Breaking News
loading...
Home / ইসলাম / কোরবানি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি বড় মাধ্যম

কোরবানি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি বড় মাধ্যম

কোরবানি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি বড় মাধ্যম

মনির হোসেন হেলালী  : আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করা, ত্যাগ স্বীকার করা, উৎসর্গ করা ইত্যাদির নাম কোরবানি। ইমাম আওযায়ী, ইমাম লাইস, ইমাম আবু হানিফা (রহ.) প্রমুখের মতে কোরবানি করা ওয়াজিব। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার নবীকে কোরবানি করতে নির্দেশ দিয়েছেন। বলেছেন- ‘আপনি আপনার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় করুন ও কোরবানি করুন।’ (সুরা কাওসার :২)

এ আয়াতে ঈদের সালাত আদায় করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে ও কোরবানির পশু জবেহ করতে আদেশ করা হয়েছে। তাই রাসুলুল্লাহ (স.) সারা জীবন কোরবানির ব্যাপারে অত্যন্ত যত্নবান ছিলেন। হাদিসে এসেছে- সাহাবি ইবনে উমর রাদি আল্লাহু বলেছেন, নবীকারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দশ বছর মদিনাতে ছিলেন, প্রতি বছর কোরবানি করেছেন। (আহমদ ও তিরমিজি, আহমদ শাকের হাদিসটিকে সহীহ বলেছেন )
কোরবানির প্রচলন

আল্লাহর নবী ইবরাহিম আলাইহিস সালাম স্বীয় পুত্র ইসমাঈল আলাইহিস সালামকে কোরবানি করার অনন্য ঈমানী পরীক্ষা থেকে বর্তমান পদ্ধতির কোরবানির সূচনা হয়েছে। আর আল্লাহর উদ্দেশ্যে পশু জবেহ করা তিন প্রকার হতে পারে- ১. হাদি ২. কোরবানি ৩. আকিকাহ।

তাই কোরবানি বলা হয় ঈদুল আজহার দিনগুলোতে নির্দিষ্ট প্রকারের গৃহপালিত পশু আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্য জবেহ করাকে।

ইসলামী শরীয়তে এটি ইবাদাত হিসেবে সিদ্ধ, যা কোরআন, হাদিস ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্যমত দ্বারা প্রমাণিত। কোরআন মাজিদে এসেছে- ‘তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর ও পশু কোরবানি কর।’ (সুরা কাওসার : ২)

‘বল, আমার সালাত, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মরণ জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই উদ্দেশ্যে। তার কোনো শরিক নাই এবং আমি এর জন্য আদিষ্ট হয়েছি আর আমিই প্রথম মুসলিম।’ (সুরা আনআম : ১৬২-১৬৩)

হাদিসে এসেছে- বারা ইবনে আযিব রাদি আল্লাহু থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ঈদের সালাতের পর কোরবানির পশু জবেহ করল তার কোরবানি পরিপূর্ণ হলো ও সে মুসলিমদের আদর্শ সঠিকভাবে পালন করল। (বুখারি- ৫৫৪৫, মুসলিম-১৯৬১)

আনাস ইবনে মালিক রাদি আল্লাহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ হাতে দুটি সাদা কালো বর্ণের দুম্বা কোরবানি করেছেন। তিনি বিসমিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার বলেছেন। তিনি পা দিয়ে দুটো কাঁধের পাশ চেপে রাখেন। (বুখারি-৫৫৬৫, মুসলিম-১৯৬৬) তবে বুখারিতে ‘সাদা-কালো’ শব্দের পূর্বে ‘শিংওয়ালা’ কথাটি উলে­খ আছে।

কোরবানির ফজিলত

(ক) কোরবানি দাতা নবী ইবরাহিম আলাইহিস সালাম ও মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আদর্শ বাস্তবায়ন করে থাকেন।

(খ) পশুর রক্ত প্রবাহিত করার মাধ্যমে কোরবানি দাতা আল্লাহ রাববুল আলামিনের নৈকট্য অর্জন করেন। যেমন আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আল্লাহর নিকট পৌঁছায় না তাদের গোশত এবং রক্ত, বরং পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া। এভাবে তিনি এগুলোকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন যাতে তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর এজন্য যে, তিনি তোমাদের পথ-প্রদর্শন করেছেন; সুতরাং আপনি সুসংবাদ দিন সৎকর্মপরায়ণদের।’ (সুরা হজ্ব : ৩৭)

(গ) পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী ও অভাবীদের আনন্দ দান। আর এটা অন্য এক ধরনের আনন্দ যা কোরবানির গোশতের পরিমাণ টাকা যদি আপনি তাদের সদকা দিতেন তাতে অর্জিত হত না। কোরবানি না করে তার পরিমাণ টাকা সদকা করে দিলে কোরবানি আদায় হবে না।

কোরবানির শর্তাবলি

(১) এমন পশু দ্বারা কোরবানি দিতে হবে যা শরিয়ত নির্ধারণ করে দিয়েছে। সেগুলো হল উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা। এগুলোকে কোরআনের ভাষায় বলা হয় ‘বাহিমাতুল আনআম।’ যেমন ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য কোরবানির নিয়ম করে দিয়েছি; তিনি তাদেরকে জীবনোপকরণ স্বরূপ যে সকল চতুষ্পদ জন্তু দিয়েছেন, সেগুলোর ওপর যেন তারা আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে।’ (সুরা হজ : ৩৪) হাদিসে এসেছে, ‘তোমরা অবশ্যই নির্দিষ্ট বয়সের পশু কোরবানি করবে। তবে তা তোমাদের জন্য দুষ্কর হলে ছয় মাসের মেষ-শাবক কোরবানি করতে পার।’ (মুসলিম- ১৯৬৩) আর আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালৈম উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা ছাড়া অন্য কোনো জন্তু কোরবানি করেননি ও কোরবানি করতে বলেননি। তাই কোরবানি শুধু এগুলো দিয়েই করতে হবে। ইমাম মালিক (রহ.)-এর মতে কোরবানির জন্য সর্বোত্তম জন্তু হল শিংওয়ালা সাদা-কালো দুম্বা। কারণ রাসুলে কারিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম এ ধরনের দুম্বা কোরবানি করেছেন বলে বুখারি ও মুসলিমের হাদিসে এসেছে। উট ও গরু-মহিষে সাত ভাগে কোরবানি দেয়া যায়। যেমন হাদিসে এসেছে, ‘আমরা হুদাইবিয়াতে রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর সাথে ছিলাম। তখন আমরা উট ও গরু দ্বারা সাত জনের পক্ষ থেকে কোরবানি দিয়েছি।’ (ইবনে মাজা- ৩১৩২, হাদিসটি সহীহ)

গুণগত দিক দিয়ে উত্তম হলো কোরবানির পশু হৃষ্টপুষ্ট, অধিক গোশত সম্পন্ন, নিখুঁত, দেখতে সুন্দর হওয়া।

(২) শরিয়তের দৃষ্টিতে কোরবানির পশুর বয়সের দিকটা খেয়াল রাখা জরুরি। উট পাঁচ বছরের হতে হবে। গরু বা মহিষ দুই বছরের হতে হবে। ছাগল, ভেড়া, দুম্বা হতে হবে এক বছর বয়সের।

(৩) কোরবানির পশু যাবতীয় দোষ-ত্র“টি মুক্ত হতে হবে। যেমন হাদিসে এসেছে, সাহাবি আল-বারা ইবনে আযেব রাদি অল্লাহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মাঝে দাঁড়ালেন তারপর বললেন, চার ধরনের পশু, যা দিয়ে কোরবানি জায়েজ হবে না। অন্য বর্ণনায় বলা হয়েছে পরিপূর্ণ হবে না- অন্ধ; যার অন্ধত্ব স্পষ্ট, রোগাক্রান্ত; যার রোগ স্পষ্ট, পঙ্গু ; যার পঙ্গুত্ব স্পষ্ট এবং আহত; যার কোনো অঙ্গ ভেঙ্গে গেছে। নাসায়ির বর্ণনায় ‘আহত’ শব্দের স্থলে ‘পাগল’ উলে­খ আছে। (তিরমিজি-১৫৪৬, নাসায়ি- ৪৩৭১, হাদিসটি সহীহ )
আবার পশুর এমন কতগুলো ত্র“টি আছে যা থাকলে কোরবানি আদায় হয় কিন্তু মাকরুহ হবে। এসব দোষ-ত্রুটিযুক্ত পশু কোরবানি না করা ভালো। সে ত্রুটিগুলো হলো শিং ভাংগা, কান কাটা, লেজ কাটা, ওলান কাটা, লিঙ্গ কাটা ইত্যাদি।

(৪) যে পশুটি কোরবানি করা হবে তার ওপর কোরবানি দাতার পূর্ণ মালিকানা স্বত্ব থাকতে হবে। বন্ধকি পশু, কর্জ করা পশু বা পথে পাওয়া পশু দ্বারা কোরবানি আদায় হবে না।
কোরবানির নিয়মাবলি
কোরবানির জন্য পশু পূর্বেই নির্ধারণ করতে হবে। এর জন্য নিম্নোক্ত দুটো পদ্ধতির একটি নেয়া যেতে পারে।

(ক) মুখের উচ্চারণ দ্বারা নির্দিষ্ট করা যেতে পারে। এভাবে বলা যায় যে ‘এ পশুটি আমার কোরবানির জন্য নির্দিষ্ট করা হলো।’ তবে ভবিষ্যৎ বাচক শব্দ দ্বারা নির্দিষ্ট হবে না। যেমন বলা হলো- ‘আমি এ পশুটি কোরবানির জন্য রেখে দেব।’

(খ) কাজের মাধ্যমে নির্দিষ্ট করা যায় যেমন কোরবানির নিয়তে পশু ক্রয় করল অথবা কোরবানির নিয়তে জবেহ করল। যখন পশু কোরবানির জন্য নির্দিষ্ট করা হলো তখন নিম্নোক্ত বিষয়াবলি কার্যকর হয়ে যাবে।

প্রথমত : এ পশু কেরবানি ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না, দান করা যাবে না, বিক্রি করা যাবে না। তবে কোরবানি ভালোভাবে আদায় করার জন্য তার চেয়ে উত্তম পশু দ্বারা পরিবর্তন করা যাবে।

দ্বিতীয়ত : যদি পশুর মালিক ইন্তেকাল করেন তাহলে তার ওয়ারিশদের দায়িত্ব হলো এ কোরবানি বাস্তবায়ন করা।

তৃতীয়ত : এ পশুর থেকে কোনো ধরনের উপকার ভোগ করা যাবে না। যেমন দুধ বিক্রি করতে পারবে না, কৃষিকাজে ব্যবহার করতে পারবে না, সওয়ারি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না, পশম বিক্রি করা যাবে না। যদি পশম আলাদা করে তবে তা সদকা করে দিতে হবে, বা নিজের কোনো কাজে ব্যবহার করতে পারবে, বিক্রি করে নয়।
চতুর্থত : কোরবানি দাতার অবহেলা বা অযতেœর কারণে যদি পশুটি দোষযুক্ত হয়ে পড়ে বা চুরি হয়ে যায় অথবা হারিয়ে যায় তাহলে তার কর্তব্য হবে অনুরূপ বা তার চেয়ে ভালো একটি পশু ক্রয় করা।

আর যদি অবহেলা বা অযত্নের কারণে দোষযুক্ত না হয়ে অন্য কারণে হয়, তাহলে দোষযুক্ত পশু কোরবানি করলে চলবে।

যদি পশুটি হারিয়ে যায় অথবা চুরি হয়ে যায় আর কোরবানি দাতার ওপর পূর্ব থেকেই কোরবানি ওয়াজিব হয়ে থাকে তাহলে সে কোরবানির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি লাভ করবে। আর যদি পূর্ব থেকে ওয়াজিব ছিল না কিন্তু সে কোরবানির নিয়তে পশু কিনে ফেলেছে তাহলে চুরি হয়ে গেলে বা মরে গেলে অথবা হারিয়ে গেলে তাকে আবার পশু কিনে কোরবানি করতে হবে।
ইবরাহিম (আ.)-এর কোরবানি

আত্মত্যাগের মহান নায়ক ইবরাহিম আলাইহিস সালাম আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করেছেন প্রাণপ্রিয় একমাত্র পুত্র ইসমাঈল আলাইহিস সালামকে কোরবানি করার মাধ্যমে। তার কাছে পুত্রের সম্পর্ক বড় ছিল না, ছিল প্রভুর নির্দেশ পালন করাটাই বড়। তাই তিনি কুণ্ঠাবোধ করেননি পিতা হয়ে পুত্রের গলায় ছুরি চালাতে। পুত্রও ছিল আল্লাহর প্রেমের মহান আশিক। ফলে পিতার সিদ্ধান্তে দ্বিমত পোষণ করেনি সে। বিলিয়ে দিয়েছে নিজের জীবনটাকে আল্লাহর পথে অকুণ্ঠচিত্তে। তাদের এ মহান ত্যাগ শুধু ইতিহাসের পাতায়ই লেখা হয়নি, লেখা হয়েছে অপরিবর্তনীয় মহাগ্রন্থ আল কোরআনেও। জীবন্ত কোরআন আজও তা সাক্ষ্য দিচ্ছে।

দাম্পত্য জীবনের শুরুতে ইবরাহিম আলাইহিস সালামের কোনো সন্তানাদি ছিল না। তিনি আলাহর নিকট প্রার্থনা করে বলেছেন, ‘হে আমার রব, আমাকে সৎকর্মশীল সন্তান দান করুন’। (সুরা-৩৭, আস্সফ্ফাত : ১০০)। আল­াহতায়ালা তাঁর দোয়া কবুর করেন। দোয়ার জবাবে বলেন, ‘অতঃপর তাকে আমি পরম ধৈর্যশীল একজন পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিলাম’। (সুরা-৩৭, আস্সফ্ফাত : ১০১) ইবরাহিম আলাইহিস সালামের বয়স যখন প্রায় ৮০ বছর তখন পুত্র হিসেবে ইসমাঈল আলাইহিস সালাম জন্মগ্রহণ করে। এরপর ইসমাঈল আলাইহিস সালাম যখন চলাচল করার মতো অবস্থায় পৌঁছলো তখন শুরু হলো এক কঠিন পরীক্ষা।

আল্লাহ তাকে কোরবানি করার জন্য পিতাকে স্বপ্নে নির্দেশ দিলেন। পিতা তাঁর রবের নির্দেশ পালনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করলো। এ ব্যাপারে ছেলের সাথেও পরামর্শ করল। আলাহর নির্দেশ পালনে ছেলেও রাজি হলো। উভয়ের সিদ্ধান্তের কথা আল্লাহতায়ালা আল কোরআনে প্রকাশ করেছেন। কোরআন বলছে, ‘অতঃপর যখন সে তার সাথে চলাফেরা করার বয়সে পৌঁছল, তখন সে বলল, ‘হে প্রিয় বৎস, আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, আমি তোমাকে জবেহ করছি, অতএব দেখ তোমার কী অভিমত’; সে বলল, ‘হে আমার পিতা, আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, আপনি তাই করুন। আমাকে ইনশাআল্লাহ আপনি অবশ্যই ধৈর্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত পাবেন’। (সুরা-৩৭, আস্সফ্ফাত :১০২) এরপর ইবরাহিম আলাইহিস সালাম নিজ সন্তানকে কোরবানি করে আল্লাহর সন্তুষ্টির ঈদ উদযাপন করেন। যেমন কোরআনে বলা হয়েছে, ‘অতঃপর তাঁরা উভয়ে যখন আত্মসমর্পণ করল এবং সে তাকে (ইসমাঈলকে) কাত করে শুইয়ে দিল। তখন আমি তাকে আহবান করে বললাম, ‘হে ইবরাহিম, ‘তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছ। নিশ্চয় আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি’। ‘নিশ্চয় এটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা’। আর আমি এক মহান জবেহের (একটি জান্নাতি দুম্বার) বিনিময়ে তাঁকে মুক্ত করলাম। আর তাঁর জন্য আমি পরবর্তীদের মধ্যে সুখ্যাতি রেখে দিয়েছি। ইবরাহিমের প্রতি সালাম। এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি। নিশ্চয় সে আমার মুমিন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত। (সুরা-৩৭, আস্সফ্ফাত : ১০৩-১১১)

তাঁরা কোরবানি করেছেন আল্লাহর নির্দেশ মেনে নিয়ে নিজেদের প্রিয় জিনিসকে। ফলে আল্লাহ সন্তুষ্টিও অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন তাঁরা। যে কোরবানি ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে করেছিল ধন্য, আমাদেরও সে ধরনের কোরবানি দিতে হবে।

loading...

About sylhet24 express

Check Also

কোরআনের যে দশটি সূরা আপনাকে দশটি বিপদ থেকে বাঁচাবে

কোরআনের যে দশটি সূরা আপনাকে দশটি বিপদ থেকে বাঁচাবে

অনলাইন ডেস্ক : কোরআনের যে দশটি সূরা আপনাকে দশটি বিপদ থেকে বাঁচাবেআল্লাহ মানুষকে বিভিন্ন সময় নানা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *