Breaking News
loading...
Home / আইন আদালত / প্রধান বিচারপতির ছুটি নিয়ে বিতর্ক

প্রধান বিচারপতির ছুটি নিয়ে বিতর্ক

সুরেন্দ্র কুমার সিনহা
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (ফাইল ছবি)

নিজস্ব প্রতিবেদক : থামছেই না প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার ছুটি নিয়ে বিতর্ক। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ব্যক্তিগত কারণে ছুটিতে গিয়েছেন নাকি সরকার তাকে ছুটিতে যেতে বাধ্য করেছে এ বিষয়টি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই চলছে নানা অনুমান, সন্দেহ এবং বিতর্ক। প্রধান বিচারপতি গৃহবন্দি কি-না এ বিষয়টি নিয়েও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। এদিক এ ধরনের অনুমান কিংবা সন্দেহকে সরকার অবাস্তব বলে বর্ণনা করছে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, প্রধান বিচারপতিকে জোর করে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, প্রধান বিচারপতির ছুটি নিয়ে রাজনীতি না করার আহবান জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় নিয়ে ক্ষমতাসীনদের তোপের মুখে থাকা প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার ‘বেহাল অবস্থা’ করে দিয়ে সরকার বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি নস্যাৎ করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মওদুদ আহমদ।

গতকাল রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ন্যায় বিচারের প্রতীক, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রতিনিধিত্বকারী বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির ‘যে বেহাল অবস্থা বর্তমান সরকার করেছে’, তার ফলে সর্বোচ্চ আদালতের তথা বিচার বিভাগের সম্মান-মর্যাদা-ভাবমূর্তি নস্যাৎ হয়েছে।

‘আজকে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের নালিশের অন্যতম কারণ হচ্ছে, তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা একজনের জন্য হয় নাই, সবার জন্য হয়েছে। এটা কী তিনি মিথ্যা কথা বলেছেন? এ কথাটা বলাতেই তাদের (সরকার) এতো বিদ্বেষ ও ক্ষোভ তার বিরুদ্ধে!’

প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশের অযৌক্তিকতা তুলে ধরে মওদুদ বলেন, গুটি কয়েক মানুষ ছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সবাই ত্যাগ স্বীকার করেছেন; ‘দেশের সব শ্রেণির মানুষ- এই শ্রমিক বলেন, কৃষক বলেন, ছাত্র বলেন’- সবাই ত্যাগ স্বীকার করেছেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের উদ্যোগে ‘চলমান সংকটের সমাধান কোন পথে’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা হয়।
এদিকে প্রধান বিচারপতির জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ এনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বক্তব্য ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গতকাল বিকেলে ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতিকে গৃহবন্দি করে রাখা হলে তিনি মন্দির ও অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনে কি করে গেলেন।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, প্রেসিডেন্টকে লেখা চিঠিতে প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন তিনি ক্যান্সারের রোগী, আরও অন্যান্য রোগে তিনি আক্রান্ত। ফলে তার বিশ্রাম দরকার।’ বিরোধী রাজনৈতিক প্রধান বিচারপতির ছুটি নিয়ে যে অবিশ্বাস, অনুমান এবং সন্দেহের কথা বলছে সেটি অমূলক। তাছাড়া অসুস্থতা সবসময় জানান দিয়ে আসেনা তাই এনিয়ে রাজনীতি-করণের কোনো কারণ নেই।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদিন মনে করেন, ষোড়শ সংশোধনীর রায় নিয়ে সরকারের চাপের মুখে প্রধান বিচারপতি ছুটিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

পার্লামেন্টেও এ বিষয়ে মন্তব্য করা হয়েছে। অতীতে তো কখনো এ ধরনের ছুটির প্রশ্ন আসে নাই। তারপরে উনি তো দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে আসলেন। নিশ্চয়ই এ রকম কিছু থাকতে পারে বলে মনে করেন জয়নুল আবেদিন। মাস দু’য়েক আগে ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের পর্যবেক্ষণকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা প্রধান বিচারপতির কড়া সমালোচনা করেছেন। সে সময় সরকারের একজন সিনিয়র মন্ত্রী বলেছিলেন, প্রধান বিচারপতি পদত্যাগ না করলে আন্দোলন করা হবে।
আওয়ামী লীগ সমর্থিত একটি সহযোগী সংগঠন প্রধান বিচারপতির পদত্যাগের দাবিতে কর্মসূচিও দিয়েছিল। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ক্যান্সারে আক্রান্ত এবং চিকিৎসার জন্য তিনি ছুটি নিয়েছেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদিন বলছেন, প্রধান বিচারপতি যে ক্যান্সারে ভুগছেন সেটি তাদের জানা ছিল না।

প্রধান বিচারপতি চাপের মুখে ছুটিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন- সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির এমন দাবির বিপরীতে সরকার এখনও পর্যন্ত ‘গ্রহণযোগ্য’ ব্যাখ্যা বা বক্তব্য দিতে পারেনি বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

প্রেসিডেন্টের কাছে চিঠিতে যা লিখেছেন প্রধান বিচারপতি
কী লিখেছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (এসকে সিনহা) তার এক মাসের ছুটির চিঠিতে। এ নিয়ে গত দুদিন ধরে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌত‚হল দেখা দিয়েছে। গত বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরলেন এসকে সিনহার সেই চিঠি। প্রেসিডেন্ট বরাবর প্রধান বিচারপতির লেখা চিঠির বিষয়-এ লেখা হয়েছে- অসুস্থতাজনিত কারণে ৩রা অক্টোবর ২০১৭ খ্রি. থেকে ১লা নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত ৩০ দিনের ছুটির আবেদন। এরপর লেখা হয়েছে, মহাত্মন, আপনার সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আমি গত বেশ কিছুদিন যাবত নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় ভুগছি। আমি ইতিপূর্বে ক্যানসার রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন ছিলাম। বর্তমানে আমি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছি। আমার শারীরিক সুস্থতার জন্য বিশ্রামের একান্ত প্রয়োজন। ফলে আমি আগামী ৩রা অক্টোবর ২০১৭ খ্রি. হতে ১লা নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত ৩০ দিনের ছুটি ভোগ করতে ইচ্ছুক। চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, এমতাবস্থায় আগামী ৩রা অক্টোবর ২০১৭ খ্রি. হতে ১লা নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত ৩০ (ত্রিশ) দিনের ছুটির বিষয়ে মহাত্মনের সানুগ্রহ অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। চিঠির নিচে সুরেন্দ্র কুমার সিনহার স্বাক্ষর রয়েছে। গতকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনমন্ত্রী প্রধান বিচারপতির পুরো চিঠিটি পড়েও শোনান। পরে টেলিভিশনের ক্যামেরার সামনে ওই চিঠি তিনি তুলে ধরেন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের চিঠির ছবি তোলার অনুমতি দেন। পরে আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকের হাত থেকে সাংবাদিকরা প্রধান বিচারপতির ছুটির আবেদনের ছবি তুলে নেন। চিঠি পড়ে শোনানোর পর আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে
প্রধান বিচারপতি যখন অসুস্থতা বা অন্য কারণে তার কাজ করতে অসমর্থ হন তখন প্রবীণতম বিচারপতি প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব অস্থায়ীভাবে পালন করেন। এসকে সিনহা ছুটিতে যাওয়ায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আপিল বিভাগের সিনিয়র বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিঞা। এর আগে গত সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা প্রেসিডেন্টের কাছে এক মাসের ছুটির জন্য আবেদন করেন। ওইদিন বিকেল ৫টার দিকে চিঠিটি প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠান তিনি।
প্রধান বিচারপতিকে জোর করে দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হয়েছে : বিএনপি

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহাকে সরকার জোর করে ছুটি নিতে বাধ্য করেছে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, মাননীয় প্রধান বিচারপতি অসুস্থ নন। তাকে জোর করে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকার নোংরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো। সর্বোচ্চ আদালতের সর্বোচ্চ বিচারপতির সঙ্গে এমন আচরণ করা থেকে প্রমাণিত হয় যে, সরকার অস্তিত্ব সঙ্কটের ভীতিতে বেসামাল হয়ে পড়েছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান তিনি।

গত বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রধান বিচারপতি মাত্র ক’দিন আগে জাপান ও কানাডা সফর করে এসেছেন। এসব দেশে উন্নত চিকিৎসার থাকা সত্তে¡ও তিনি সেখানে কোনো চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন বলে দেশবাসী জানে না।

তিনি বলেন প্রধান বিচারপতি অসুস্থ নন। তাকে জোর করে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালতের সর্বোচ্চ বিচারপতির সঙ্গে এমন আচরণ করা থেকে প্রমাণিত হয় যে, সরকার অস্তিত্ব সঙ্কটের ভীতিতে বেসামাল হয়ে পড়েছে।

