loading...
Home / Uncategorized / সেরা পরিচালক ও চিত্রনাট্যকারের পুরস্কার জিতেছেন রিয়াজুল রিজু

সেরা পরিচালক ও চিত্রনাট্যকারের পুরস্কার জিতেছেন রিয়াজুল রিজু

রিয়াজুল রিজু

বিনোদন প্রতিবেদক : আমার পুরস্কার তরুণদের উৎসাহিত করবে
সম্প্রতি ঘোষিত হয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৫ । সেরা পরিচালক ও চিত্রনাট্যকারের পুরস্কার জিতেছেন রিয়াজুল রিজু বাপজানের বায়স্কোপের জন্য । একটি ছবি সব মিলিয়ে পেয়েছে মোট ৯টি জাতীয় পুরস্কার । রিয়াজুল রিজুর পুরস্কারপ্রাপ্তি ও বর্তমান কাজ নিয়ে কথা হয় হ্যালো আড্ডার সঙ্গে।
প্রথম ছবিতেই বাজীমাত, অভিনন্দন ভাই.
ধন্যবাদ আপু। এর সঙ্গে আমার পুরো টিমকে ধন্যবাদ জানাই যারা আমার সঙ্গে থেকে কাজ করেছেন। আরো অভিনন্দন জানাতে চাই ওস্তাদ শাহেদ শরিফ খান, আমার বাবা ডাক্তার জি মওলা ও এই ছবির এক্সিকিউটিভ প্রযোজক এম এ হোসেন মঞ্জু। এই তিনজনের জন্যই হয়তো আমি বাপজানের বায়স্কোপ ছবিটি নির্মাণ করতে পেরেছি। তাদের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। বাপজানের বায়স্কোপ কিন্তু ২২টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কারের শর্ট লিস্টে ছিল। মোরশেদুল ইসলাম, অনিমেষ আইচ, শিহাব শাহীনদের মতো নির্মাতাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে, আমি যে পুরস্কারটি পাব সেটা কল্পনার বাইরে। আল্লাহর অশেষ রহমত ছিল বলেই হয়তো এই অর্জন পেয়েছি। তার সঙ্গে যুক্ত আছে পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও সততা। আমি এখন টাঙ্গাইলে নিজের বাড়িতে আছি। কাল ঢাকায় আসব। এসেই সবার আগে বিএফডিসিতে যাব।
অনেকে বলেছে ছিবটি পলিটিক্স এর শিকার হয়েছে কিন্তু কেন ?
যাদের মনে হয়েছে তারা বলেছে । পুরনো এই বিষয় আর মনে করতে চাই না বা বলতেও চাই না। জীবনে হয় কিছু পেয়েছি না হয় শিখেছি। যারা আমার ক্ষতি করেছে তাদেরকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ। তারা না থাকলে হয়তো অনেক কিছুই জানতাম বা শিখতামও না । সময় আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। কিন্তু একবারের জন্যও হার মানিনি। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিকল্প ব্যবস্থায় ছবিটি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করেছিলাম। তাও ছবিটি হলে আবার প্রদর্শনের ব্যবস্থা করেনি তারা। সবচেয়ে বড় কষ্ট যে ছবিটি প্রদর্শিত হতে দেয়নি চলচ্চিত্রেরই কিছু মানুষ। যাক বাদ দেই এসব কথা।
এতে কি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলেন?
এসএ টিভির চাকরি ছেড়ে আমি ছবিটি বানিয়েছি। এতে যে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি, তার ধাক্কা আমাকে এখনো সামলাতে হচ্ছে। আমি থাকি ঢাকায় আর আমার পরিবারের সবাইকে রাখতে হচ্ছে টাঙ্গাইলে। এটা কে কি আপনি কম ক্ষতি হিসেবে দেকবেন! বাকিগুলোনা হয় বাদই দিলাম। এখন আমি জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছি বলে আজ সবাই আমার খোঁজ নিচ্ছে, শুভেচ্ছা দিচ্ছে। যে সময়টায় আমার বিপদ যাচ্ছিল তখন তো তাদের পাশে পাইনি।
নির্মাণে আগ্রহীদের জন্য কি বলবেন ?
আমাদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি এখন দুঃসময় অতিক্রম করছে। সাধনা চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের ভালো ছবি নির্মাণের জন্য তরুণদের উৎসাহ যোগাতে হবে। আমার পুরস্কার তরুণদের উৎসাহিত করবে বলে বিশ্বাস করি। কোন কোন অগ্রজ চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব তরুণদের চলচ্চিত্র নির্মাণের পথকে কঠিন করে তুলেন। সহযোগিতা কম আর বাধা সৃষ্টি করে বেশি। তাদের বলব, তরুণদেরকে সহযোগিতা করুন। তরুণ নির্মাতাদের হাত ধরেই বাংলাদেশের চলচ্চিত্র বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
বাপজানের বায়স্কোপের শুটি হয়েছিল কিভাবে?
সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার লাঙলমোড়া চরের একটি প্রত্যন্ত এলাকায় শুটিং হয়েছিল। সেখানে শিল্পীদের থাকার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করতে হয়েছিল। শুটিং এর সময় অনেকে অসুস্থও হয়ে পরেছিলেন। চরাঞ্চলের মানুষের জীবনের গল্প নিয়ে এই ছবি। সবার সহযোগিতা ছাড়া এই ছবির কাজ শেষ করা মোটেও সম্ভব ছিল না। বাপজানের বায়োস্কোপে অভিনয় করেছিলেন শহীদুজ্জামান সেলিম, শতাব্দী ওয়াদুদ, সানজিদা তন্ময়, মাসুদ মহিউদ্দিন, হাফসা মৌটুসী, তারেক বাবু প্রমুখ।

Loading...
loading...

ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন



Loading...

About sylhet24 express

Check Also

ঐশ্বরিয়া

১০০ শিশুর চিকি‍ৎসার দায়িত্ব নিলেন ঐশ্বরিয়া

অনলাইন ডেস্ক : রাহুল রাওয়াইল পরিচালিত ‘অর পেয়ার হো গায়া’ ছবির মধ্য দিয়ে ১৯৯৭ সালে বলিউডে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *