Home / এক্সক্লুসিভ

এক্সক্লুসিভ

ভালোবাসার সম্পর্ক গভীর করবেন যেভাবে

ভালোবাসার সম্পর্ক গভীর করবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক : সম্পর্কের নির্দিষ্ট কোনো নাম নেই। এটি তার নিজের শব্দের মাঝের বিশাল। আপনি যে নামের সাথেই একে জুড়ে দেবেন তাকেই সে পূর্ণতা দেবে। তবে ভালোবাসার ক্ষেত্রে সম্পর্কের এই যাদুর কাঁঠি সবচেয়ে বেশি কার্যকর। আপনি আপনার ভবিষ্যৎকে ঠিক কোন দিকে নিয়ে যাচ্ছেন তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে এই সম্পর্কের ওপর। তাই এই সম্পর্কে থাকা উচিৎ গভীরতা আর একে অপরকে বুঝতে পারার ক্ষমতা।

দিনটিকে যেভাবে দেখছেন
গতকাল কী হয়েছিল তা নিয়ে কোনোভাবেই সকাল শুরু করবেন না। যদি করেন, তবে এটি আপনার জন্য সবচেয়ে বড় বোকামির কাজ হবে। আপনার পাশের মানুষটি হয়তো মনে মনে স্থির করে ফেলেছে যে আপনার সাথে নতুনভাবে আবার সকলটা শুরু করবে, সেক্ষেত্রে আপনার একটি ভুল পদক্ষেপ আপনাকে এই সম্পর্কের টানাপোড়েনে ফেলে দিতে পারে। তাই দিনের শুরুটা করুন বুঝেশুনে।

পুরানো জিনিস মাথায় না রাখা
সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটি খুবই বাজে। আপনি হয়তো খুব ভালো একটা সময় কাটাচ্ছেন ঠিক তখন আপনার সঙ্গী এমন একটি পুরানো কথা বলল, যাতে আপনার মনের সব আনন্দ শেষ হয়ে গেলো নিমিষেই। এতে ভালো তো কিছুই হবে না বরং মন্দ হবে। সম্পর্কের সবচেয়ে খারাপ দিক হচ্ছে আপনি যখন অন্য কারো সমস্যার কথা শোনেন ঠিক তখন আপনি আপনার পুরানো দিনের কথার সঙ্গে সেই কথাগুলোকে মেলাতে থাকেন। সবকিছুই যে আপনার সাথে মিলে যাবে তা নয়। ব্যতিক্রম ঘটবেই এমনটা মনে রাখুন।

যেভাবে দেখছেন
দৃষ্টিভঙ্গীতে পরিবর্তন আনুন। আপনি যেভাবে ভাবছেন ঠিক তেমনটাই হবে এমন ভাবা ঠিক নয়। অযথা রাগ করছেন, মন খারাপ করছেন অথবা আপনার পাশের মানুষটির সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছেন- এমন কখনো করবেন না। একজন রাগ করলে আরেকজন যতটা সম্ভব সামলে নিন। পরবর্তীতে তাকে ব্যপারটি বুঝিয়ে বলুন। তাকে ভালোবেসে এবং সে যেভাবে বোঝে তাকে ঠিক সেভাবেই বুঝিয়ে বলুন।

মতের মিল
মতের মিল আর অমিল সব সম্পর্কের মাঝেই থাকে। তাকে সামাল দিয়ে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কখনো মতের অমিল হলে নিজের কাঁধে সব কিছুর ভার নিয়ে নেবেন না। নিজেকে এভাবে বুঝিয়ে নিন যে এটাই স্বাভাবিক। ধীরে ধীরে দুজন দুজনকে বুঝে নেবেন।

হারিয়ে যাওয়া শৈশব, হারিয়ে যাওয়া খেলা

হারিয়ে যাওয়া শৈশব, হারিয়ে যাওয়া খেলা
হারিয়ে যাওয়া শৈশব, হারিয়ে যাওয়া খেলা
সিলেট টুয়েন্টিফোর এক্সপ্রেস ডেস্ক : আমাদের শৈশব হারিয়ে গেছে। সেই সঙ্গে হারিয়ে গেছে অনেক খেলা। এখন সেসব খেলার কথা মনে হলে খেলার সঙ্গীদের কথা মনে পড়ে যায়, মনে পড় শৈশবের হারিয়ে যাওয়া খেলা আর স্মৃতির কথা। আমরা উদাস হয়ে যাই কিছুক্ষণের জন্য হলেও।
‘শৈশব’ শব্দটা শুনলেই কেমন যেন একটা ধূসর গল্পের জগৎ সামনে চলে আসে। নির্ভার, চিন্তাহীন একটা সময়। কত কীই–না করেছি আমরা সে সময়! কত গল্প, কত দুষ্টুমি আর কত খেলা। যাঁরা এখন এই লেখার পাঠক, তাঁদের শৈশবের স্মৃতি এখন বেশ খানিকটা ফিকে হয়ে গেছে। শৈশবের কথা উঠলেই এখন খেলার সঙ্গী, খেলা, খেলার মাঠ আর কত হাজারো রকমের স্মৃতি ভেসে ওঠে মনে। খেলার সঙ্গীরা এখন কে কোথায়, সেটা জানা নেই। কিন্তু খেলার স্মৃতিটুকু রয়ে গেছে। চলুন আরেকটু উসকে তোলা যাক সেই স্মৃতি।

হাতের ওপর লাটিম ঘোরে! অলংকরণ: সুমন বসাকহাতের ওপর লাটিম ঘোরে! অলংকরণ: সুমন বসাক

লাটিম
লাটিম বা লাট্টু আমাদের ঐতিহ্যবাহী একটি শিশুতোষ খেলা। লাটিম খেলতে পারে না, এ রকম মানুষ খুব কম আছে আমাদের সমাজে। ছেলেবেলার অত্যন্ত প্রিয় খেলাগুলোর মধ্যে এটি একটি। এটি শুধু খেলাই নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ছেলেবেলার বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি, মায়ের মাটির ব্যাংক ভেঙে টাকা চুরি করে রঙিন লাটিম কেনার একরাশ স্মৃতি। নতুন কেনা রঙিন লাটিম দিয়ে কাউকে হারিয়ে দেওয়ার যে সুখস্মৃতি, তা এখনো চোখে লেগে আছে। উল্টো দিকে, একের পর এক ‘শত্রু’দের লাটিমের হামলায় চোখের সামনে নিজের রঙিন লাটিম ক্ষতবিক্ষত হতে দেখার স্মৃতি এখনো আমাদের পীড়িত করে নিজের অজান্তেই।

‘এই মেরেছি!’ গুলি বা মার্বেল। অলংকরণ: সুমন বসাক

‘এই মেরেছি!’ গুলি বা মার্বেল। অলংকরণ: সুমন বসাক

গুলি বা মার্বেল
কাচের ছোট্ট গোলাকার কালচে সবুজ মার্বেল খেলেনি কে? সে ধরনের মানুষ খুঁজে পাওয়া সত্যিই দুষ্কর। কী যে এক উদ্দাম নেশা ছিল কারও কারও এই মার্বেল খেলার প্রতি, সেটা বলে বোঝানো যাবে না। পকেটে বা কোঁচড়ে মার্বেল নিয়ে ঘুমানোর সেসব দিনের কথা মনে পড়লে নিজের অজান্তে উদাস হওয়া ছাড়া আর কীই-বা করার আছে এখন! স্কুল ছুটি হলে বা স্কুল পালিয়ে মার্বেল কিনতে যাওয়া, বাবা কিংবা বড় ভাইয়ের হাতে ধরা পড়ে পিটুনি খাওয়া বা একবেলা খাওয়া বন্ধ—সেসব দিন কেবলই স্মৃতিকাতর করে তোলে আমাদের।

‘উড়িস না, উড়িস না...।’ গুলতি। অলংকরণ: সুমন বসাক

‘উড়িস না, উড়িস না…।’ গুলতি। অলংকরণ: সুমন বসাক

গুলতি
ভরদুপুরে পুরো এলাকা যখন শান্ত, নিশ্চুপ, পকেটে গুলতি বা বাটুল নিয়ে এক দৌড়ে পাশের বাঁশবন বা পুরোনো কোনো গাছের নিচে উপস্থিত হওয়া, তারপর টার্গেট প্র্যাকটিস। গ্রাম হোক অথবা শহর, গুলতি বা বাটুলে টার্গেট প্র্যাকটিস অথবা পাখি শিকার ছিল শৈশবের রঙিন স্বপ্ন বাজির অন্যতম অনুষঙ্গ। যাঁরা প্রয়াত প্রেসিডেন্ট এরশাদের স্বৈরচারবিরোধী আন্দোলন দেখেছেন, তাঁদের স্মরণ থাকার কথা এই গুলতির বিকল্প ব্যবহার। মিছিলে পুলিশের ধাওয়া আসার সময় শৈশবে ব্যবহার করা এই যন্ত্র অনেকেই ব্যবহার করেছেন পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে। সাইকেলের টিউব অথবা ইলাস্টিক এবং গাছের ডাল দিয়ে বানানো এই যন্ত্র এখন আর খুব একটা দেখা যায় না।

ভোঁ–দৌড়। গোল্লাছুট। অলংকরণ: সুমন বসাক

ভোঁ–দৌড়। গোল্লাছুট। অলংকরণ: সুমন বসাক

গোল্লাছুট
বিকেলবেলা খোলা মাঠে হইচইয়ের মধ্যে খেলা হচ্ছে গোল্লাছুট। পাড়ার সবাই উপস্থিত। কী করতে হবে আর হবে না, তা নিয়ে খেলোয়াড়দের চেয়ে দর্শকদের চিন্তাই যেন বেশি। এরই মধ্যে দৌড় দিল কোনো এক খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে। সফল হলে বিশাল উল্লাসধ্বনি আর বিফল হলে আফসোসের সুর। এই খেলার সঙ্গেই যেন জড়িয়ে আছে আমাদের রঙিন শৈশবের গল্প। গোল্লাছুট ছাড়া আমাদের শৈশবের গল্প ঠিক জমে না। কিশোর-কিশোরীনির্বিশেষে এই খেলা হয়ে থাকে। দুই দল খেলোয়াড়। এক দল হাতে হাত ধরে পালানোর পথ খুঁজছে। অন্য দল ধরে ফেলার চেষ্টা করছে। ভীষণ উত্তেজনার সে খেলা। খেলার মাঠ হারানোর সঙ্গে সঙ্গে গোল্লাছুটও হারিয়ে গেছে আমাদের জীবন থেকে।

‘কানামাছি ভোঁ ভোঁ, যাকে পাবি তাকে ছোঁ’। কানামাছি। অলংকরণ: সুমন বসাক

‘কানামাছি ভোঁ ভোঁ, যাকে পাবি তাকে ছোঁ’। কানামাছি। অলংকরণ: সুমন বসাক

কানামাছি
‘কানামাছি ভোঁ ভোঁ, যাকে পাবি তাকে ছোঁ’—ভরদুপুরের অবসরে এখনো কানে বাজে এই সুর। এক অলৌকিক মুগ্ধতা ছড়িয়ে পড়ে মস্তিষ্কে। সময় হয়তো কিছুটা আটকে যায়। অথবা আমরাই আটকে যাই ‘কানামাছি ভোঁ ভোঁ’র মাদকতায়। ফিরে যাই নির্মল শৈশবের দিনগুলোয়। বিকেলের চুরিয়ে যাওয়া আলোয় একদঙ্গল ছেলেমেয়ে চোখ–বাঁধা কানামাছিকে ‘টুকি’ দিতে দিতে সুর করে গলা ছেড়ে গাইছে ‘কানামাছি ভোঁ ভোঁ, যাকে পাবি তাকে ছোঁ’। অথবা স্কুলের টিফিনের স্বল্প সময়ে একই দৃশ্যের পুনরাবর্তন। কানামাছি একজনকে ছুঁয়ে দিল, তো নতুন এক কানামাছির জন্ম হলো। এভাবে একের পর এক কানামাছির পরিবর্তন। কিন্তু সুর ও ছন্দ অপরিবর্তনীয়। আপনার বয়স যা–ই হোক না কেন, হারজিতের প্রশ্নহীন কানামাছি খেলার সেই ছন্দ ও সুর আপনাকে এখনো স্মৃতিকাতর করে তুলবেই।

‘পারলে যা দেখি...।’ দাঁড়িয়াবান্ধা। অলংকরণ: সুমন বসাক

পারলে যা দেখি…।’ দাঁড়িয়াবান্ধা। অলংকরণ: সুমন বসাক

দাঁড়িয়াবান্ধা
প্রতিপক্ষের চোখে চোখ রেখে একটা একটা করে ধাপ পেরিয়ে যাওয়া! প্রতিটি ধাপে ধূর্ত শেয়ালের মতো বুদ্ধি খাটিয়ে নিজেকে বাঁচিয়ে চলা। দুরন্ত শৈশবের উত্তেজনাকর খেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল এই দাঁড়িয়াবান্ধা খেলা।

গ্রামের অত্যন্ত জনপ্রিয় শারীরিক পরিশ্রমের এই খেলা। বিকেলবেলা হইহল্লা হবে, হারজিত নিয়ে ঝগড়া হবে, এই না হলে খেলা! দাঁড়িয়াবান্ধা তেমনই একটি খেলা। ছোট ছোট কোর্ট বানিয়ে খেলা হতো। বিভিন্ন এলাকায় একে বিভিন্ন নামে ডাকা হয় এবং অঞ্চলভেদে এর নিয়মকানুনেও ভিন্নতা থাকে। কিন্তু মূলত প্রতিপক্ষকে ফাঁকি দিয়ে এক কোর্ট থেকে অন্য কোর্টে গিয়ে পয়েন্ট বাগানোই এই খেলার মূল উদ্দেশ্য। তাই এই খেলায় থাকে উত্তেজনা। ধান কাটা হয়ে গেলে এই খেলার আসর বসত খোলা মাঠে। অবশ্য গ্রামীণ স্কুলগুলোর মাঠেও থাকত দাঁড়িয়াবান্ধার কোর্ট। এখন এটি খুব একটা খেলা হয় না।

‘আমি ভাত রাঁধতে পারি।’ জোলাপাতি। অলংকরণ: সুমন বসাক

‘আমি ভাত রাঁধতে পারি।’ জোলাপাতি। অলংকরণ: সুমন বসাক

জোলাপাতি
খুব ছোটবেলায়, যখন আপনি টাকাই চেনেন না, তখন কি বাজার করেছিলেন? কিংবা যখন ভাত রান্না করতে পারার কথা নয়, তখন ভাতের হাঁড়ি চুলায় তুলেছিলেন? কিংবা একদঙ্গল ছেলেমেয়েকে হাঁড়ি থেকে খাবার বেড়ে দিয়েছিলেন? এখন যখন আপনি নিজেই সংসারে ব্যস্ত, তখন হয়তো আপনার সেসব কথা ভেবে দেখার সময়ই নেই। কিন্তু ভেবে দেখুন, বাড়ির পেছনের ফাঁকা জায়গায়, ঘরের কোণে, গাছতলায় আপনি সেই শৈশবে আপনার সংসার সাজিয়েছিলেন খেলার ছলে! সে কী ব্যস্ততা আপনার! মনে পড়ে? হয়তো আপনার সন্তান সঙ্গীর অভাবে এখন সে খেলা আর খেলতে পারে না।

সমাজবিজ্ঞানীরা বলে থাকেন, বড়রা যা করে, ছোটরা তা–ই শেখে। জোলাপাতি খেলা ছোটদের ‘বড় খেলা’! জোলাপাতি বললে অনেকেই এই খেলাকে নাও চিনতে পারেন। কিন্তু ‘হাঁড়িপাতিল’ বা ‘বউ বউ’ বললে চিনতে পারবেন সহজেই। শিশুদের স্বপ্নের সংসার এই জোলাপাতি। ভবিষ্যতে সে যে সংসারে প্রবেশ করবে, এই খেলা যেন তারই ‘পাকা তালিম’।

মার ছক্কা। ডাংগুলি। অলংকরণ: সুমন বসাক

মার ছক্কা। ডাংগুলি। অলংকরণ: সুমন বসাক

ডাংগুলি
একজন ব্যাটসম্যান, চারদিকে নির্দিষ্ট দূরত্বে চার বা পাঁচজন ফিল্ডার। অবাক হচ্ছেন? এটা ক্রিকেট নয়, ক্রিকেটের আমাদের সংস্করণ ডাংগুলি খেলা। খেলেছেন নিশ্চয়ই। হয়তো গুলির আঘাতে কপাল বা মাথা কেটে যাওয়ার চিহ্নও আছে আপনার শরীরে। ডানপিটে আর দুর্ধর্ষ বালকদের খেলা ছিল এই ডাংগুলি। দেড়–দুই ফুটের লম্বা ডাং বা লাঠি আর দুই–আড়াই ইঞ্চির ছোট লাঠি দিয়ে খেলা হতো এই ডাংগুলি। ক্রিকেটের মতোই। একজন ছোট লাঠি বা গুলিটিকে ছুড়ে দিচ্ছে ডাং বা লাঠি ধরে থাকা খেলোয়াড়ের দিকে। সে ক্রিস গেইলের মতো পিটিয়ে সেটাকে পাঠিয়ে দিচ্ছে যত দূরে সম্ভব। আবার মাটিতে পড়ার আগে ধরে ফেললেই ব্যাটসম্যান আউট। মনে পড়ছে কি আপনার শৈশবে খেলা দেশীয় ক্রিকেটর কথা? অঞ্চলভেদে এই খেলার নিয়মকানুনেও ভিন্নতা আছে।

যত ব্যস্তই থাকুন আর যেখানেই থাকুন না কেন, শৈশবস্মৃতি আপনার পিছু ছাড়বে না। খেলতে পারার মতো বয়স বা সুযোগ কোনোটাই আপনার এখন নেই হয়তো; কিন্তু গল্পটা তো বলতে পারেন আপনার সন্তানকে। বলুন না আপনার শৈশবের কথা। এই বয়সে নির্ভার হওয়ার জন্য এর চেয়ে ভালো পদ্ধতি আর কী হতে পারে?

মা হয়েছেন এক সঙ্গে কাজ করা সেই ৯ জন নার্স!

মা হয়েছেন এক সঙ্গে কাজ করা সেই ৯ জন নার্স!

সিলেট টুয়েন্টিফোর এক্সপ্রেস ডেস্ক : বিরল ঘটনার সাক্ষী থাকল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন রাজ্যের পোর্টল্যান্ডের মাইনে মেডিকেল সেন্টার। এই মেডিকেল সেন্টারে লেবার ইউনিটে কর্মরত ৯ জন নার্স গর্ভবতী ছিলেন।

সেই খবর মার্চ মাসে জানিয়েছিলেন ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেই নার্সদের সকলেই জন্ম দিয়েছেন সন্তানের। সন্তানসহ সেই সব নার্সদের ছবি সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তারপরই বিষয়টি নিয়ে ফের চর্চায় মেতেছেন নেটিজেনরা।

জানা গেছে, এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ওই শিশুগুলো জন্ম নিয়েছে। সব ক’টি শিশুর জন্মের পর ওই ৯ জন নার্স তাদের সন্তানদের কোলে নিয়ে ছবি তুলেছেন। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর ভাইরাল হতে বেশি সময় নেয়নি।
সদ্য মা হওয়া ওই নার্সদের একজন লুনি সুসি সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, ‘গর্ভাবস্থা থেকেই আমরা একে অপরের খেয়াল রাখতাম। কম বেশি একই সময়ে মা হয়ে আমরা দারুণ অনুভূতির সাক্ষী রইলাম।’

যে গ্রামে পুত্রসন্তানের জন্ম নিলে মিলবে বিস্ময়কর উপহার

সিলেট টুয়েন্টিফোর এক্সপ্রেস ডেস্ক : পুত্রসন্তানের অপেক্ষায় দিন পার করছেন পুরো গ্রামবাসী। কিন্তু কারও ঘরেই জন্ম নিচ্ছে না পুত্রসন্তান।

২০১০ সালের পর কোনো সদ্যোজাত শিশুপুত্রের কান্না শোনেননি এ গ্রামের অধিবাসীরা।

গত ৯ বছর ধরে কেবল কন্যাসন্তানই জন্ম হয়েছে সেখানে। একটি পুত্রসন্তানের আশায় গ্রামের অনেক গর্ভবতী কুসংস্কারেও বিশ্বাস করেছেন।

তারা তান্ত্রিকের দেয়া নানা গাছ-গাছালির তাবিজ, কুড়ুলও রেখেছেন বালিশের নিচে। টোটকা থেকে শুরু করে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খেয়েছেন হবু মায়েরা।

তবে সব প্রচেষ্টাই বিফলে গেছে।

গত এক দশকে পুত্রসন্তান জন্ম না নেয়া এ গ্রামটির নাম মিয়েজস্কে ওদ্রজান্সকি। এটি পোল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী ছোট্ট একটি গ্রাম।

নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর এ গ্রামে ৯২টি বাড়ি রয়েছে। ৩০০ মানুষের বসবাস এখানে, যার মধ্যে নারীর সংখ্যাই বেশি।

পুরুষের সংখ্যা কম থাকায় গাড়ি চালানো, ক্ষেত-খামারে চাষাবাদ থেকে শুরু করে অন্যান্য ভারী কাজও নারীদের করতে হয় এ গ্রামে। মাঝেমধ্যে বিপদেও পড়েন তারা।

গ্রামবাসীর মতে, এখানে সব কাজেই নারীদের নেতৃত্ব চলছে, যা গ্রামের নারীরাও চাচ্ছেন না। তাদের অনেকে চাপ সামলে নিতে পারছেন না। ‘পুরুষালি’ কাজে নারীদের অংশগ্রহণে মাঝেমধ্যেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

কাজের গুণগত মান বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা।

এ কারণে সদ্যোজাত পুত্রসন্তানের মুখ দেখার জন্য সাগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছেন মিয়েজস্কে ওদ্রজান্সকি গ্রামের বাসিন্দারা।

এ মুহূর্তে পুত্রসন্তানের জন্ম গ্রামের জন্য সবচেয়ে বড় আনন্দের খবর হিসেবে বিবেচ্য।

গ্রামের মেয়র ঘোষণা করেছেন, গ্রামকে যে দম্পতি পুত্রসন্তান উপহার দেবেন, তাদের বিশেষ সম্মানে ভূষিত করা হবে। সঙ্গে থাকবে উপহারও।

তিনি জানান, সেই নবজাতকের নামে গ্রামের একটি রাস্তার নামকরণ করা হবে। তার জন্ম উপলক্ষে বপন করা হবে ওক গাছ।

এ ছাড়া বর্ণিল আয়োজনে সেই পুত্রসন্তানকে গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, ইউরোপের দেশ পোল্যান্ডে সার্বিকভাবে পুত্রসন্তানের জন্মহার বেশি। দেশটির জনসংখ্যা জরিপ জানায়, ২০১৭ সালে পোল্যান্ডে ২ লাখ ৭ হাজার পুত্রসন্তানের জন্ম হয়েছে। আর কন্যাসন্তানের জন্ম হয়েছে ১ লাখ ৯৬ হাজার।

কিন্তু মিয়েজস্কে ওদ্রজান্সকি গ্রামের বেলায় পুরো চিত্রটি কেবল ভিন্নই নয়, কোনো পুত্রসন্তানেরই জন্ম হচ্ছে না সেখানে।

এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা জানা নেই দেশটির বিজ্ঞানীদের। প্রকৃতির এই রহস্য ভেদ করা যায়নি এখনও।

দীর্ঘ ৯ বছর ধরে বিষয়টি চলমান থাকায় গ্রামবাসীরা আশঙ্কা করছেন, এমনটি চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে সবচেয়ে বড় যে সমস্যা দেখা দেবে, সেটি হচ্ছে- মেয়েদের বিয়ের জন্য গ্রামের পাত্র পাওয়া যাবে না।

প্রসঙ্গত ১৯৪৫ সালের আগে জার্মানির অধীনে ছিল গ্রামটি। এর নাম ছিল- ‘মিসটিটজ’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গ্রামটি পোল্যান্ডের অন্তর্ভুক্ত হয়।পুত্রসন্তানের অপেক্ষায় দিন পার করছেন পুরো গ্রামবাসী। কিন্তু কারও ঘরেই জন্ম নিচ্ছে না পুত্রসন্তান।

২০১০ সালের পর কোনো সদ্যোজাত শিশুপুত্রের কান্না শোনেননি এ গ্রামের অধিবাসীরা।

গত ৯ বছর ধরে কেবল কন্যাসন্তানই জন্ম হয়েছে সেখানে। একটি পুত্রসন্তানের আশায় গ্রামের অনেক গর্ভবতী কুসংস্কারেও বিশ্বাস করেছেন।

তারা তান্ত্রিকের দেয়া নানা গাছ-গাছালির তাবিজ, কুড়ুলও রেখেছেন বালিশের নিচে। টোটকা থেকে শুরু করে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খেয়েছেন হবু মায়েরা।

তবে সব প্রচেষ্টাই বিফলে গেছে।

গত এক দশকে পুত্রসন্তান জন্ম না নেয়া এ গ্রামটির নাম মিয়েজস্কে ওদ্রজান্সকি। এটি পোল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী ছোট্ট একটি গ্রাম।

নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর এ গ্রামে ৯২টি বাড়ি রয়েছে। ৩০০ মানুষের বসবাস এখানে, যার মধ্যে নারীর সংখ্যাই বেশি।

পুরুষের সংখ্যা কম থাকায় গাড়ি চালানো, ক্ষেত-খামারে চাষাবাদ থেকে শুরু করে অন্যান্য ভারী কাজও নারীদের করতে হয় এ গ্রামে। মাঝেমধ্যে বিপদেও পড়েন তারা।

গ্রামবাসীর মতে, এখানে সব কাজেই নারীদের নেতৃত্ব চলছে, যা গ্রামের নারীরাও চাচ্ছেন না। তাদের অনেকে চাপ সামলে নিতে পারছেন না। ‘পুরুষালি’ কাজে নারীদের অংশগ্রহণে মাঝেমধ্যেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

কাজের গুণগত মান বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা।

এ কারণে সদ্যোজাত পুত্রসন্তানের মুখ দেখার জন্য সাগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছেন মিয়েজস্কে ওদ্রজান্সকি গ্রামের বাসিন্দারা।

এ মুহূর্তে পুত্রসন্তানের জন্ম গ্রামের জন্য সবচেয়ে বড় আনন্দের খবর হিসেবে বিবেচ্য।

গ্রামের মেয়র ঘোষণা করেছেন, গ্রামকে যে দম্পতি পুত্রসন্তান উপহার দেবেন, তাদের বিশেষ সম্মানে ভূষিত করা হবে। সঙ্গে থাকবে উপহারও।

তিনি জানান, সেই নবজাতকের নামে গ্রামের একটি রাস্তার নামকরণ করা হবে। তার জন্ম উপলক্ষে বপন করা হবে ওক গাছ।

এ ছাড়া বর্ণিল আয়োজনে সেই পুত্রসন্তানকে গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, ইউরোপের দেশ পোল্যান্ডে সার্বিকভাবে পুত্রসন্তানের জন্মহার বেশি। দেশটির জনসংখ্যা জরিপ জানায়, ২০১৭ সালে পোল্যান্ডে ২ লাখ ৭ হাজার পুত্রসন্তানের জন্ম হয়েছে। আর কন্যাসন্তানের জন্ম হয়েছে ১ লাখ ৯৬ হাজার।

কিন্তু মিয়েজস্কে ওদ্রজান্সকি গ্রামের বেলায় পুরো চিত্রটি কেবল ভিন্নই নয়, কোনো পুত্রসন্তানেরই জন্ম হচ্ছে না সেখানে।

এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা জানা নেই দেশটির বিজ্ঞানীদের। প্রকৃতির এই রহস্য ভেদ করা যায়নি এখনও।

দীর্ঘ ৯ বছর ধরে বিষয়টি চলমান থাকায় গ্রামবাসীরা আশঙ্কা করছেন, এমনটি চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে সবচেয়ে বড় যে সমস্যা দেখা দেবে, সেটি হচ্ছে- মেয়েদের বিয়ের জন্য গ্রামের পাত্র পাওয়া যাবে না।

প্রসঙ্গত ১৯৪৫ সালের আগে জার্মানির অধীনে ছিল গ্রামটি। এর নাম ছিল- ‘মিসটিটজ’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গ্রামটি পোল্যান্ডের অন্তর্ভুক্ত হয়।

সম্পর্ক কতদিন টিকবে জানতে চান! যন্ত্রই বলে দেবে

প্রেমের সম্পর্কে

অনলাইন ডেস্ক : প্রেমের সম্পর্কে সবাই জড়ান। কিন্তু সব সময়ে তা টেকে না। কিন্তু এবার না প্রযুক্তির মাধ্যমেই জানতে পারবেন সম্পর্কের মেয়াদ।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউনিভার্সিটি অফ সাদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকরা গবেষণা করে দেখেছেন কী ভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে জানা যাবে আপনার সম্পর্কের মেয়াদ।

গবেষকরা জানান, ১৩৪টি যুগলের মধ্যে পরীক্ষা চালানো হয়। এই প্রেমিক-প্রেমিকারা কতক্ষণ কথা বলেন, এবং কথা বলার সময়ে তাঁরা কী ভঙ্গিতে কথা বলছেন সেই তথ্যগুলি পরীক্ষা করে দেখে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স।

তবে প্রেমালাপের সময়ে কী কথা কথা বলছে সে সব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের। শুধুমাত্র কতক্ষণ কথা হচ্ছে, এবং কথা বলার সময়ে গলার স্বর কেমন হয় তা ধরা পড়ে যন্ত্রে। এর থেকেই পরীক্ষা করে বলে বুদ্ধিমান যন্ত্র বলে দিতে পারে কোন যুগলের সম্পর্ক ঠিক কতদিন টিকবে।

দাঁতগুলোও ঝকঝকে সাদা করে নিন

ঝকঝকে সাদা দাঁতে সুন্দর হাসি

অনলাইন ডেস্ক : সব কিছু মনের মতো হওয়ার পর আয়নায় দাঁড়িয়ে যদি দেখেন দাঁতগুলো হলুদ হয়ে আছে, মনটাই খারাপ হয়ে যাবে তো? মন খারাপ হওয়া কোনো সুযোগ নেই। আজই এগুলো ট্রাই করুন, আর পেয়ে যান ঝকঝকে সাদা দাঁত।

লাল টকটকে স্ট্রবেরি ফল তো আমরা সবাই চিনি। আর এর গুণের কথাও এরই মধ্যে জানা হয়ে গেছে। এই স্ট্রবেরি আর বেকিং সোডা দিয়ে শুধুমাত্র একবার দাঁত ব্রাশ করেই আপনি অবাক হবেন দাঁতের রঙের পার্থক্য দেখে।

এজন্য যা করতে হবে:
স্ট্রবেরি ১টি ও আধা চা চামচ বেকিং সোডা নিয়ে পেস্ট তৈরি করে ব্রাশে নিয়ে দুই মিনিট ব্রাশ করুন। এরপর ঠাণ্ডা পানিতে মুখের ভেতর ভালোভাবে ধুয়ে নিন।

আয়নায় তাকিয়ে এবার ঝকঝকে সাদা দাঁতে মিষ্টি করে হাসুন।

সপ্তাহে ১ বার নিয়মিত এভাবে ব্রাশ করলে, সব সময়ই দাঁত এমন সুন্দর থাকবে।

এছাড়াও

• ফ্লসিং দাঁতের ভেতরের খাদ্যকণা ও সেই দাগগুলো দূর করে যা কেবল ব্রাশ করলে যায় না।
• প্রতিদিন নিয়মিত দু’বার ব্রাশ করতে হবে
• পান, সিগারেটের অভ্যাস থাকলে কিন্তু দাঁত ঝকঝকে সাদা হবে না
• চা, কোমল পানীয় পানেও সতর্ক থাকেতে হবে। কেননা, এসবেও দাঁতে হলদেটে হয়ে যায়।

ডিভোর্স এখন জলভাত! জেনে নিন, বিচ্ছেদের চার কারণ…

দাম্পত্য-জীবন

অনলাইন ডেস্ক : আজকালকার দিনে প্রেমিক-প্রেমিকা বা স্বামী-স্ত্রীয়ের মধ্যে প্রেম যতটাই বেশি, বিচ্ছেদও ঠিক ততটাই। আইনত বিয়ের সংখ্যার চেয়েও বেড়ে গিয়েছে আইনত বিচ্ছেদের সংখ্যা। হুট করে যেমন প্রেম আসে তেমনই প্রেমে উদাসীনতা আসতেও সময় লাগে না। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বেশিরভাগ দম্পতির মধ্যেই বিয়ের আগে যতটা প্রেম ছিল বিয়ের পর তার সিংহভাগ থাকছে না। কাজের চাপে এসেছে যৌনজীবনের প্রতি অনীহা। এছাড়াও আজকাল কেউই আপসে রাজি নন। অতএব পান থেকে চুন খসলেই সোজা বিচ্ছেদ। এই প্রজন্মে বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে মূল কারণগুলি হল-

ভালোবাসার অভাব
৪৭ শতাংশ ডিভোর্সের ক্ষেত্রে মূল কারণ হল ভালোবাসার অভাব। সবটা বাইরে থেকে দেখনদারি দিয়ে হয় না। বেশিরভাগ সময় যুগলের মধ্যে এই টানটাই থাকছে না। আদালতে গিয়ে তাঁরা বলছেন স্বামীর প্রতি বা স্ত্রীয়ের প্রতি কারোর কোনও রকম ফিলিংস নেই। ফলে বছরের পর বছর এক ছাদের নীচে থাকা সম্ভব নয়।

নিজেদের মধ্যে ভুলবোঝাবুঝি
৪৪ শতাংশ ডিত্ভোর্স হয় নিজেদের জেদ আর ভুল বোঝাবুঝিতে। কেউ যখন মুখোমুখি পরস্পরের সঙ্গে কথা বলতে না চান বা নিজের জেদ ধরে বসে থাকেন তখন সেই সমস্যা সমাধান হওয়ার নয়। দুজনেই দুজনের ভুল ধরতে ব্যস্ত। শোধরাতে নয়।

সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধা নেই
একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা না থাকলে, সহানুভূতি না থাকলে সেই সম্পর্কের কোনও জোর থাকে না। এমনকী প্রয়োজনে সহানুভূতিরও প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে ভালোবাসার থেকেও জটিল এবং কঠিন হল সম্মান।

মনের মিল
দুজন মানুষ কখনই এক হন না। কেউ পোলাও ভালোবাসেন তো কেউ বিরিয়ানি। কিন্তু নিজের মধ্যে কিছুটা সামঞ্জস্য অবশ্যই থাকা প্রয়োজন। মূল্যবোধ এতদিন এক ছিল, হঠাৎ আজ আলাদা এরকম হলে খুব মুশকিল।

ডিভোর্স মোটেই সোজা ব্যাপার নয়। হেসে পুরোটা সামলে দেওয়া যাবে এমনটাও ভাবা ভুল। যে মানুষটার সঙ্গে এতদিন ঘর করলেন তাঁর সঙ্গে প্রচুর খারাপ স্মৃতি, কিন্তু ভালোলাগার কিছু মুহূর্তও অবশ্যই থাকে। তাই একবার ভাবুন। নিজের জন্য, পরিবারের জন্য। কারণ কোন সম্পর্কের ইতি কাগজে কলমে হতে পারে, জীবনের খাতায় নয়।

সহজ উপায়ে হাঁড়ির পোড়া জেদি দাগ দূর করুন

সহজ উপায়ে হাঁড়ির পোড়া জেদি দাগ দূর করুন

অনলাইন ডেস্ক : রান্না করতে গেছেন আর হাঁড়ি পুড়ে যায়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। দুধ উথলে দাগ পড়তে পারে অথবা তরকারি হাঁড়ির নিচে লেগে যেতে পারে। এই দাগ একটু বেশি পড়লে তা উঠিয়ে ফেলা বেশ কষ্টসাধ্য। ডিশ ওয়াশার, সাবান কোনকিছু দিয়ে এই দাগ দূর করা সম্ভব হয় না। এই জেদী দাগ দূর করে ফেলুন সহজ একটি উপায়ে।

যা যা লাগবে
সাদা ভিনেগার
বেকিং সোডা
পানি
স্পঞ্জ

যেভাবে করবেন
১। পুড়ে যাওয়া হাঁড়িটি পানি দিয়ে ভরে ফেলুন। দাগের গভীরতা উপর নির্ভর করবে পানির পরিমাণ। দাগ বেশি হলে পানির পরিমাণ বেশি দিবেন। এবার এর সাথে এক কাপ ভিনেগার দিয়ে দিন। ভিনেগারের পরিমাণটিও নির্ভর করবে পোড়া দাগের উপর। ছোট হাঁড়ি বা পোড়া দাগের জন্য অল্প ভিনেগার ব্যবহার করুন।

২। এবার এটি চুলায় জ্বাল হতে দিন। লক্ষ্য রাখুন পোড়া দাগ নরম হয়ে আসলে নামিয়ে ফেলুন।

৩। চুলা থেকে হাঁড়িটি নামিয়ে এতে ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। বেকিং সোডা বুদ বুদ হওয়ার পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

৪। এবার একটি স্পঞ্জ দিয়ে প্যানটি ঘষুন। ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ড ঘষুন। দেখবেন খুব সহজে পোড়া দাগ উঠে আসছে। খুব বেশি জেদী দাগ হলে এর উপর কিছুটা বেকিং সোডা ছিটিয়ে দিন। তারপর আবার কিছুক্ষণ ঘষুন। যত জেদী দাগ হোক না কেন তা দূর হয়ে গেছে।

এছাড়া জেদী পোড়া দাগ দূর করার জন্য কেচাপ, ভিনেগার, কোকাকোলা ব্যবহার করতে পারেন। এই উপাদানগুলোও দাগ দূর করতে সাহায্য করে।

হজমশক্তি বৃদ্ধি হয় যেসব খাবারে

হজমশক্তি বৃদ্ধি হয় যেসব খাবারে

অনলাইন ডেস্ক : কোরবানির ঈদ মানেই প্রায় সবার বাড়িতেই ভাল ভাল খাবারের আয়োজন। ঈদে একে অপরকে দাওয়াত দিবেন আবার দাওয়াত খাবেন। এক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে হজম শক্তি। সামান্য ভারী খাবার খেলেই হতে পারে বদহজম, পেটে শুরু হয়ে যায় `বুডবাড` কিংবা গ্যাস। নানা অনিয়মের কারণে এমন সমস্যা এখন ঘরে ঘরে।

খাবার হজম হয়ে আমাদের দেহে শক্তি তৈরি হয়। কিন্তু যখন এই হজমশক্তি কমে যায় আমাদের দেহ দুর্বল হওয়া শুরু করে। পুষ্টির অভাবে শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে নানা ধরনের রোগ। তাই এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। কিছু খাবার আছে যা প্রাকৃতিকভাবেই হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।

আদা

হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে আদা। এটা দেহের টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। আদায় রয়েছে ‘জিনজারোলস’যা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পরিপাকক্রিয়া দ্রুত করে। সকালে এক কাপ আদা চা এবং রান্নায় আদার ব্যবহার কিংবা কাঁচা আদা খাওয়া পরিপাকযন্ত্র সুস্থ রাখে।

দারুচিনি

দারুচিনিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাংগানিজ যা দেহের ফ্যাটি এসিড হজম করতে সাহায্য করে। এবং এটি আমাদের রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। রান্নায় দারুচিনি ব্যবহার আমাদের দেহের পরিপাকযন্ত্র এবং হজমশক্তি বৃদ্ধির জন্য অনেক কার্যকরী। তবে যাদের লিভারে গুরুতর সমস্যা আছে তাদের জন্য এটা অনেক সময় ক্ষতি ডেকে আনে।

বিটরুট

এতে রয়েছে বিটাসায়নিন, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম। এছাড়া এতে আরও রয়েছে ভিটামিন বি৩, বি৬ এবং ভিটামিন সি, বিটা-ক্যারোটিন যা সবই পরিপাকযন্ত্র, লিভার এবং গলব্লাডারের সুরক্ষায় কাজ করে।

রসুন

দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার। রসুনের অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান যেকোন ধরনের ঠাণ্ডা কাশি, ভাইরাল ইনফেকশন দূর করার সাথে সাথে আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধিতেও কাজ করে। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি কাঁচা রসুন দেহের জন্য অনেক বেশি কার্যকরী।

ব্রকলি

এই সবজিটি খাওয়া দেহের জন্য অনেক ভালো। এটি আমাদের দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে এবং হজমে সাহায্য করে। স্যুপ, পাস্তা কিংবা সাধারণ সবজি রান্নায় ব্রকলি ব্যবহার করুন। দেহ সুস্থ থাকবে।

এলাচ

সাধারণত রান্নাতে ভালো গন্ধ হওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয় এলাচ। কিন্তু হজমের জন্যও ব্যবহৃত হয় এলাচ। এলাচে ভোলাটাইল তেল থাকে। যা গ্যাস এবং বদ হজমের হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়া মুখে দুর্গন্ধ ছাড়লে এবং পেটের আলসার এড়িয়ে চলতে অবশ্যই খেতে পারেন এলাচ।

মৌরি

মৌরি সাধারণত মুখ শুদ্ধি হিসেবে কাজ করে। এটি মুখের মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া নির্মূল করে। খালি পেটে মৌরি খেলে গ্যাসট্রিকের সমস্যা দূর করা যায়। এছাড়া হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে মৌরি।

পান

পান হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়াতেও সাহায্য করে। এছাড়া হার্ট ভালো রাখে, গ্যাসের সমস্যা দূর করে, শরীরে খারাপ টক্সিনের পরিমাণ কমিয়ে লিভার ভালো রাখতে সাহায্য করে।

অস্ত্রধারী ডাকাতদের কুপোকাত করলেন দুই বুড়ো

অনলাইন ডেস্ক : অস্ত্রধারী দুই ডাকাতকে রীতিমতো কুপোকাত করলেন বয়স্ক এক দম্পতি। বলা যায় ওদেরকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছেন ঘর থেকে। চারজনের মারামারির দৃশ্য ধরা পড়েছে সিসিটিভি ফুটেজে।
এনডিটিভি জানিয়েছে, ঘটনাটি ভারতের তামিল নাড়ুর। ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ রোববার রাতে নিজের বাড়ির বাইরে বসে ছিলেন। পেছন থেকে তার গলায় তোয়ালে পেঁচিয়ে ধরে মুখোশধারী এক ব্যক্তি। তার হাতে ছিল রামদা জাতীয় ধারালো অস্ত্র।

কয়েক সেকেন্ড পর তার স্ত্রী দরজা খুলে বাইরে আসেন। ৬৫ বছর বয়সী ওই নারী প্রথমে ডাকাতের দিকে এক জোড়া স্যান্ডেল ছুড়ে মারেন। তারপর শুরু হয় দুজনের আসল লড়াই। হাতের কাছে যা পেয়েছেন, তাই দিয়ে তারা ডাকাতদের আক্রমণ করেছেন। শেষ পর্যন্ত মুখোশধারী দুই ব্যক্তি পিছু হটতে বাধ্য হয়।

ওই নারী তার ডানহাতে আঘাত পেয়েছেন। ডাকাতরা তার গলা থেকে ৩৩ গ্রামের একটি সোনার চেইন ছিঁড়ে নিয়ে গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বাড়িতে তারা দুজনে থাকেন। আক্রমণের শিকার হন রাত ৯টার দিকে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।