Home / খুলনা

খুলনা

খুলনায় থানায় ধর্ষণ : অভিযোগকারী গৃহবধূর জামিন নামঞ্জুর

অনলাইন ডেস্ক : খুলনার জিআরপি (রেলওয়ে) থানা হাজতে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূর (৩০) বিরুদ্ধে দায়ের করা মাদক মামলায় জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেছেন আদালত। রবিবার দুপুরে খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নয়ন সরকার এ আদেশ দেন।  গত ২ আগস্ট যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসার পথে খুলনা রেলস্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশের সদস্যরা ওই গৃহবধূকে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক করেন।  জিআরপি পুলিশের দাবি, বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী কমিউটার ট্রেনের একটি বগি থেকে ঐ নারীকে ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। পরে গভীর রাতে জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উছমান গনি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্য তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।  পরদিন ৩ আগস্ট ঐ নারীকে ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে প্রেরণ করা হয়। গত ৪ আগস্ট আদালতে জামিন শুনানিকালে জিআরপি থানায় গণধর্ষণের বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেন তিনি। এরপর আদালতের নির্দেশে ৫ আগস্ট তার ডাক্তারি পরীক্ষা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের দুটি তদন্ত কমিটি কাজ করে। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় অভিযুক্ত খুলনা জিআরপি (রেলওয়ে) থানার ওসি উছমান গণি পাঠান ও উপ-পরিদর্শক নাজমুল হাসানকে পাকশী রেলওয়ে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। এছাড়া গণধর্ষণের শিকার নারী গত ৯ আগস্ট ওসি ওছমান গনি পাঠানসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারক) আইন ২০১৩ এর ১৫ ধারায় জিআরপি থানায় মামলা দায়ের করেন। তাছাড়া আদালতেও ঘটনার আদ্যপান্থ তুলে জবানবন্দী দিয়েছেন তিনি।  অপরদিকে থানা হাজতে গণধর্ষণের ঘটনায় পুলিশের দুটি তদন্ত কমিটি রিপোর্ট প্রদানের জন্য গত ১৩ আগস্ট আরও ১৫ দিন সময় চেয়েছে।  বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা, খুলনার সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগী নারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মাদক মামলায় আদালত জামিন দেননি। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

অনলাইন ডেস্ক : খুলনার জিআরপি (রেলওয়ে) থানা হাজতে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূর (৩০) বিরুদ্ধে দায়ের করা মাদক মামলায় জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেছেন আদালত। রবিবার দুপুরে খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নয়ন সরকার এ আদেশ দেন।

গত ২ আগস্ট যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসার পথে খুলনা রেলস্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশের সদস্যরা ওই গৃহবধূকে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক করেন।

জিআরপি পুলিশের দাবি, বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী কমিউটার ট্রেনের একটি বগি থেকে ঐ নারীকে ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। পরে গভীর রাতে জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উছমান গনি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্য তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

পরদিন ৩ আগস্ট ঐ নারীকে ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে প্রেরণ করা হয়। গত ৪ আগস্ট আদালতে জামিন শুনানিকালে জিআরপি থানায় গণধর্ষণের বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেন তিনি। এরপর আদালতের নির্দেশে ৫ আগস্ট তার ডাক্তারি পরীক্ষা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের দুটি তদন্ত কমিটি কাজ করে।
ইতোমধ্যে এ ঘটনায় অভিযুক্ত খুলনা জিআরপি (রেলওয়ে) থানার ওসি উছমান গণি পাঠান ও উপ-পরিদর্শক নাজমুল হাসানকে পাকশী রেলওয়ে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। এছাড়া গণধর্ষণের শিকার নারী গত ৯ আগস্ট ওসি ওছমান গনি পাঠানসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারক) আইন ২০১৩ এর ১৫ ধারায় জিআরপি থানায় মামলা দায়ের করেন। তাছাড়া আদালতেও ঘটনার আদ্যপান্থ তুলে জবানবন্দী দিয়েছেন তিনি।

অপরদিকে থানা হাজতে গণধর্ষণের ঘটনায় পুলিশের দুটি তদন্ত কমিটি রিপোর্ট প্রদানের জন্য গত ১৩ আগস্ট আরও ১৫ দিন সময় চেয়েছে।

বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা, খুলনার সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগী নারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মাদক মামলায় আদালত জামিন দেননি। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

মোবাইলে গেমের লোভ ৩ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতন

আবদুল কাদের জিলানী

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার আড়পাড়া এলাকায় তিন বছরের এক শিশুকে ‍মুঠোফোনে গেম খেলানোর কথা বলে ‘স্পর্শকাতর স্থানে’ হাত দিয়ে যৌন নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণের বিরুদ্ধে।

আজ রোববার দুপুরে শহরের আড়পাড়া এলাকা থেকে এ ঘটনায় অভিযুক্ত আবদুল কাদের জিলানী (২০) নামের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেপ্তার আবদুল কাদের জিলানী পটুয়াখালীর গলাচিপা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শহরের একটি কম্পিউটার দোকানে কাজ করতেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গতকাল শনিবার রাতে মুঠোফোনে গেম খেলানোর কথা বলে শিশুটিকে ডেকে নিজের ঘরে নিয়ে যান আবদুল কাদের জিলানী। কিছুক্ষণ পর ওই শিশুর ‘স্পর্শকাতর স্থানে’ হাত দেন তিনি। শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে বিষয়টি দেখে ফেলেন তার মা। এরপর আজ দুপুরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইউনুচ আলী জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন শিশুটির মা। পুলিশ অভিযুক্ত তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে।