Home / ঢাকা

ঢাকা

শ্রদ্ধায় শান্তিরক্ষী পুলিশ সদস্য ফারুকের শেষ বিদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক : সহকর্মীদের শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় চির বিদায় নিলেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর গওঘটঝগঅ, গধষর মিশনে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী পুলিশ কনস্টবল মোঃ উমর ফারুক। তার নামাজে জানাজা আজ বুধবার সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের শহীদ এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, বিপিএম (বার), ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানগণ, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ, পুলিশ সদস্যগণ, মরহুমের আত্মীয়-স্বজন ও সহকর্মীরা জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।

জানাজা শেষে আইজিপি বাংলাদেশ পুলিশ এবং জাতিসংঘের পতাকায় মোড়ানো মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর ডিএমপি কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া এবং অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন এর নেতৃত্বে মালি মিশনের ওহফরারফঁধষ চড়ষরপব ঙভভরপবৎ (ওচঙ) ঈযবরশয গড়যধসবফ ঋধফবষ উরড়ঢ় ও এআইজি (ইউএন অ্যাফেয়ার্স) নাসিয়ান ওয়াজেদ মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। একটি চৌকস পুলিশ দল মরহুমকে সশস্ত্র সালাম প্রদান করে। এ সময় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে উঠে।

এদিকে, আজ বুধবার ভোরে কনস্টবল ফারুকের মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইউএন অ্যাফেয়ার্সের কর্মকর্তাগণ এবং মরহুমের পরিবারের সদস্যরা মরদেহ গ্রহণ করেন। এ সময় তাঁর স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তখন এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। বিমানবন্দর থেকে পুলিশ এসকর্টসহ শান্তিরক্ষী উমর ফারুকের মরদেহ রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের শহীদ এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে আনা হয়। সেখানে জানাজা শেষে পুলিশ এসকর্টসহ মরদেহ ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হবে।

উল্লেখ্য, কনস্টবল মোঃ উমর ফারুক গত ৫ আগস্ট মালির স্থানীয় সময় ২০.২৩ ঘটিকায় লেভেল-২ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি পিতা-মাতা, স্ত্রী, তিন পুত্র সন্তান এবং বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মাদারীপুরে দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ২

মাদারীপুরে দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ২
মাদারীপুরে দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ২

মাদারীপুর প্রতিনিধি : মাদারীপুরে ট্রলার থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে দুই মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পাশের এলাকার দুই বখাটের বিরুদ্ধে। গুরুতর অবস্থায় ওই দুই শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়েছে জেলা সদর হাসপাতালে। অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে দুই বখাটেকে আটক করেছে সদর থানা পুলিশ।

পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, সোমবার সকালে মাদারীপুর শহরে নানার বাড়িতে বেড়াতে আসে পাঁচখোলা ইউনিয়নের জাজিরা দাখিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ ও ৯ম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী। নানা বাড়িতে বেড়ানোর পরে শহরে কেনাকাটা করে পুরনো ট্রলারঘাট থেকে রাত ১০টার দিকে বাড়ির উদ্দেশ্যে ট্রলারে ওঠে তারা। পরে ট্রলারে ওই দুই শিক্ষার্থী একা পেয়ে পাঁচখোলা গ্রামের জলিল মোড়লের ছেলে মাসুদ মোড়ল ও একই গ্রামের নান্নু মোল্লার ছেলে রুবেল মোল্লা ট্রলার থামিয়ে কালিকাপুরের একটি পরিত্যক্ত গরুর খামারে নিয়ে যায়। পরে হত্যার হুমকি দিয়ে মুখ বেঁধে এক শিক্ষার্থীকে নৌকায় ও আরেকজনকে ওই গরুর খামারেই পালাক্রমে ধর্ষণ করে বখাটে মাসুদ ও রুবেল। একপর্যায়ে ওই দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে পালিয়ে যায় তারা।

মঙ্গলবার ভোরে মুসল্লীরা নামাজ পড়তে বের হয়ে ওই দুই শিক্ষার্থীকে কান্নাকাটি করা অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে শিক্ষার্থীদের গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় দোষীদের বিচার দাবি করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

এদিকে এ ঘটনায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত মাসুদ ও রুবেলকে আটক করেছে পুলিশ।

ধর্ষিতা এক কিশোরী বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় শহরের ট্রলার ঘাট এলাকা থেকে গ্রামের বাড়ি জাফরাবাদ এলাকায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে তাদের নৌকায় তুলে নিয়ে যায়। রাতে এক কিশোরীকে নৌকায় এবং অপর কিশোরীকে নদীর পাড়ের একটি গরুর খামারে নিয়ে ধর্ষণ করে ফেলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ বলেন, দুই কিশোরী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। দুই কিশোরীর আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। পরবর্তীতে রিপোর্ট দেয়া হবে।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লা বলেন, এই ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ধর্ষিতার পরিবার মামলা করলে মামলা নেয়া হবে এবং সকল ধরনের আইনগত সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

মশা মারতে ডিএনসিসির চিরুনি অভিযান শুরু

চিরুনি অভিযানের উদ্বোধন করছেন সিটি মেয়র আতিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

সিলেট টুয়েন্টিফোর এক্সপ্রেস ডেস্ক :  এডিস মশা নির্মূলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) চিরুনি অভিযান শুরু হয়েছে। ওয়ার্ডভিত্তিক এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসকরণ ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতার এ কার্যক্রম চলবে বর্ষা মৌসুম পর্যন্ত।

মঙ্গলবার ডিএনসিসির ১৯ নম্বর ওয়ার্ড (গুলশান ও বনানী এলাকা) থেকে এ অভিযান শুরু হয়। গুলশানের ডা. ফজলে রাব্বী পার্কে অভিযানের উদ্বোধন করেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল হাই, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোমিনুর রহমান মামুন, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মঞ্জুর হোসেন প্রমুখ।

গতকাল সোমবার মশা নিধনে আজ থেকে চিরুনি অভিযান শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

অভিযান সম্পর্কে আতিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি বাড়িতে কাল চিরুনি অভিযান শুরু হবে। কোনো বাড়িতে লার্ভা পাওয়া গেলে স্টিকার লাগিয়ে দেয়া হবে। ১০-১৫ দিন পর আবার গিয়ে পরীক্ষা করা হবে। মশা থাকলে জরিমানা করা হবে।

মশা নিয়ন্ত্রণে সবাইকে নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, এ জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। জমা পানি ফেলে দিতে হবে।

মশক নিধন কার্যক্রম সম্পর্কে আতিকুল ইসলাম বলেন, নতুন করে আরও ২০০ ফগার মেশিন ও ১৫০ স্প্রে মেশিন বিদেশ থেকে আনা হয়েছে। মশা মারার কার্যক্রম তদারকি ও ফল গণমাধ্যমের কাছে জানানো হবে বলেও জানান তিনি। ডিএনসিসির প্রতিটি ওয়ার্ড ১০টি ব্লকে ভাগ করে প্রতিটি ব্লককে ১০টি সাব-ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। রোজ একটি ব্লকের ১০টি সাব-ব্লকের প্রতিটি বাসাবাড়ি, প্রতিষ্ঠান, খোলা জায়গা ইত্যাদি সম্পূর্ণরূপে পরিষ্কার ও এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করা হবে। এভাবে ১০ দিনে একটি ওয়ার্ডটি সম্পূর্ণরূপে পরিষ্কার এবং এডিস মশার লার্ভা নির্মূল করা হবে। ডিএনসিসির অন্য ওয়ার্ডেও পর্যায়ক্রমে এ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

কমলাপুরে ট্রেনের পরিত্যক্ত বগিতে ছাত্রীর মৃতদেহ

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে একটি পরিত্যক্ত বগির বাথরুমের ভিতর থেকে আসমা আকতার (১৭) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। সোমবার (১৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

ঢাকা রেলওয়ে (কমলাপুর) থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলী আকবর বলেন, কমলাপুর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠাই। তিনি জানান, তার বুকের ডান পাশে কামরের দাগ, গলার চারদিকে কালো গোলাকৃতির দাগ, কপালে ফুলা আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশের ধারণা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, বা মৃত্যুর আগে ধর্ষিত হয়েছে কিনা তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
মৃতের চাচা রাজু আহামেদ মর্গে বলেন, পঞ্চগড় সদর উপজেলার কোনপাড়া গ্রামের মো. আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে।

আসমা স্থানীয় খানবাহাদুর মাদ্রাসা থেকে এসএসসি সমমান পরীক্ষায় পাস করেছে। ৩ বোন ১ ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল ৩য়। চাচা আরও বলেন, আসমা রবিবার সকাল থেকে নিখোঁজ ছিল। আজ সংবাদ পেয়ে এসে শনাক্ত করা হয়। তিনি বলেন, বাধন নামে স্থানীয় এক যুবক তাকে ফুসলিয়ে নিয়ে গেছে বলে জানতে পেরেছি। বাঁধন ও একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। আসমা নিখোঁজের পর থেকে ওই ছেলেকে এলাকায় পাওয়া যায়নি। তাদের পরিবার থেকে ধারণা করা হচ্ছে, বাধনই তাকে ফুসলিয়ে নিয়ে হত্যা করেছে।

এফআর টাওয়ারের মালিক ফারুক গ্রেফতার

এফআর টাওয়ারের ফারুক

অনলাইন ডেস্ক : ঢাকার বনানীর এফআর টাওয়ারে নকশা জালিয়াতির মামলায় এবার অন্যতম মালিক এসএমএইচআই ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ সোমবার দুপুর ১টায় রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য জানান।

এর আগে এ মামলার আরেক আসামি এফ আর টাওয়ার ওনার্স সোসাইটির সভাপতি কাসেম ড্রাইসেলের এমডি তাসভীর-উল- ইসলামকে রবিবার সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগুনের ঘটানয় ২৭ জন নিহত হয়। পরে এই ভবন নির্মাণে নানা অনিয়মের বিষয়গুলো বেরিয়ে আসতে থাকে।

ঢাকায় ছাদ থেকে পড়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু

ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক : পুরান ঢাকার স্বামীবাগ করাতিটোলায় ছাদ থেকে পড়ে এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। সাব্বির হোসেন রাফি নামের ওই তরুণ বিএএফ শাহীন স্কুল ও কলেজে এইচএসসি প্রথম বর্ষে পড়তেন।

গেণ্ডারিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সাজু মিয়া বলেন, সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে করাতিটোলায় একটি তিন তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন রাফি।

মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি বলেন, ওই ভবনের নিচ তলাতেই রাফিদের বাসা। তার বাবা ওই ভবনের কেয়ার টেকার।

রাফির চাচা জামাল সরদার হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, “সকালে দাঁত মাজতে মাজতে ও বাসার ছাদে যায়। ছাদে রেলিং ছিল না। কোনোভাবে সেখান থেকে সে নিচে পড়ে যায়।”

ওসি বলেন, ওই ভবনের বিভিন্ন জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ওসি সাজু মিয়া বলেন, “রাফি সব সময় মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকত বলে রোববার রাতে বাবা-মা তাকে বকাঝকা করে। এর জের ধরে অভিমানে সে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে বলে আমরা সন্দেহ করছি।”

তারপরও পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে বলে জানান ওসি।

রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

সড়ক দুর্ঘটনা

সিলেট টুয়েন্টিফোর এক্সপ্রেস ডেস্ক : রাজধানী ঢাকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন।

রোববার সকাল ৭টায় ও শনিবার রাত ১১টায় দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।

জানা গেছে, তুরাগ নদে বাসের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয় (৬০) এক বৃদ্ধা ও উত্তর বাড্ডায় শহিরুল (৪৫) নামে এক কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

রোববার সকাল ৭টার দিকে উত্তর বাড্ডা ওভারব্রিজের নিচে একটি পরিবহন শহিরুলকে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে শনিবার রাত ১১টার দিকে তুরাগ কামারপাড়া ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্বাবিদ্যালয়ের সামনে একতা পরিবহনের একটি বাস অজ্ঞাতপরিচয় এক বৃদ্ধাকে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হন তিনি।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক ঘোষণা করেন।

নরসিংদীতে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে দম্পতিসহ নিহত ৪

নরসিংদী প্রতিনিধি : নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় বাসের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে এক দম্পতিসহ প্রাইভেটকারের চার আরোহী নিহত হয়েছেন, যাদের তিনজন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

শনিবার ভোররাতে উপজেলার কারারচর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন– ঢাকার মিলেনিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ’র শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার (২৬), জান্নাত (২৫) ও আকিব (২৭) এবং সাদিয়ার স্বামী ইকরাম মিয়া (৩৫)।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, সিলেটে পিকনিক শেষে প্রাইভেটকারে ঢাকায় ফেরার পথে শিবপুরের কারারচর এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তারা।

নরসিংদী ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার শিকার চারজন সিলেটে পিকনিক শেষে প্রাইভেটকারে ঢাকায় ফিরছিলেন। ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে শিবপুরের কারার চর এলাকায় শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে তাদের প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়।

তিনি জানান, বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং বাসটিও খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারের তিন আরোহী নিহত হন। আরেকজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনিও মারা যান।

শফিকুল জানান, এই দুর্ঘটনায় বাস ও প্রাইভেটকারের আরও পাঁচ যাত্রী আহতহ হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে বাবা-মেয়ে-ছেলেসহ নিহত ৪

ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলায় শুক্রবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা, মেয়ে ও ছেলেসহ চারজন নিহত হয়েছেন। যাত্রীবাহী বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে একজন এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। নিহতরা হচ্ছেন- রফিকুজ্জামান, তার ছেলে নাদিম, মেয়ে রনক ও অপরজনের পরিচয় জানা যায়নি।

গৌরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, বাস ও প্রাইভেটকার ময়মনসিংহের দিকে যাচ্ছিল। উপজেলার রামগোপালপুর এলাকায় পৌঁছালে বাসটি প্রাইভেটকারকে ওভারটেক করতে গিয়ে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে ১ জন ও হাসাপাতালে ৩ জন মারা যান।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের উপ-পরিচালক লক্ষ্মী নারায়ণ মজুমদার জানান, আহতাবস্থায় চারজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি দুইজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দেশের কোথাও রাস্তার পাশে পশুরহাট নয়

মো: আবু বকর : সারা দেশের সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার ৯৬টি পশুর হাটের বাইরে কেউ পশুর হাট এবং ২,৯৪১টি জবাই কেন্দ্রের বাইরে কেউ পশু জবাই দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ছাড়া কোরবানির বর্জ ব্যবস্থপনায় কোনো প্রকার গাফিলতি হলে সংশ্লিষ্ট পরিচ্ছন্ন কর্মচারী ছাড় পাবেন না।

আজ মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৈঠকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের পর মন্ত্রী জানান, আসন্ন ঈদুল আযহায় কোরবানির জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৪টি হাট ও ৫২০টি জবাই কেন্দ্র, উত্তর সিটি করপোরেশনে ১০টি হাট ও ২৭৩টি জবাই কেন্দ্র, রাজশাহী সিটি করপোরেশনে ৭টি হাট ও ২১০টি জবাই কেন্দ্র, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ৭টি হাট ও ৩১৪টি জবাই কেন্দ্র, খুলনা সিটি করপোরেশনে ১টি ও ১৪০টি জবাই কেন্দ্র, বরিশাল সিটি করপোরেশনে ২টি হাট ও ১৪২টি জবাই কেন্দ্র, সিলেট সিটি করপোরেশনে ১টি হাট ও ৩৪টি জবাই কেন্দ্র, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে ২১টি হাট ও ২৫৮টি জবাই কেন্দ্র, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে ৪টি হাট ও ১৯০টি জবাই কেন্দ্র, রংপুর সিটি করপোরেশনে ৪টি হাট ও ১১৭টি জবাই কেন্দ্র, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ১৮টি হাট ও ৪৮৭টি জবাই কেন্দ্র এবং ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে ৭টি হাট ও ২৫৬টি জবাই কেন্দ্র অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর বাইরে কেউ কোন পশুর হাট বসালে এবং নির্ধারিত স্থানের বাইরে কেউ পশু জবাই করলে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।