loading...
Home / উপ সম্পাদকীয় / বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ইউজিসির অভিন্ন নীতিমালা একটি পর্যালোচনা

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ইউজিসির অভিন্ন নীতিমালা একটি পর্যালোচনা

ড. মো. আনোয়ার হোসেন :
ড. মো. আনোয়ার হোসেন :

ড. মো. আনোয়ার হোসেন : উচ্চশিক্ষা বলতে ৩য় স্তরের শিক্ষাকে বুঝায় যা সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দেয়া হয়ে থাকে। আর বিশ্ববিদ্যালয় হলো মুক্ত চিন্তা, নতুন জ্ঞানের সৃষ্টি ও লালন এবং জ্ঞান বিতরণের জায়গা যার জন্যই বিশ্ববিদ্যালয় অন্যান্য বিদ্যালয় হতে সম্পূর্ণ আলাদা। আর জ্ঞান বিতরণের মাধ্যমে জনশক্তি উৎপাদন হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ। এর পাশাপাশি গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়ন করা যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে এবং দেশ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

সম্প্রতি ইউজিসি কর্তৃক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষক নিয়োগ পদোন্নতি/পদোন্নয়নের জন্য অভিন্ন নীতিমালা প্রত্যেকটি বিশ্ব^বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এখানে ভ‚মিকাতে বলা হয়েছে যে, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়ন/সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বর্তমান দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মান সমান নয় এবং এসব বিশ্ববিদ্যালয় হতে ডিগ্রিপ্রাপ্ত গ্রাজুয়েটদের মধ্যে জ্ঞান-বিজ্ঞানে এক ধরনের বৈষম্য বিদ্যমান। এই বৈষম্য দূরীকরণের অভিষ্ট লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ইউজিসি দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষকদের জন্য একটি যুগোপযোগী অভিন্ন নিয়োগ, পদোন্নতি, পদোন্নয়ন-এর নীতিমালার খসড়া তৈরি করে এবং পরবর্তীকালে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউসুফ আলী মোল­া, সদস্য, ইউজিসি-কে আহŸায়ক করে ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি খসড়া প্রস্তাব নিয়ে একাধিক বার বিশ্ববিদ্যালয় ফেডারেশন নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করে অভিন্ন নীতিমালা চূড়ান্ত করেছেন। এ দুরূহ কাজটি সম্পাদন করার জন্য ইউজিসি তথা সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু বাস্তবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে চূড়ান্ত নীতিমালাতে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে কিছুটা অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। বর্তমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেইস বুক) খুললে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ (প্রফেসর ব্যতিরেকে) এ অভিন্ন নীতিমালার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ইতোমধ্যে, তারা প্রভাষক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পর্যন্ত সকল শিক্ষককে একই প্লাটফর্মে এসে আন্দোলনের মাধ্যমে অভিন্ন নীতিমালাটি বাতিলের আহŸান জানিয়েছেন। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ভবিষ্যতে অস্থিরতার সম্ভবনা রয়েছে।

গত কয়েক দিনে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি চূড়ান্ত এই অভিন্ন নীতিমালা প্রত্যাখ্যান করে ইউজিসিকে পত্র দিয়েছেন যা ফেসবুকের মাধ্যমে শিক্ষক সমাজকে অবহিত করেছেন। তাতে সহজেই অনুমান করা যায় প্রকাশিত নীতিমালাটির সাথে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সুপারিশকৃত নীতিমালার তারতম্য রয়েছে। যোগাযোগ করা হলে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেছেন যে তাদের সুপারিশকৃত নীতিমালাটিকে কিছুটা পরিবর্তন করে প্রকাশ করা হয়েছে।

নীতিমালাটি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় :

(১) সরাসরি নিয়োগের জন্য বিভিন্ন পদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা পদোন্নতি/পদোন্নয়ন প্রার্থীর চেয়ে কম চাওয়া হয়েছে। যেমন- সহযোগী অধ্যাপক সরাসরি নিয়োগের জন্য ১২ বছর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে কিন্তু পদোন্নয়ের জন্য ১৩ বছর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অন্যান্য পদের ক্ষেত্রেও তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে। এতে করে যারা চাকরিতে আছেন তারা সরাসরি নিয়োগের প্রার্থীর চেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। উভয় ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সমান থাকলে ভালো হয়।

(২) প্রভাষক পদে নিয়োগের জন্য প্রার্থীর যোগ্যতা কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যামান শর্তের চেয়ে কিছুটা হলেও নমনীয় করা হয়েছে। যেমন- প্রভাষক পদে নিয়োগের জন্য প্রার্থীর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স পরীক্ষায় মেধাক্রম ১ থেকে ৭ এর মধ্যে থাকতে হবে যা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরো কয়েকটি পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত আছে। মেধাক্রমের শর্ত উঠিয়ে দিলে ভবিষ্যতে নিæমান সম্পন্ন প্রার্থী নিয়োগের জন্য রাজনৈতিক চাপসহ অন্যান্য তদবির করার সুযোগ থাকবে ফলে শিক্ষার মান বাড়ানো সম্ভব হবে না।

(৩) প্রায় প্রতিটি পদোন্নতি/পদোন্নয়নের ক্ষেত্রে ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর (Impact Factor) জার্নালের শর্তজুড়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা এ ধরনের শর্তকে স্বাগত জানাই। কিন্তু ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর জার্নালে একটি প্রকাশনা করতে হলে যে গবেষণার সুযোগ-সুবিধা ও আর্থিক অনুদান দরকার তার ব্যবস্থা সরকারকে করতে হবে। উন্নত বিশ্বে একজন সহকারী অধ্যাপক নিয়োগের পূর্বেই বলে দেওয়া হয় যে তার চাকরিতে যোগদান করলে কি ধরনের গবেষণার সুযোগ-সুবিধা পাবেন। পরবর্তীকালে তার গবেষণার ধারাবাহিকতা রক্ষা করার জন্য কমপক্ষে ৫ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান অব্যাহত রাখা হয়। একটি ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর জার্নালে ওপেন অ্যাকসেস (Open Access)-এ প্রকাশনা করার জন্য সংশ্লিষ্ট পাবলিসারকে ১০০০ থেকে ৩০০০ ইউএস ডলার প্রকাশনা ফিস দিতে হয় যা অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদান করা হয়। আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ নিয়ম চালু করা যেতে পারে। আর গবেষণার অনুদান হিসেবে পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক/সহকারী অধ্যাপককে শ্রেণিভেদে (বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, কলা, প্রকৌশল ও চিকিৎসা অনুষদের শিক্ষকদের জন্য) বাৎসরিক ন্যূনতম এক লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে ১০ লক্ষ টাকা গবেষণা অনুদান দেওয়া যেতে পারে। এতে করে ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর জার্নালের শর্ত পুরনের জন্য আর চিন্তিত হবার প্রয়োজন হবে না।

(৪) অপর দিকে, অভিন্ন নীতিমালাতে শিক্ষা ছুটির বিষয়ে পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপের সময়কালকে সক্রিয় চাকরির অভিজ্ঞতা হিসেবে গণ্য করা হবে না। এ ধরনের নিয়ম মাত্র একজন শিক্ষকের পদোন্নতিই পিছিয়ে দেবে না বরং তার জুনিয়র শিক্ষকদের ভবিষ্যতের গবেষণাকে নিরুৎসাহিত করবে। একজন শিক্ষক তার শিক্ষা জীবনে পিএইচডি ও পোস্ট ডক্টরাল মিলে মোট ৫ বছর স্ব-বেতনে ছুটি পাওয়া উচিত। যদি কেউ ৩ বছরে পিএইচডি ডিগ্রি শেষ করেন সে যেন ২ বছর স্ব-বেতনে পোস্ট ডক্টরাল ছুটি পায় তার ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। আর ৫ বছর পিএইচডি ছুটি ভোগ করলে তিনি ২ বছর বিনা বেতনে পোস্ট ডক্টরাল ছুটি পেতে পারেন যা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রচলিত আছে। বিদেশে পোস্ট ডক্টরাল গবেষণাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয় বিধায় শিক্ষক নিয়োগের সময় কমপক্ষে

২ বছরের পোস্ট ডক্টরাল অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। এ ধরনের নিয়ম চালু করলে শিক্ষকদের গবেষণার গুণগতমান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত হবে।

(৫) আবার, অভিন্ন নীতিমালাতে প্রফেসর গ্রেড-৩ থেকে গ্রেড-২ তে যাওয়ার জন্য সিন্ডিকেটের সভা যখনই হোক না কেন ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার পরবর্তী দিন(Due date) থেকে প্রমোশন কার্যকর করার শর্ত রয়েছে। অন্যান্য পদের জন্য প্রমোশনের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ডিউ ডেট থেকে কার্যকর করা হলে শিক্ষকদের প্রমোশনের রাজনীতি ও হয়রানি অনেকাংশেই হ্রাস পাবে।

(৬) অভিন্ন নীতিমালাতে প্রমোশনের জন্য অন্যান্য পেশার চাকরির মতো মাত্র বছর গুনে প্রমোশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে যেখানে রেয়াতের কোনো সুযোগ নেই। অসাধারণ (Extraordinary) প্রার্থীর ক্ষেত্রে অল্প সময়ে প্রমোশনের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। এতে করে উচ্চতর যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকরা হতাশ হবেন এবং জুনিয়র শিক্ষকগণ নিরুৎসাহিত হবেন। এ প্রসঙ্গে বলতে হয়, আমার পোস্টডক সুপারভাইজার আমেরিকার জর্জিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির মতো ভার্সিটিতে মাত্র ১০ বছরে প্রফেসর হয়েছেন। তিনি অবশ্য উঁচুমানের জার্নালে বেশ কয়েকটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছিলেন। আমাদের মধ্যে থেকে শতকরা একজন হলেও এমন শিক্ষক রয়েছেন যাদের অনেক ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর (Impact Factor) জার্নালে গবেষণা প্রবন্ধ রয়েছে, তারা এ রেয়াতের সুযোগ পেতে পারেন। এতে করে জুনিয়র শিক্ষকগণ গবেষণা কার্যে উৎসাহিত হবেন।

(৭) অভিন্ন নীতিমালাতে প্রভাষক পদ ব্যতীরেকে অন্যান্য পদের জন্য ১ জুলাই থেকে কার্যকর না করে কমপক্ষে ২ থেকে ৩ বছর সময় দিয়ে কার্যকর করলে ভালো হতো। এতে করে শিক্ষকগণ কিছুটা হলেও সময় পেত গবেষণা করে ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর জার্নালে প্রকাশ করার জন্য। হঠাৎ করেই একটা নিয়ম চালু করায় অনেকেই দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

(৮) অভিন্ন নীতিমালাতে কেবল প্রমোশনকে দীর্ঘায়িত করে শিক্ষক সমাজকে হেয় করার প্রবণতা রয়েছে যেখানে পুরস্কারের কোন ব্যবস্থা রাখা হয়নি যা শিক্ষক সমাজকে দারুণভাবে আঘাত করেছে। মালয়েশিয়া, কোরিয়া, চীন, সৌদি আরবসহ অনেক দেশেই ইনডেক্সড (Indexed) জার্নালে প্রবন্ধ প্রকাশ করলে ক্যাটাগরি অনুযায়ী (Q1, Q2, Q3 and Q4) ৫০০-২০০০ ইউএস ডলার পর্যন্ত পুরস্কার দিয়ে থাকে। আমাদের দেশে এ নিয়ম চালু করলে গবেষণা কার্যক্রমে সব শিক্ষকই উৎসাহিত হবেন । নীতিমালাতে শিক্ষকগণের প্রমোশন যেহেতু আগের চেয়ে অনেক কঠিন হয়েছে এবং অনেকে শিক্ষক জীবনে প্রফেসর পদে পদোন্নতি হয়তো পাবেন না, তাই শিক্ষকদের জন্য একটি স্বতন্ত্র বেতন স্কেল এখন সময়ের দাবি। স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের সুযোগ-সুবিধা ও অনুদান পেলে এ নীতিমালার শর্ত পূরণ করে পদোন্নতি পাওয়া দুঃসাধ্য হবে না। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা পেশা সবার কাছে আকর্ষণীয় হবে।

প্রত্যাখ্যান কোনো সমাধান নয়, তাতে কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যাকে পছন্দ করে না বা যার সাথে প্রতিযোগিতা আছে তাকে এ নীতিমালার ফাঁদে আটকে দেবে আর যাকে পছন্দ তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নীতিমালার বৈতরণী পার করে দেবে। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে অরাজকতার সৃষ্টি হবে। তাই এ নীতিমালা প্রত্যাখ্যান না করে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে পরিমার্জন করে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল একটি অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন করা সম্ভব। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা একজন শিক্ষা ও গবেষণানুরাগী নেত্রী। তিনি ইতোমধ্যে ২০০৯ সাল হতে উচ্চতর গবেষণা খাতে অল্পসংখ্যক হলেও কিছু অনুদান দেয়া শুরু করেছেন এবং অনুদানের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করার প্রতিশ্র“তিও দিয়েছেন। ইউজিসি কর্তৃক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি/পদোন্নয়ন জন্য অভিন্ন নীতিমালা সংশোধনপূর্বক শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে একটি অভিন্ন নীতিমালা প্রণযন ও বাস্তবায়ন হোক এটাই আমাদের একান্ত কাম্য।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

loading...

About sylhet24 express

Check Also

রেজাউল করিম

বাঙালির নৃতাত্ত্বিক পটভূমি ও বঙ্গবন্ধু

রেজাউল করিম : বাঙালি জাতি কোন একক নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী নয়। বাঙালি একটি সংকর জাতি। প্রাচীনকাল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *