loading...
Home / অর্থনীতি / এশিয়ার সেরা ব্র্যান্ড লিডার বাংলাদেশের মনজুরুল

এশিয়ার সেরা ব্র্যান্ড লিডার বাংলাদেশের মনজুরুল

এশিয়ার সেরা ব্র্যান্ড লিডারের তালিকায় বাংলাদেশের মনজুরুল

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক  : আবুল খায়ের স্টিলের ব্র্যান্ড ম্যানেজার ও ব্র্যান্ড মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স ম মনজুরুল ইসলাম সম্প্রতি এশিয়ার অন্যতম সেরা ব্র্যান্ড লিডার নির্বাচিত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংস্থা চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) এশিয়া তাকে এ স্বীকৃতি প্রদান করে। এ ব্যাপারে মনজুরুল ইসলাম বলেন, এ স্বীকৃতি শুধু আমার অর্জন নয়, এটি দেশের অর্জন। এ স্বীকৃতি নিঃসন্দেহে দেশের উন্নয়নের পথে একটি প্রাপ্তি। সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের সেন্টোসা আইল্যান্ডের হোটেল লা মেরিডিয়ানে এক অনুষ্ঠানে তাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। সিএমও, এশিয়া বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২০১০ সাল থেকে সেরা ব্র্যান্ড লিডার, এইচআরসহ এমপ্লয়ার ব্র্যান্ড হিসেবে সফলতার স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। সিএমও এশিয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে এশিয়ার ৫ হাজার চিফ মার্কেটিং অফিসার এবং গ্লোবালি ১৭ হাজার সিএমও জড়িত। অ্যাওয়ার্ড প্রদানের মাধ্যমে পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময় ও দেশে দেশে সম্ভাবনাময়ী ব্র্যান্ড লিডারা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ সৃষ্টি করে থাকে।
তিনি মনে করেন, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে এদেশের উৎপাদিত পণ্যকে আন্তর্জাতিক মানের ব্র্যান্ডের মর্যাদায় নিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশের কোম্পানিসমূহ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এগিয়ে গেলে বহুজাতিক কোম্পানির অতি মুনাফা লোভী মানসিকতার পরিবর্তন আসতে বাধ্য হবে। বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের ব্র্যান্ড মার্কেটিংয়ে বিশেষ অবদানের জন্য সিএমও এশিয়া তাকে ক্যাটালিস্ট অব চেঞ্জের মর্যাদায় ভ‚ষিত করেছে।

দেশের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে স্টিল ইন্ডাস্ট্রির ও স্টিল কনজামসন আশানুরূপ নয়। উন্নয়নশীল বাংলদেশের জন প্রতি বছরে স্টিল ব্যবহৃত হয় মাত্র ২.৯ কেজি, যেখানে চীনে ব্যবহৃত হয় ৫৯০ কেজি। আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অনেক সুযোগ বিদ্যমান। সম্ভাবনার কথা হলো স্টিল হলো এমন একটি সেক্টর, যার উন্নয়নের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশকে পাল্টে দিতে পারি। শুধু স্টিল তৈরির প্রযুক্তিগত পরিবর্তন করে আমরা ৫৫ টাকা কেজি স্টিলকে ১৫,০০০ টাকা মূল্যের পণ্যে রূপান্তর করতে পারি। স্টিলের কম্পোজিশন পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি করা সম্ভব। যা বাংলাদেশের কোনো কোম্পানি প্রযুক্তিগত এ পরিবর্তনের প্রয়োজন অনুভব করেনি। ইলেকট্রিক আর্ক ফার্নেস প্লান্টে সংযোজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইস্পাত শিল্পে এক নব যুগের সূচনা করেছিল একেএস টিএমটি স্টিল ২০০৯ সালে। আমাদের হাতে গড়া ব্র্যান্ড বেঁচে থাকবে ক্রেতাদের মনে। বাংলাদেশ হবে সমৃদ্ধ। আমরা সেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি।’

loading...

About sylhet24 express

Check Also

বাংলাদেশ ব্যাংক

ঘাটতি মেটাতে দিনে ২ হাজার কোটি টাকা করে ঋণ নিচ্ছে সরকার

মুহাম্মাদ আখতারুজ্জামান : ঘাটতি মেটাতে দিনে ২ হাজার কোটি টাকা করে ঋণ নিচ্ছে সরকার। দীর্ঘদিন পর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *