loading...
Home / উপ সম্পাদকীয় / বঙ্গবন্ধু অপার এক বিস্ময়ের নাম

বঙ্গবন্ধু অপার এক বিস্ময়ের নাম

বঙ্গবন্ধু অপার এক বিস্ময়ের নাম
ফিরোজা সামাদ

ফিরোজা সামাদ : একজন মানুষ হিসেবে সমগ্র মানবজাতি নিয়েই আমি ভাবি। একজন বাঙালি হিসেবে যা কিছু বাঙালিদের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই আমাকে গভীরভাবে ভাবায়। এই নিরন্তর সম্পৃক্তির উৎস ভালোবাসা, অক্ষয় ভালোবাসা, যে ভালোবাসা আমার রাজনীতি এবং অস্তিত্বকে অর্থবহ করে তোলে।’ উলে­খিত অন্তর্নিহিত শব্দগুচ্ছ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত নোটবুকের অংশ, যা অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে প্রকাশিত।

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য ইতিহাস। দেশ এবং দেশের মানুষের প্রতি, দেশের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা কিংবদন্তির মতো প্রবাহমান অনন্ত ভবিষ্যতে। বঙ্গবন্ধু অপার এক বিস্ময়ের নাম। বঙ্গবন্ধু সৃষ্টির অনন্য এক উপহার স্রষ্টার তরফ থেকে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর উপলব্ধিতে অত্যন্ত স্বচ্ছ মানুষের মনোজগৎ তাদের মানসিকতা, আচার-আচরণ। তরুণ বয়সে মানুষকে ভালোবেসে, তাদের কষ্ট দূর করতে, মানুষকে সুখী করার চিন্তায় তিনি যে লক্ষ্য স্থির করেছিলেন সেই লক্ষ্যে স্থির ছিলেন প্রতি মুহূর্তে। নিজের জীবনকে তিনি অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছিলেন মানুষের জন্য। তাই তো তিনি অকপটে বলতে পেরেছিলেন আমরা এ দেশের শাসক নই, আমরা এ দেশের সেবক এ কথা মনে রাখতে হবে। জনগণের সেবার জন্যই আমরা নির্বাচিত হয়েছি এবং তাদের সেবাতেই আমাদের আত্মনিয়োগ করতে হবে। (সূত্র : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান : জীবন ও রাজনীতি, পৃষ্ঠা- ৯২৮)

বাংলাদেশের জন্মর ইতিহাস এবং এর রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান ছিল বঙ্গবন্ধুর। দারিদ্র্যমুক্ত, অসা¤প্রদায়িক, প্রগতিশীল উদার এক কল্যাণ রাষ্ট্রের স্বপ্নের আলো জ্বালিয়ে ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই আলোর মর্মবাণী যেমন অতীতে ছিলো এদেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের কেন্দ্রস্থল, তেমনি সেই আলো আগামীরও পথ নির্দেশক।

জাতীয় শোকের মাসে গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার সাথে বিনম্রচিত্তে স্মরণ করছি জাতির পিতাকে। তিনি আমাদের সকলকে স্বাধীন বাংলাদেশের গর্বিত নাগরিক হিসেবে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার মর্যাদা দিয়ে গেছেন। শ্রদ্ধাভরে আরও স্মরণ করছি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শাহাদাতবরণকারী সকলকে।

ঘড়ির কাঁটা ১২টার পর পরই শুরু হয় শোকের মাস। শোকাবহ আগস্টের প্রথম দিন মঙ্গলবার। পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে প্রতিটি বছরই আগস্ট এলেই শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে গোটা বাঙালি জাতি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হন একদল বিপথগামী সেনার হাতে। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামাল, মেজ ছেলে শেখ জামাল। শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, শেখ জামালের স্ত্রী রোজী জামালও খুন হন তাদের হাতে। ঘাতকের হাত থেকে রক্ষা পায়নি ছোট্ট শিশুও। সেই রাতে বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলকেও হত্যা করে ঘাতকরা। বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসেরও রক্ষা পাননি ঘাতকদের হাত থেকে।

আরো হত্যাকাণ্ডের শিকার হন আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মণি ও তার স্ত্রী বেগম আরজু মণি, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছোট মেয়ে বেবী সেরনিয়াবাত, ছোট ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত আবদুল্লাহ বাবু, শহীদ সেরনিয়াবাত, আব্দুল নঈম খান রিন্টু, বঙ্গবন্ধুর প্রধান নিরাপত্তা অফিসার কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদ। অসম্ভব সাংগঠনিক ক্ষমতার অধিকারী এই মহান নেতা লক্ষাধিক লোকের চোখের ইশারাকে ঠিকই বুঝে ফেলেছিলেন ৭ মার্চের ভাষণের দিন। ‘মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছারবো ইনশাআল­¬াহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। তোমাদের কাছে যার যা কিছু আছে,তাই নিয়ে শত্র“র মোকাবেলা করতে হবে।’

বঙ্গবন্ধুর ভাষণে উদ্দীপ্ত হয়েই একাত্তরে স্বাধীনতাযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তি পাগল মানুষ। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের কয়েকজনের বিচারের রায় ইতোমধ্যে কার্যকর করে জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। বাকিদেরও ফিরিয়ে আনবে সরকার।
বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত এই নেতা বেঁচে থাকবেন বাঙালির অন্তরে অন্তরে। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক দেশটি যতোদিন থাকবে ততোদিন বাঙালি হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর নাম চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসায় বঙ্গবন্ধু মৃত্যুঞ্জয় হয়ে আছেন জাতির পিতায় ভ‚ষিত হয়ে।

স্মরণের অমরতায় জড়িয়ে আছে বঙ্গবন্ধুর উদাত্তকণ্ঠের আহবান যা পথ নির্দেশ করে ভবিষ্যতের। বঙ্গবন্ধু বলেন…
আমাদের কাজ করতে হবে। আমাদের জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। বাঙালি জাতি যে প্রাণ, যে অনুপ্রেরণা নিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছিল সে প্রাণ, সেই অনুপ্রেরণার মতবাদ নিয়ে অগ্রসর হতে হবে, দেশের দুঃখী মানুষকে মুক্তি দেওয়ার জন্য, তাদের মুখে হাসি ফোটাবার জন্য। এজন্য যারা যেখানে আছেন, যারা দেশকে ভালোবাসেন, সকলকে আমি আহবান করবো আসুন দেশ গড়ি। আসুন দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাই। আসুন দেশের মানুষের দুঃখ দূর করি। (সূত্র : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান : জীবন ও রাজনীতি, পৃষ্ঠা ৯০৬)

১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সঙ্গেই ভিন্ন পথচলা শুরু হয় সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের। মুখ থুবড়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, প্রশাসন থেকে রাজনীতি। সব জায়গায় জেঁকে বসে পাকিস্তানি প্রেতাত্মাদের ভ‚ত। জাতির জনককে হত্যার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাংলাদেশ বেতার হয়ে গিয়েছিল রেডিও বাংলাদেশ। মুক্তিযুদ্ধে রণধ্বনী জয় বাংলা বদলে যায় বাংলাদেশ জিন্দাবাদে। বছর না ঘুরতে জেলখানা থেকে স্বদম্ভে বেড়িয়ে আসে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত প্রায় ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধী। যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন, যারা বিশ্বাস করতেন অসা¤প্রদায়িক বাংলাদেশে, তাদের জন্য শুরু হয় অন্ধকার কালান্তর। ১৫ অগস্ট হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই একটানা চেষ্টা চলে বঙ্গবন্ধুকে ভুলিয়ে দেয়ার। পাঠ্যপুস্তক থেকে মুছে ফেলা হয় বঙ্গবন্ধুর নাম। আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোর ওপরে চলে ধারাবাহিক নির্যাতন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সময়ে দেশের বাইরে ছিলেন তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। স্বামী-সন্তানসহ ছয় বছর বিদেশে কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৯ মে দেশে ফিরতে সক্ষম হন তার বড় মেয়ে শেখ হাসিনা। দুই শিশু সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে লন্ডনে ছোট বোন শেখ রেহানার কাছে রেখে বাংলাদেশের গণতন্ত্র আর প্রগতিশীলতার রাজনীতি ফেরাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে ফেরেন তিনি।
দীর্ঘদিন পরে দেশে ফেরা শেখ হাসিনার জন্য যতটা না আনন্দের ছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি বেদনার। রাজনীতির ময়দানের মতোই ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ। প্রকৃতিও যেন একাত্ম হয়ে গিয়েছিল শেখ হাসিনা আর বাঙালির আবেগের সঙ্গে। ১৯ মে’র সেই রবিবার সকাল থেকেই ছিল কালবৈশাখীর প্রবল ঝড়ো হাওয়া, বেগ ছিল ঘণ্টায় ৬৫ মাইল। ঝড়-বৃষ্টি মাথায় নিয়েই সেদিন বিমানবন্দরমুখী হয়েছিল লাখো মানুষ। মুষলধারার বৃষ্টি তাদের সরাতে পারেনি বিমানবন্দর থেকে। দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছর পর দেশের মাটিতে পা রেখেই আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা। তাকে এক নজর দেখার জন্য কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শেরে বাংলা নগর পর্যন্ত সব রাস্তা সেদিন পরিণত হয়েছিল জনসমুদ্রে। আর দেশের মাটিতে পা দিয়েই শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি; বঙ্গবন্ধু নির্দেশিত পথে তার আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির জনকের হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই।’ তার আগমন উপলক্ষে স্বাধীনতার অজেয় ধ্বনী ‘জয় বাংলা’ আবারও লাখো কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছিল সেদিন। সেদিন সবার কণ্ঠে স্লোগান ছিলো- ‘হাসিনা তোমায় কথা দিলাম- পিতৃ হত্যার বদলা নেব’। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর প্রতিক‚ল পরিবেশে নির্বাসিত প্রবাস জীবন কাটাতে হয় আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। সেই অবস্থাতেই ১৯৮১ সালে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লিগের কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে দলের নেতারা শেখ হাসিনাকে সভাপতি নির্বাচিত করেন। দেশে ফেরার পর তিনি দায়িত্ব নেন মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লিগের। দেশে ফেরার প্রথম দিনেই শেখ হাসিনা ছুটে গিয়েছিলেন ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে, যেখানে ঘাতকরা হত্যা করেছিল তার বাবা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, ভাই শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল আর দুই ভাইয়ের স্ত্রীকে। তবে, তৎকালীন জিয়াউর রহমানের সরকার তাকে সেদিন ঢুকতে দেয়নি স্বজনের রক্তে ভেজা সেই বাড়িতে। বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে দোয়া পড়ে ফিরে যেতে হয়েছিল তাকে। সেদিন শেখ হাসিনার চোখের জল আর বৃষ্টির পানি একাকার হয়ে ভিজেছিলো বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার মাটি।

২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠন করলে, গতি ফেরে মামলার। উচ্চ আদালতে ২৯দিন শুনানির পর ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর রায়ের তারিখ নিধারিত হয়। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামির দায়ের করা আপিল আবেদন খারিজ করে দেন রায়ে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা মামলায় ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন উচ্চ আদালত।

বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের টাস্কফোর্স-এর উদ্যোগের কথা কিছুদিন আগে জানিয়েছিলেন বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কিছুদিন আগে জানিয়েছিলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের গ্রেফতারে রেড অ্যালার্ট এখনো বহাল। খুনিদের অবস্থান নিশ্চিত করে দ্রুত তাদের দেশে আনা সম্ভব হবে। এই ফিরিয়ে আনার জোরদার চেষ্টা এখনো চলছে।

বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা দু’বার পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন শেষে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আইনের নিয়মিত প্রক্রিয়ায় বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও চালিয়ে যাচ্ছেন। মুক্তিযুদ্ধের যে শপথ ছিলো, সেই শপথের পথ থেকে মাঝে অনেকটাই বেপথ হয়েছিলো বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার লড়াই সেই পথভোলা বাংলাদেশকে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অসা¤প্রদায়িক মহাসড়কে তুলে দেওয়ার। তবে, সেই পথ যে মসৃণ নয়, সেটা বঙ্গবন্ধু তনয়া আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ভালো করেই জানেন। ২০০৪ এর ২১ আগস্টসহ ২১ বারের বেশি তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তারপরও শেখ হাসিনা আছেন, চলছে তার দেশ গড়ার লড়াই। এতকিছুর পরেও আগস্ট এলেই শোকাতুর হয় বাঙালি রক্তক্ষরণ হয় প্রতিটি হৃদয়ে। সংশয়ে কাটে আগস্ট মাস। কেননা বাংলাদেশের আরেক নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

loading...

About sylhet24 express

Check Also

রেজাউল করিম

বাঙালির নৃতাত্ত্বিক পটভূমি ও বঙ্গবন্ধু

রেজাউল করিম : বাঙালি জাতি কোন একক নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী নয়। বাঙালি একটি সংকর জাতি। প্রাচীনকাল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *