Home / আইন-আদালত

আইন-আদালত

বিচারপতির বিরুদ্ধে তদন্ত, বিচারকাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ

হাইকোর্ট

সিলেট টুয়েন্টিফোর এক্সপ্রেস ডেস্ক : হাই কোর্টের তিন বিচারপতির বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণের’ অভিযোগের তদন্ত শুরুর পর তাদের বিচারকাজ থেকে সাময়িকভাবে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
উচ্চ আদালতের এই তিন বিচারক হলেন বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি একেএম জহিরুল হক এবং বিচারপতি কাজী রেজাউল হক।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত কার্যতালিকায় নির্ধারিত বেঞ্চে তাদের নাম ছিল না। তারাও আদালতের বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নেননি।

তিন বিচারকের বিরুদ্ধে তদন্তের বিষয়টি নিয়ে সকাল থেকে নানা গুঞ্জন চললেও সুপ্রিম কোর্ট বা আইন মন্ত্রণালয়ের কেউ মুখ খুলছিলেন না। সুপ্রিম কোর্টের পদক্ষেপ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের খবর আসছিল সংবাদমাধ্যমে।

শেষ পর্যন্ত বিকালে সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের সামনে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, “হাই কোর্টের মাননীয় তিনজন বিচারপতির বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধানের প্রেক্ষাপটে মহামন্য রাষ্ট্রপতির সাথে পরামর্শক্রমে তাদের বিচারকার্য থেকে বিরত থাকতে বলা হয় এবং পরবর্তীতে তারা ছুটি প্রার্থনা করেন।”

সাংবাদিকরা তিন বিচারকের নাম জানতে চাইলে সাইফুর রহমান প্রথমে নিরুত্তর থাকেন। সাংবাদিকরা তখন তিন বিচারকের নাম বলে জানতে চান- তাদের ক্ষেত্রেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না।

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র সাইফুর রহমান তখন বলেন, “আপনারা তো লিখেছেনই।”

তবে তিন বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে রাজি হননি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের এ কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, “আমিও শুনছি। তবে, আমার সাথে এখনও কারও কথা হয়নি। কী করা হচ্ছে; তাও জানি না।”

আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও একই সুরে কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে তিনি অবগত নন।

“আমি অবগত নই এ কারণে যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ স্বাধীন এবং এটা রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির বিষয়। আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে আমাকে আগে অবগত হতে হবে।”

ফেসবুক-গুগলকে ৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে গ্রামীণ-বাংলালিংক-রবি

সিলেট টুয়েন্টিফোর এক্সপ্রেস ডেস্ক : মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন, বাংলালিংক ও রবি গত পাঁচ বছরে গুগল ও ফেসবুককে আট হাজার ৭৪৪ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হাইকোর্টে দাখিল করা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

আদালতে বিটিআরসির পক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করেন আইনজীবী একেএম আলমগীর পারভেজ। রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

শুনানিকালে বিটিআরসি’র সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের উপ-পরিচালক প্রকৌশলী মো. নাহিদুল হাসান স্বাক্ষরিত ওই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

একই বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আরেকটি প্রতিবেদন দাখিল করেছে। কিন্তু এনবিআরের প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হননি হাইকোর্ট। তাই এনবিআরকে পুনরায় প্রতিবেদন দাখিলে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে ইন্টারনেটভিত্তিক সব ধরনের প্রতিষ্ঠান থেকে রাজস্ব আদায়ে কী কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তাও এনবিআরকে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিল সার্চ ইঞ্জিন গুগল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ ইন্টারনেটভিত্তিক সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব ফাঁকির বিরুদ্ধে রিট দায়ের করা হয়। রিট আবেদনে, ইন্টারনেটভিত্তিক সব প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় আনা, প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে পরিচালনার জন্য নীতিমালা প্রস্তুত করা, প্রতিষ্ঠানগুলো কী পরিমাণ টাকা নিচ্ছে তার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি এবং সেই কমিটি দিয়ে বিগত ১০ বছরে কী পরিমাণ অর্থ নেওয়া হয়েছে তা নিরূপণের নির্দেশনা চাওয়া হয়।

হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের ছয় আইনজীবীর পক্ষ থেকে এই রিট দায়ের করা হয়। আইনজীবীরা হলেন- ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউসার, অ্যাডভোকেট আবু জাফর মো. সালেহ, অ্যাডভোকেট অপূর্ব কুমার বিশ্বাস, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ সাজ্জাদুল ইসলাম ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মাজেদুল কাদের।

অস্বাভাবিক মামলার জট কমিয়ে আনতে হবে : আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, দেশের আদালতগুলোতে ৩১ বা ৩২ কিংবা ৩৩ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। তিনি বলেন, এটা কিন্তু অস্বাভাবিক সংখ্যা। তাই এটিকে অবশ্যই কমিয়ে আনতে হবে।

বৃহস্পতিবার জাস্টিস রিফর্ম অ্যান্ড করাপশন প্রিভেনশন (জেআরসিপি) প্রকল্পের আওতায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ন্যাশনাল জাস্টিস অডিট বাংলাদেশ: ফলাফল উপস্থাপন ও আলোচনা” শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। আইন মন্ত্রণালয় এবং জিআইজেড যৌথ উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। অনুষ্ঠানে সারা দেশের সকল জেলা জজ ও সমপর্যায়ের বিচারক এবং চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেটরা অংশ নেন।

মন্ত্রী বলেন, বহু আগে থেকে প্রবাদ চালু আছে জাস্টিস ডিলেইড ইজ জাস্টিস ডিনাইড। আর আজকে এই নতুন মাত্রার মধ্যে আর একটা জিনিস যোগ করার প্রয়োজন রয়ে গেছে। সেটা হচ্ছে, জাস্টিস ডিলেইড শুধু জাস্টিস ডিনাইড না। এখন জাস্টিস যদি ডিনাইড হয়, জাস্টিস কিন্তু বসে থাকে না। স্ট্রিট জাস্টিস চলে আসে। আমরা কিন্তু সেটা চাই না। আমরা চাই জনগণ বিচার পাক।
মন্ত্রী বলেন, জাস্টিস অডিটের তথ্যানুযায়ী দেশের শতকরা ৮৭ ভাগ মানুষের বিচার বিভাগের উপর আস্থা আছে। তিনি বলেন, আজকের যে ৩১ লাখ মামলারজট সেটা যদি ১০ বছর পর ৬২ লাখে দাঁড়ায় তাহলে কিন্তু এই ৮৭ ভাগ আস্থা কমে ৩৭ ভাগে নেমে আসবে। সেজন্যই আমাদের মামলাজট কমানোর যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। এক্ষেত্রে জাস্টিস অডিটের তথ্য এবং অভিজ্ঞ বিচারকদের পরামর্শকে কাজে লাগানো যেতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, মামলাজট কমানোর লক্ষে সরকার বিদ্যমান আইন সংশোধন সহ বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। মাদক মামলার বিচারের প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্য এ সম্পর্কিত আইন সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে এবং জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনেই এই সংশোধন করার চেষ্টা করা হবে। তা নাহলে অধ্যাদেশ আকারে পাস করে এটা চালু করা হবে। এছাড়া ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষে যুগ্ম জেলা জজের পাশাপাশি সিনিয়র সহকারী জজ ও সহকারী জজকে এসব মামলার বিচার করার ক্ষমতা দেয়া হবে। সেজন্য আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে যা খুব শিগগিরই সংসদে পাস হয়ে যাবে।

মন্ত্রী বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার রক্ষার অনন্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত আমাদের সংবিধান যেমন সকল নাগরিককে আইনের দৃষ্টিতে সমতা ও আইনের সমান আশ্রয়লাভের অধিকার দিয়েছে তেমনি আত্মপক্ষ সমর্থনের পাশাপাশি দ্রুত বিচার লাভের অধিকারের কথাও সংবিধানে উল্লেখ রয়েছে। মহান সংবিধানে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে তা পালনে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, ন্যায়বিচারে সাধারণ জনগণের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা পৃথিবীর যেকোনো সরকারের জন্য সবচাইতে পবিত্র এবং সম্ভবত সবচাইতে কঠিন দায়িত্ব। কারণ, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণের জন্য যে বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালিত হয় তার সাফল্য বা ব্যর্থতা কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করে না। জনগণ, সমাজ এবং রাষ্ট্রের প্রয়োজনে আইন-বিধি সংস্কারের পাশাপাশি নতুন নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সদা পরিবর্তনশীল বিচারব্যবস্থার কার্যকারিতা এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাজের প্রতি সদিচ্ছা, দায়িত্বশীলতা ও দক্ষতার উপরে নির্ভর করে।

মন্ত্রী বলেন, প্রায় ৩২ লক্ষ মামলার ভারে ন্যুজ আমাদের আদালতগুলোতে বিচারপক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা; কারাগারে বন্দিসংখ্যাধিক্য, বিশেষ করে বিচারাধীন বন্দিদের আধিক্য; মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিকরণে বিচারকবৃন্দের ওপর বিপুল চাপের বিষয়ে আমরা সকলেই ওয়াকিবহাল। এগুলো সবই আসলে একটি অন্তঃনির্হিত রোগের লক্ষণ যার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ছিল রোগের সঠিক কারণসমূহ সনাক্ত করা। কারণ আমরা জানি যে, বিচারব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতার পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ যেগুলো বিচারব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করছে। মামলাজট নিরসন বর্তমান সরকারের একটি অন্যতম অগ্রাধিকার এবং আমরা পদ্ধতিগতভাবে এই জট নিরসন করতে চেয়েছি।

তাই মামলজটের কারণসমূহ সনাক্তকরণের পাশাপাশি কোথায় কোথায় মামলাজট রয়েছে তা অনুসন্ধানের লক্ষ্যে বিচারঙ্গণের একটি পূর্নাঙ্গ চিত্র দেখতে আমরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বনের কথা চিন্তা করছিলাম। আর তখনই আমরা “জাস্টিস অডিট” নামের এই ওয়েবভিত্তিক তথ্যভান্ডারের কথা জানতে পারি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার পর ২০১৩ সালে আমরা জার্মান সরকারের সহযোগিতায় দেশের পাঁচটি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘জাস্টিস অডিট’ সম্পাদন করি। এই নিরীক্ষণের ফলাফল থেকে আমরা ওই পাঁচটি জেলার বিচারব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ চিত্র দেখতে পেয়েছিলাম। এই ফলাফলের উপর ভিত্তি করে জার্মান এবং ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতায় আইন মন্ত্রণালয় ২০১৬ সালে দেশব্যাপি ‘ন্যাশনাল জাস্টিস অডিট’ সম্পন্ন করে।

মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশ যেখানে বিচারপ্রার্থীদের একটি বড় অংশ আর্থ-সামাজিকভাবে পিছিয়ে আছে তাদের জন্য আইনি পরামর্শ গ্রহণ এবং আইনি প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা কষ্টসাধ্য। মামলার দীর্ঘসূত্রতা তাদের আইনি যাত্রাকে আরো কষ্টকর করে তোলে। আর তাই, নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ জনগোষ্ঠী সহ সকল বিচারপ্রার্থীর আইনি অধিকার নিশ্চিতকল্পে সংশ্লিষ্ট সকলের সক্রিয় ও সমন্বিত উদ্যোগ একান্ত প্রয়োজন।

আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জার্মানির ডেপুটি অ্যাম্বাসেডর বুর্কহার্ড দুকফে, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. মো. জাকির হোসেন, জিআইজেড বাংলাদেশ সংক্রান্ত প্রকল্পের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক এবং আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে কুলসুম, জার্মান সরকারের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জিআইজেড বাংলাদেশের ‘রুল অব ল’ প্রোগ্রামের প্রধান প্রমিতা সেনগুপ্ত, জাস্টিস রিফর্ম প্রকল্পের ম্যানেজার এটিএম মোর্শেদ আলম প্রমুখ।

মিন্নিকে কেন জামিন দেয়া হবে না: হাইকোর্ট

আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক : বরগুনায় চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার মামলার প্রধান সাক্ষী ও তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে কেন জামিন দেয়া হবে তা জানতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এক সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে ২৮ আগস্ট আদালতে তলব করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

মিন্নির জবানবন্দির বিষয়ে বরগুনার পুলিশ সুপারের কাছে ব্যাখ্যা ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে (আইও) নথিসহ তলব করেছেন আদালত। আগামী ২৮ আগস্ট এ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার এ মামলার আংশিক শুনানি শেষে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানির জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেছিলেন।

মিন্নির পক্ষে আজ জামিন আবেদনটি উপস্থাপন করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারোয়ার হোসেন।

এর আগে সোমবার জামিন আবেদনের শুনানির শুরুতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না আদালতে বলেন, ‘মাই লর্ড, হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চে আমরা জামিন আবেদন করেছিলাম। আদালত রুল দিতে চেয়েছিলেন। আমরা নিইনি। আমরা আবেদন ফেরত নিয়েছি। এখন পুনরায় আপনার কাছে জামিনের আবেদন করেছি।’

জেডআই খান পান্না আরও বলেন, ‘এ মামলার এফআরআইয়ে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির নাম নেই। তিনি ছিলেন মামলার প্রধান সাক্ষী। গত ১৬ জুলাই মিন্নিকে গ্রেফতারের পর তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়। পুলিশ তাকে রিমান্ডে নেয়ার আগেই পুলিশলাইনসে নিয়ে যায়। পুরুষ পুলিশের অধীনে তাকে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করে দোষ স্বীকার শেখানো বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয়। আদালতে হাজির করে পুলিশ দাবি করে, মিন্নি ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে বক্তব্য দিয়েছেন। পরে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মিন্নি এসব বক্তব্য প্রত্যাহারের আবেদন করেন। এমনকি মিন্নিকে নিম্ন আদালতে উপস্থাপনের পর কোনো আইনজীবী তার পক্ষে দাঁড়াননি। মিন্নির পক্ষে মামলা না লড়তে আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করা হয়। পরে মিন্নি নিজেই আদালতে বলেন, আমি নির্দোষ।’

জেডআই খান পান্না আরও বলেন, ‘রিফাত হত্যার আগে ও পরে পুলিশ একটি ভিডিওকে ১১ টুকরা করে উপস্থাপন করে।’

এ পর্যায়ে আদালত আইনজীবীকে বলেন, ‘জামিনের পক্ষে আপনার যুক্তি কী?’

জবাবে আইনজীবী বলেন, মিন্নি ১৯ বছরের একজন তরুণী। তিনি কলেজে পড়েন। মিন্নির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, এ মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ডের সঙ্গে রিফাত হত্যা মামলায় ষড়যন্ত্র করেছিলেন। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো ডকুমেন্ট আমরা পাইনি। এ মামলার ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও পাইনি, যদিও নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে। একজন নারী এবং অসুস্থ বিবেচনায় জামিন আশা করছি। যেহেতু মিন্নি কলেজে পড়েন। জামিন হলে তিনি পালিয়ে যাবেন না। মিন্নিকে পুলিশলাইনসে নিয়ে পরে গ্রেফতার দেখানো হয়।

এ সময় আদালত জানতে চান, পুলিশলাইনসে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আপনারা কি নথিতে উপস্থাপন করেছেন?

জবাবে আইনজীবী জেডআই খান পান্না বলেন, ‘স্টেটমেন্ট আছে।’

পরে আদালত বলেন, মিন্নিকে কবে পুলিশলাইনসে নেয়া হয়, কবে আদালতে উপস্থাপন করা হয়, কবে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়া হয় এবং কবে পুলিশ সুপার সংবাদ সম্মেলনে মিন্নি জড়িত বলে বক্তব্য দেন, তা আগামীকাল দুপুর ২টার মধ্যে সম্পূরক আকারে জমা দিন।’ এর পর শুনানি মঙ্গলবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।

এর আগে ৮ আগস্ট বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের অবকাশকালীন বেঞ্চে শুনানির পর জামিন পাওয়ার আশা না দেখে মিন্নির আইনজীবী জেডআই খান পান্না আবেদনটি ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। ওই আবেদনটিই রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চে দাখিল করা হয়।

আদালতে ১৬৪ ধারায় মিন্নিসহ আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি না আনতে পারলে জামিন হবে না, হাইকোর্টের এমন শর্তের পর ৮ আগস্ট আবেদনটি ফিরিয়ে নেয়া হয়েছিল।

২৬ জুন রিফাতকে বরগুনার রাস্তায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সেই সময় স্বামীকে বাঁচাতে মিন্নির চেষ্টার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে আলোচনার সৃষ্টি হয়।

পর দিন রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরিফ ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন, তাতে প্রধান সাক্ষী করা হয়েছিল মিন্নিকে। পরে মিন্নির শ্বশুর ছেলে হত্যায় পুত্রবধূ মিন্নির জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করলে ঘটনা নতুন দিকে মোড় নেয়।

১৬ জুলাই মিন্নিকে বরগুনার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। মিন্নি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে পুলিশ জানায়। পরে মিন্নি জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করেন আদালতে। মিন্নির বাবার অভিযোগ, ‘নির্যাতন করে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে মিন্নিকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে বাধ্য করেছে পুলিশ।’

গত ৩০ জুলাই মিন্নির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

এর আগে ২২ জুলাই বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে প্রথমবার মিন্নির জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী মো. মাহবুবুল বারী আসলাম। ওই দিনই শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী মিন্নির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

পরে ২৩ জুলাই ‘মিস কেস’ দাখিল করে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামানের আদালতে ফের জামিনের আবেদন করেন মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম। পরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের নথি তলব করে ৩০ জুলাই জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন।

সেদিন তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে উভয়পক্ষের শুনানি হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেন আদালত। তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির আদালতে উপস্থিত হলে এ হত্যাকাণ্ডে মিন্নির সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য জানতে চাওয়া হয়। সবার উপস্থিতিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ল্যাপটপে হত্যাকাণ্ডের আগের ও পরের ভিডিও ফুটেজ দেখান। এ ছাড়া মিন্নির ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দিসহ হত্যার আগে ও পরে প্রধান আসামি কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত নয়ন বন্ডসহ অন্যান্য আসামির সঙ্গে মিন্নির কললিস্টের তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে মিন্নির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

মাদারীপুরে দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ২

মাদারীপুরে দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ২
মাদারীপুরে দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ২

মাদারীপুর প্রতিনিধি : মাদারীপুরে ট্রলার থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে দুই মাদ্রাসাছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পাশের এলাকার দুই বখাটের বিরুদ্ধে। গুরুতর অবস্থায় ওই দুই শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়েছে জেলা সদর হাসপাতালে। অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে দুই বখাটেকে আটক করেছে সদর থানা পুলিশ।

পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, সোমবার সকালে মাদারীপুর শহরে নানার বাড়িতে বেড়াতে আসে পাঁচখোলা ইউনিয়নের জাজিরা দাখিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ ও ৯ম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী। নানা বাড়িতে বেড়ানোর পরে শহরে কেনাকাটা করে পুরনো ট্রলারঘাট থেকে রাত ১০টার দিকে বাড়ির উদ্দেশ্যে ট্রলারে ওঠে তারা। পরে ট্রলারে ওই দুই শিক্ষার্থী একা পেয়ে পাঁচখোলা গ্রামের জলিল মোড়লের ছেলে মাসুদ মোড়ল ও একই গ্রামের নান্নু মোল্লার ছেলে রুবেল মোল্লা ট্রলার থামিয়ে কালিকাপুরের একটি পরিত্যক্ত গরুর খামারে নিয়ে যায়। পরে হত্যার হুমকি দিয়ে মুখ বেঁধে এক শিক্ষার্থীকে নৌকায় ও আরেকজনকে ওই গরুর খামারেই পালাক্রমে ধর্ষণ করে বখাটে মাসুদ ও রুবেল। একপর্যায়ে ওই দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে পালিয়ে যায় তারা।

মঙ্গলবার ভোরে মুসল্লীরা নামাজ পড়তে বের হয়ে ওই দুই শিক্ষার্থীকে কান্নাকাটি করা অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে শিক্ষার্থীদের গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় দোষীদের বিচার দাবি করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

এদিকে এ ঘটনায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত মাসুদ ও রুবেলকে আটক করেছে পুলিশ।

ধর্ষিতা এক কিশোরী বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় শহরের ট্রলার ঘাট এলাকা থেকে গ্রামের বাড়ি জাফরাবাদ এলাকায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে তাদের নৌকায় তুলে নিয়ে যায়। রাতে এক কিশোরীকে নৌকায় এবং অপর কিশোরীকে নদীর পাড়ের একটি গরুর খামারে নিয়ে ধর্ষণ করে ফেলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ বলেন, দুই কিশোরী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। দুই কিশোরীর আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। পরবর্তীতে রিপোর্ট দেয়া হবে।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লা বলেন, এই ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। ধর্ষিতার পরিবার মামলা করলে মামলা নেয়া হবে এবং সকল ধরনের আইনগত সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

বঙ্গবন্ধুর খুনিদের চিহ্নিত করতে কমিশন গঠন হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর খুনিদের চিহ্নিত করতে কমিশন গঠন হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়তিদরে চহ্নিতি করতে একটি কমশিন গঠনরে ব্যাপারে সরকার নীতগিতভাবে একমত বলে জানয়িছেনে আইন, বচিার ও সংসদ বষিয়ক মন্ত্রী আনসিুল হক। তনিি জানান, এই কমশিন হবে অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ একটি প্রতষ্ঠিান। কারণ এটি অত্যন্ত গুরু দায়ত্বি পালন করব।ে তাই প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা ও মন্ত্রপিরষিদরে সদস্যরা একসঙ্গে বসে কমশিনরে র্কমপরধিি নর্ধিারনরে পাশাপাশি কমশিনরে চয়োরম্যান ও সদস্য মনোনয়নরে সদ্ধিান্ত নবিনে। তনিি বলনে, আমি একা এই সদ্ধিান্ত দতিে পারবো না। তবে খুব শগিগরিই আমি এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবো এবং আলোচনার পরে যে সদ্ধিান্ত সমষ্টগিতভাবে নয়ো হবে তা মডিয়িাকে জানানো হব।

জাতরি পতিা বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমানরে ৪৪ তম শাহাদাত র্বাষকিী ও জাতীয় শোক দবিস পালন র্কমসূচরি অংশ হসিবেে আইন, বচিার ও সংসদ বষিয়ক মন্ত্রণালয়রে উদ্যোগে সোমবার দুপুরে ঢাকার তজেগাঁওয়ে সরকারি শশিু পরবিাররে দড়ে শতাধকি অবহলেতি ও সুবধিা বঞ্চতি শশিুর মাঝে উন্নতমানরে খাবার পরবিশেন অনুষ্ঠানে সাংবাদকিদরে প্রশ্নরে জবাবে এসব কথা বলনে তনি।

তারকে রহমানকে ফরিয়িে আনার ব্যাপারে তনিি বলনে, একুশে আগস্ট গ্রনেডে হামলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক সকল আসামীকে ফরিয়িে আনার চষ্টো করছে সরকার। তনিি বলনে, নশ্চিয়ই তারকে রহমানকে ফরিয়িে এনে একুশে আগস্ট গ্রনেডে হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং মানি লন্ডারংি মামলায় সাত বছররে কারাদণ্ড প্রদানরে রায় র্কাযকররে চষ্টো সরকার চালয়িে যাচ্ছে এবং চালয়িে যাব।

খালদো জয়িার কারা মুক্তরি বষিয়ে বএিনপি আর্ন্তজাতকি মহলরে সরনাপন্ন হব-ে এই তথ্য সাংবাদকিরা আইনমন্ত্রীকে জানালে তনিি বলনে, বএিনপি আসলে বাংলাদশেে বশ্বিাস করে না। তারা মৌখকিভাবে বাংলাদশেরে রাজনীতি কর।ে যখনই তারা ক্ষমতায় গছেে তখনই তারা বাংলাদশেরে র্স্বাথরে সঙ্গে সংঘাতর্পূণ কাজ করছে।ে তনিি এর উদাহরণ হসিবেে বলনে, বএিনপি মুজাহদি ও নজিামীকে মন্ত্রী বানয়িছে।ে শাহ আজজিুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করছে।ে ইনডমেনটিি র্অডনিন্সে করছে।ে তনিি বলনে, আজকওে তারা বদিশেদিরে সঙ্গে কথা বলার যে হুমকি দচ্ছি,ে সগেুলো তাদরে সইে রাজনীতরিই ধারাবাহকিতা।

তনিি বলনে, খালদো জয়িাকে এতমিরে টাকা চুররি দায়ে দু’টি আদালত দশেরে প্রচলতি আইনে সাজা দয়িছেে । সরকাররে এখানে কছিু করার নইে। তনিি বলনে, ২০০৭ সালে এই মামলা করছেে র্দুনীতি দমন কমশিন (দুদক)। মামলায় বহুবার হাইর্কোট ও আপলি বভিাগে হরেে যাওয়ায় বচিারকি আদালতে তার সাজা হয়ছেে এবং সটো আদালতইে শষে হব।ে তনিি বলনে, আদালত যে সদ্ধিান্ত নবিে সটোই সরকার মনেে নবিে এবং সটো আদালতইে হব।ে
এর আগে এক অনারম্বড় অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী তাঁর সংক্ষপ্তি বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধুর নীতি ও আর্দশ তুলে ধরনে এবং শশিুদরেকে বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে ধারণ করার পরার্মশ দনে।

অনুষ্ঠান শষেে তনিি তজেগাঁও সরকারি শশিু পরবিাররে দড়ে শতাধকি অবহলেতি ও সুবধিা বঞ্চতি শশিুর মাঝে উন্নতমানরে খাবার পরবিশেন র্কাযক্রম পরর্দিশন করনে এবং শশিুদরে সঙ্গে কুশল বনিমিয় করনে।
অনুষ্ঠানে আইন, বচিার ও সংসদ বষিয়ক মন্ত্রণালয়রে লজেসিলটেভি ও সংসদ বষিয়ক বভিাগরে সনিয়ির সচবি মোহাম্মদ শহদিুল হক, আইন ও বচিার বভিাগরে সচবি মো. গোলাম সারোয়ার এবং তজেগাঁও সরকারি শশিু পরবিার ও সমাজসবো অধদিপ্তররে সংশ্লষ্টি র্কমর্কতারা বক্তৃতা করনে।

নবম ওয়েজবোর্ডের গেজেট প্রকাশে বাধা নেই

হাইকোর্টে

সিলেট টুয়েন্টিফোর এক্সপ্রেস ডেস্ক : সংবাদপত্র ও বার্তা সংস্থার কর্মীদের নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণে গঠিত নবম ওয়েজবোর্ডের গেজেট প্রকাশের ওপর হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থার আদেশ আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।

এই আদেশের ফলে নবম ওয়েজবোর্ডের গেজেট প্রকাশে আর কোনো বাধা থাকলো না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যদিকে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ।

গত ২৫ জুলাই সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের জানান, নবম ওয়েজ বোর্ডের সুপারিশ চূড়ান্ত হয়েছে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন করলে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। এরই একপর্যায়ে গত ৫ আগস্ট নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব।

পর দিন ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে নবম ওয়েজ বোর্ডের সুপারিশ বাস্তবায়নে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশে দুই মাসের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি রুলও জারি করা হয়। রুলে শ্রম আইনের ১২৮ বিধি অনুযায়ী অংশীজনের (মালিক) আপত্তি উত্থাপনের সুযোগ না দিয়ে একতরফাভাবে নবম ওয়েজ বোর্ডের চূড়ান্তকরণ এবং গেজেট জারির সুপারিশ করে তা সরকারের কছে পাঠানো কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়। পরে হাইকোর্টের ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে তথ্যসচিব, শ্রমসচিব, নবম ওয়েজবোর্ডের চেয়ারম্যান, মন্ত্রিসভা কমিটির আহ্বায়কের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্নিষ্ট শাখায় ৮ আগস্ট আবেদন করা হয়। এরপর ১৪ আগস্ট ওই আবেদনটি নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে পাঠিয়ে দেন চেম্বার বিচারপতির আদালত। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার শুনানি গ্রহণের পর আদেশের দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ।

মিন্নির জবানবন্দির বিষয়ে জানতে চান হাইকোর্ট

মিন্নির

অনলাইন ডেস্ক : বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে কখন গ্রেফতার করা হয়েছে, আদালতে নেওয়া হয়েছে ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং পুলিশ সুপার কবে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) মিন্নির আইনজীবীকে এ সংক্রান্ত তথ্য সম্পূরক আবেদন আকারে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়ে মঙ্গলবার দুপুর ২টা পর্যন্ত মিন্নির জামিন শুনানি মুলতবি করেছেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারোয়ার হোসাইন বাপ্পী।

গত ৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে ঘণ্টাব্যাপী শুনানি শেষে জামিন প্রশ্নে রুল জারি করতে গেলে আইনজীবীরা আবেদন ফেরত নেন।

এরপর ১৮ আগস্ট (রোববার) উক্ত বেঞ্চে জামিন আবেদনটি উপস্থাপন করা হয়।

তার আগে গত ৫ আগস্ট (সোমবার) মিন্নির জামিন আবেদনের কথা জানিয়েছিলেন জেড আই খান পান্না।

২৬ জুন প্রকাশ্য দিবালোকে বরগুনা সরকারি কলেজ রোডে স্ত্রী মিন্নির সামনে কুপিয়ে জখম করা হয় রিফাত শরীফকে। পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড ২ জুলাই ভোরে জেলা সদরের বুড়িরচর ইউনিয়নের পুরাকাটা ফেরিঘাট এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নয়ন নিহত হন। এর মধ্যে আরও কয়েকজন আসামিকেও গ্রেফতার করা হয়।

১৬ জুলাই সকালে বরগুনার মাইঠা এলাকায় বাবার বাসা থেকে মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বরগুনার পুলিশ লাইনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রিফাত হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় ওই দিন রাত ৯টার দিকে মিন্নিকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

পরদিন ১৭ জুলাই বিকেলে মিন্নিকে আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। বিকেল সোয়া ৩টার দিকে শুনানি শেষে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সিরাজুল ইসলাম গাজী পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই দিন মিন্নির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন ১৯ জুলাই বিকেল ৫টার দিকে বরগুনা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে মিন্নি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

২২ জুলাই বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রথমবার মিন্নির জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবুল বারী আসলাম। ওই দিনই শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এরপর ২৩ জুলাই মিস কেস দাখিল করে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামানের আদালতে ফের জামিনের আবেদন করেন মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবুল বারী আসলাম। পরে, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নথি তলব করে ৩০ জুলাই এ জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত। শুনানির পর জামিন আবেদন নাকচ করেন আদালত।

নবম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে আপিলের আদেশ মঙ্গলবার

হাইকোর্টে

অনলাইন ডেস্ক : সংবাদপত্রকর্মীদের নতুন বেতন কাঠামো নবম ওয়েজ বোর্ডের গেজেট প্রকাশের ওপর দুই মাসের স্থিতাবস্থা দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে।

সোমবার শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ বিষয়ে আদেশের জন্য মঙ্গলবার দিন রেখেছেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) পক্ষে ছিলেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এএফ হাসান আরিফ।

এর আগে নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ ৬ আগস্ট মঙ্গলবার রুলসহ গেজেট প্রকাশে দুই মাসের স্থিতাবস্থার আদেশ দেন।

এ আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর ১৪ আগস্ট আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামানের আদালত আবেদনটি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য ১৯ আগস্ট দিন ধার্য করেছিলেন।

হাইকোর্টে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী ইউসুফ আলী।

প্রসঙ্গত, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে আহ্বায়ক করে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় এ নবম ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ বাস্তবায়ন সম্পর্কিত মন্ত্রিসভা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।

ওইসময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, নবম ওয়েজ বোর্ডে সাংবাদিক-কর্মচারীদের পাঁচটি শ্রেণিতে ১৫টি গ্রেড রয়েছে। প্রথম তিনটি গ্রেডে মূল বেতনের ৮০ শতাংশ এবং নিচের তিন গ্রেডে ৮৫ শতাংশ বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া ৬০-৭০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া বাড়ানোর সুপারিশের পাশাপাশি মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখীভাতা যুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

গত বছরের ৪ নভেম্বর সাংবাদিকদের জন্য নবম ওয়েজ বোর্ডের রোয়েদাদের সুপারিশ তথ্যমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন নবম ওয়েজ বোর্ডের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক। এ সুপারিশ মন্ত্রিসভায় উত্থাপিত হয়।
এর আগে আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. নিজামুল হককে প্রধান করে গত বছর ২৯ জানুয়ারি ১৩ সদস্যের নবম ওয়েজ বোর্ড গঠন করা হয়।

আজও হাইকোর্টে উঠবে মিন্নির জামিনের আবেদন

মিন্নি

সিলেট টুয়েন্টিফোর এক্সপ্রেস ডেস্ক : বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি বনে যাওয়া স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন চেয়ে দাখিলকৃত আবেদন আজ (রোববার) হাইকোর্টে শুনানির জন্য উত্থাপন করা হবে।
ফৌজদারি মোশন সংক্রান্ত যে কোনো একটি ডিভিশন বেঞ্চে এই আবেদন পেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট জেডআই খান পান্না।

তিনি বলেন, আজ আদালতে জামিন আবেদন পেশ করবো। আদালত যেদিন শুনানির জন্য দিন ধার্য করে দেবেন, সেদিন শুনানি হবে।

গত ৮ আগস্ট হাইকোর্টের একটি অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চ মিন্নিকে জামিন দেয়নি। এ অবস্থায় তার আইনজীবী আবেদনটি ফেরত দেয়ার আবেদন জানালে হাইকোর্ট তা মঞ্জুর করে। ঐদিন রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোমতাজ উদ্দিন ফকির জামিনের তীব্র বিরোধিতা করেন।

তিনি বলেন, মিন্নি রিফাত হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড। হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে সে একাধিকবার নয়ন বন্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এছাড়া পুলিশের কাছে যে ভিডিও ফুটেজ রয়েছে তাতে মিন্নির গতিবিধি সন্দেহজনক।

এই মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মিন্নির নাম এসেছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে নিজেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ অবস্থায় তাকে জামিন দেয়া ঠিক হবে না।

রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গত জুলাই মাসে ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালত মিন্নির জামিন আবেদন খারিজ করে দেয়। পরে ওই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে তিনি জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।