায় সংস্থাটি।

বর্তমানে ১৪ বছর বয়সীদের তথ্য নেওয়া হচ্ছে। যারা ১৮ বছর পূর্ণ হলে ভোটার তালিকায় যুক্ত হবে।

এ বিষয়ে ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, সব বয়সীদের এনআইডি সরবরাহে কার্যক্রম চালু করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটি কাজ করছে। কমিশন সিদ্ধান্ত দিলেই কার্যক্রম শুরু হবে।

এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে। পরবর্তীতে সে তালিকার ভিত্তিতেই সে সময়কার নয় কোটি ভোটারকে লেমিনেটিং করা কাগজে এনআইডি সরবরাহ করা হয়।

শামসুল হুদা কমিশন ২০১১ সালে নাগরিকদের স্মার্টকার্ড দেওয়ার জন্য বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় একটি প্রকল্প হাতে নেন। আইডিইএ নামের সে প্রকল্পের অধীনেই বর্তমানে স্মার্টকার্ড দেওয়া হচ্ছে।

এ প্রকল্প শেষ হবে আগামী ডিসেম্বরে। এরপর সরকারি তহবিল থেকে প্রকল্প নিয়ে সব নাগরিকের স্মার্টকার্ড সরবরাহের কার্যক্রম ধারাবাহিক রাখবে ইসি।

হঠাৎ গুগল সার্চে শীর্ষে ‌‘কাশ্মীরি গার্ল’

কাশ্মীরি গার্ল
কাশ্মীরি গার্ল ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক : মোদি সরকার সংবিধান থেকে কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিলের পর হঠাৎ পাল্টে গেছে ভারতে গুগল সার্চের হিসাব-নিকাশ। গত কয়েক দিনে সব কিছু টপকে ভারত এখন জানতে চাইছে কাশ্মীরি মেয়ে এবং তাদেরকে বিয়ে করার উপায়। ‘কাশ্মীরি গার্ল’ এবং ‘কাশ্মীরি গার্লস’ কি-ওয়ার্ড দিয়ে গুগলে সবচেয়ে বেশি সার্চ করেছেস ভারতীয়রা।

‘কাশ্মীরি গার্ল’ লিখে সার্চে প্রথম স্থানে রয়েছে কেরালা রাজ্য। এর পরেই রয়েছে কর্ণাটক রাজ্য। তারপরেই রয়েছে দিল্লি, মহারাষ্ট্র ও তেলেঙ্গানা রাজ্য। গুগলে কাশ্মীরি মেয়েদের নিয়ে সার্চের তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এর পর সপ্তম ও অষ্টম স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু ও উত্তরপ্রদেশ।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত সোমবার সন্ধ্যার পর থেকেই গুগল সার্চে সব কিছু ছাপিয়ে উপরে উঠে আসে কাশ্মীরি মেয়ে। কিন্তু কাশ্মীরি কন্যাদের বাইরের রাজ্যে বিয়ে করা আগেও নিষিদ্ধ ছিল না। বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত জম্মু-কাশ্মীরের মেয়েরা তাদের রাজ্যের বাইরে বিয়ে করতেই পারতেন। কিন্তু সে ক্ষেত্রে বিয়ের পরে তারা বাপেরবাড়ির সব সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হতেন। জম্মু-কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হয়ে গেলে এই বঞ্চিত হওয়ার পর্বও বাতিল হবে। নিজের রাজ্যের বাইরে বিয়ে হলেও সে ক্ষেত্রে কাশ্মীরি কন্যারা পিতৃসূত্রে সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন।

১২৪ ভিএসপি লাইসেন্স বাতিল করল বিটিআরসি

বিটিআরসি

অনলাইন ডেস্ক : ইন্টারনেটের মাধ্যমে কথা বলার সুবিধা প্রদানকারী (ভিএসপি) ১২৪টি কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় এসব কোম্পানিকে ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকলে কোনো সেবা দেওয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিটিআরসির লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের পরিচালক এমএতালেব হোসেন স্বাক্ষরিত এক নোটিশে লাইসেন্স বাতিলের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

লাসেন্স বাতিলের চিঠি দেওয়া ১২৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৬টি প্রতিষ্ঠান সরকারের বকেয়া পাওনা পরিশোধ করে যথাযথ সময়ে লাইসেন্স নবায়নের আবেদন করেনি। বাকি ১৮টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করলেও তা যথাযথ হয়নি।

তাই লাইসেন্স বাতিল করা প্রতিষ্ঠানগুলো যদি সেবা অব্যাহত রাখে, তবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১-এর অধীনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্মার্টফোন ভিজে গেলে তৎক্ষণাৎ যা করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক : ১. ফোনে বৃষ্টির জলে ভিজে গেলে প্রথমে পরিষ্কার করে মুছে ফেলুন ৷ যত বেশি তরল পদার্থ থাকবে ফোনটি তত তাড়াতাড়ি ফোনের বিভিন্ন পার্টস খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে ৷ বেশিক্ষণ থাকলে শর্ট সার্কিট হয়ে যেতে পারে ৷ এতে ফোনে থাকা সমস্ত ডেটা উড়ে যায় ৷

২. ফোন স্টার্ট করার আগে ভালো করে মুছে নিন ৷ ফোনের ভিতরের সব কিছু, অর্থাৎ ব্যাটারি, সিম কার্ড, মেমরি কার্ড খুলে ফেলুন শিগগিরই। ফোনের খোলা অংশগুলি একটি শুকনো কাপড়ে মুছে কাপড়টি মুড়ে রেখে দিন। দেখবেন ফোনের কোনও ক্ষতি হবে না। ফোনের ভিতরের অংশ পাতলা কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে ফেলুন ৷

৩. সিম কার্ডও বাইরে বার করে রাখুন ৷ এরপর ফোনের ভিতর ভালো করে মুছে ফেলুন ৷ তারপর সিম কার্ড ইনসার্ট করুন ৷

৪. ফোনে স্ক্রিন গার্ড লাগানো থাকলে সেটাও খুলে রাখুন ৷

৫. ভুল করেও ফোনে হেয়ার ড্রাইয়ারের প্রয়োগ করবেন না ৷ হেয়ার ড্রাইয়ারের গরম হাওয়ায় ভিতরের পার্টসগুলি গলে যেতে পারে ৷

৬. এরপর কিছুক্ষণ ফোনটিকে রোদে রাখুন ৷ যদি কোথাও অল্প পানি থেকে যায় তাহলে রোদে রাখলে তা শুকিয়ে যাবে ৷

বদলে যাচ্ছে ইনস্টাগ্রাম-হোয়াটসঅ্যাপের নাম!

অনলাইন ডেস্ক : ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন না, বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে এমন কাউকে খুঁজে বের করাই কঠিন। কিন্তু জানেন কি, জনপ্রিয় এই দুই অ্যাপেরই নাম বদলে যাচ্ছে? অবাক হলেও ফেসবুকের পক্ষ থেকে এখবর নিশ্চিত করা হয়েছে।
শোনা যাচ্ছে, এই সপ্তাহেই নাকি ইনস্টাগ্রামের সঙ্গে জুড়ে যাবে ফেসবুক নামটি। জনপ্রিয় এই সোশ্যাল সাইটটি যে ফেসবুকেরই অংশ, তা স্পষ্ট করতেই এমন উদ্যোগ বলে জানিয়েছে মার্ক জুকারবার্গের প্রতিষ্ঠানটি।

একইভাবে হোয়াটসঅ্যাপ খুললেই দেখা যাবে ‘হোয়াটসঅ্যাপ ফ্রম ফেসবুক’ লেখাটি। ইতিমধ্যেই আইওএস অ্যাপে সেটিংসের মধ্যে ‘ইনস্টাগ্রাম ফ্রম ফেসবুক’ লেখাটি দেখা গিয়েছে। হোম পেজে এখনও ফেসবুকের নাম উল্লেখ না থাকলেও শীঘ্রই দেখা যাবে বলে জানা গেছে।

২০১২ সালে ইনস্টাগ্রাম কিনে নিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক। তার দুই বছর পর জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। তাই এই দুইয়ের পরিচয় স্পষ্ট করতে ফেসবুক এবার নিজের নাম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

শুধু তাই নয়, কীভাবে ফেসবুক থেকে গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়ে যাচ্ছে, তা নিয়ে একাধিক দেশে তদন্ত শুরু হয়েছে। সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে জুকারবার্গকেও। তাই স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে ফেসবুক।

বর্তমানে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে ফেসবুককেও পেছনে ফেলেছে ইনস্টাগ্রাম। আর নতুন ফিচার এনে তো সবসময়ই ট্রেন্ডে থাকে হোয়াটসঅ্যাপ। তবে নামে পরিবর্তন এলেও অ্যাপগুলো আগের নিয়মেই ব্যবহার করতে পারবেন ইউজাররা।

করের আওতায় আসছে ফেইসবুক-গুগল-অ্যামাজন

অনলাইন ডেস্ক : ফেইসবুকসহ বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো নিজেদের করপোরেট কর ফাঁকির উপায় হিসেবে যেসব ফাঁকফোকর ব্যবহার করে তা বন্ধে অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নে সম্মত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে নিয়ে গঠিত ১৯টি দেশের জোট জি টোয়েন্টির অর্থমন্ত্রীরা।
জাপানের ওসাকায় সমৃদ্ধ অর্থনীতিগুলোর আন্তর্জাতিক এই জোটের অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের বৈঠকের চূড়ান্ত যৌথ ঘোষণার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর দিয়েছে।

কর ফাঁকি দিতে ফেইসবুক, গুগল ও অ্যামাজনসহ বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো তাদের পণ্য বা সেবা যে দেশেই বিক্রি করুক না কেন মুনাফার উৎস দেশ হিসেবে সব সময় নিম্ন-করের দেশগুলোকে দেখায় বলে সমালোচনা আছে। এ ধরনের চর্চাকে অনেকেই অনৈতিক হিসেবে দেখেন।

নতুন বিধিমালা বড় বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর উপর যেমন উচ্চ করের বোঝা চাপাবে তেমনি ‘নাম-মাত্র’ কর আরোপের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আয়ারল্যান্ডের মতো দেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ টানাও কঠিন করে তুলবে।

যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে, “ডিজিটাইজেশন থেকে উদ্ভূত কর ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাম্প্রতিক অগ্রগতিকে আমরা স্বাগত জানাই এবং ‘টু পিলার অ্যাপ্রোচ’ নিয়ে তৈরি উচ্চাভিলাষী কর্মসূচিকে সমর্থন করি।

“২০২০ সাল নাগাদ একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদনসহ ঐকমত্যের ভিত্তিতে সমাধানে পৌঁছতে আমরা আমাদের প্রচেষ্টা দ্বিগুণ করব।”

কর ব্যবস্থার পরিবর্তনের বিষয়ে জি টোয়েন্টির বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে টু পিলার বা দ্বি-স্তম্ভ নীতি, যা কিছু কোম্পানির জন্য উভয় সংকট হিসেবে দেখা দিতে পারে।

প্রথম স্তম্ভ হলো- কোনো দেশে ব্যবসায়িক উপস্থিতি না থাকলেও সেখানে যদি কোম্পানির পণ্য বা সেবা বিক্রি হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশ ওই কোম্পানির উপর কর আরোপের অধিকার পাবে।

এরপরও কোম্পানিগুলো নিম্ন করের দেশে মুনাফা সরিয়ে নিতে পারলেও দ্বিতীয় স্তম্ভের অধীনে কোম্পানিগুলোর উপর ন্যূনতম কর আরোপ করা যাবে, যার হার পরে ঠিক হবে।

মুনাফা সরিয়ে নিম্ন করের অঞ্চলে নেওয়া কঠিন করতে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর উপর করারোপের পাশাপাশি ন্যূনতম করপোরেট কর হার প্রবর্তনের প্রস্তাবের পক্ষে সোচ্চার রয়েছে ব্রিটেন ও ফ্রান্স।

দেশ দুটির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছে, বৈশ্বিক কর ব্যবস্থা সরকারের বড় উদ্যোগের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোকে অন্যায়ভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।

বৃহৎ ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর ভাষ্য, তারা করনীতি অনুসরণ করেন। কিন্তু যেটা করেন সেটা হলো- আয়ারল্যান্ড ও লুক্সেমবুর্গের মতো নিম্ন করের দেশকে বিক্রয়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার মধ্য দিয়ে ইউরোপে সামান্য কর পরিশোধ করেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার ফেইসবুক ও ইউটিউবের মতো ইন্টারনেট যোগাযোগ মাধ্যমে দেশীয় বিজ্ঞাপনদাতাদের পরিশোধিত অর্থের উপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করেছে।