মির্জা আলমগীর বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনী প্রহসনের মাধ্যমে অনুগত বিরোধী দল সাজিয়ে প্রকৃতপক্ষে একদলীয় সরকার কায়েম করেছে। প্রশাসন ও নিম্ন আদালতকে কুক্ষিগত করেছে। অবাধে রাজনৈতিক তৎপরতা চালানো এবং স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকার প্রতিনিয়ত বাধাগ্রস্ত করছে। গুম, খুন, মিথ্যা মামলা দিয়ে বিরোধী মতের জনগণের জন্য স্বাভাবিক রাজনৈতিক তৎপরতা চালানো অসম্ভব করে তুলেছে। এ পরিস্থিতিতে সুবিচার পাওয়ার সর্বশেষ ভরসাস্থল উচ্চ আদালতও আজ স্বৈরাচারী সরকারের আক্রমণের শিকারে পরিণত হয়েছে। সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের সর্বসম্মত রায় দেওয়ার পর থেকে সর্বোচ্চ আদালত এবং তার সম্মানিত বিচারপতিগণকে সরকার প্রধান থেকে সরকারের মন্ত্রীবর্গ ও সরকারি দল ও জোটের নেতাকর্মীরা অসাংবিধানিক, অযৌক্তিক ও কুৎসিত ভাষায় সমালোচনা করে চলেছেন। এমনকি জাতীয় সংসদে যে ভাষায় সর্বোচ্চ আদালত ও তার বিচারপতিগণের সমালোচনা করা হয়েছে তা শুধু অভ‚তপূর্ব নয়-অস্বাভাবিকও। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা সর্বোচ্চ আদালতের বিরুদ্ধে সরকারের এহেন আক্রোশমূলক, ঘৃণ্য আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই এবং শক্তি প্রয়োগের দ্বারা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণের মাধ্যমে বিচার বিভাগকে অনুগত করার সরকারি অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহŸান জানাচ্ছি।

একজন বিচারকের জন্য বিচারকাজ থেমে থাকে না : অ্যাটর্নি জেনারেল
একজন বিচারকের জন্য বিচার বিভাগের কাজ থেমে থাকে না বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি বলেছেন, ছুটিতে যাওয়া প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা কোথায় আছেন- এমন বিষয়ে যারা ‘বেশি উৎসাহী’ তারাই তাকে খুঁজে দেখুক। অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেছেন, কোন বিচারপতি আদালতে আসলেন, গেলেন এটি দেখার দায়িত্ব আমার না। আমি কারো দারোয়ান নই। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। ছুটিতে যাওয়া প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিষয়ে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের বিভিন্ন বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, প্রধান বিচারপতির ছুটিতে যাওয়া নিয়ে যারা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তারা নিজেরাই এ উদ্বেগ সৃষ্টি করেছেন। প্রধান বিচারপতি কোথায় আছেন, কোথায় থাকবেন সেটি জানাতো আমার দায়িত্ব না। আমার দায়িত্ব আদালতের মামলা করা। যারা এ বিষয়ে বেশি উৎসাহী তারাই তাকে খুঁজে দেখুক।

ছুটিতে যাওয়া প্রধান বিচারপতির অবর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারিক কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা বলেন, কোনোরকম প্রভাব পড়বে না। কারণ এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তিনি যদি ছুটিতে যেতে চান, তাহলে ছুটিতে যাবেন। এ নিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ নেই। আর যারা এটি নিয়ে রাজনীতি করছেন, তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করছেন। বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের দিকে ইঙ্গিত করে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন একটি রাজনৈতিক দলের কব্জায় চলে গেছে।

এদিকে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেননি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। হেয়ার রোডের বাসায় অবস্থানরত ছুটিতে থাকা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করতে গতকাল বিকেলে নেতারা রওনা হন। এ সময় মৎস্য ভবনের সামনে পৌঁছালে তাদের আটকে দেয় পুলিশ। শেষ পর্যন্ত তারা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে না পেরে ফিরে যান।

Loading...
loading...

ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন



Loading...

About admin

Check Also

পাসপোর্ট দালাল চক্রের ২০ সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

পাসপোর্ট দালাল চক্রের ২০ সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

নিজস্ব প্রতিবেদক :  রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের সামনে থেকে দালাল চক্রের ২০ সদস্যকে আটকের পর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *